সাপের বিষের প্রতিষেধকঃ তৈরী হয় ঐ সাপের বিষ থেকেই !!! - সেরা-সংগ্রহ.কম
X

Tuesday, January 19, 2016

সাপের বিষের প্রতিষেধকঃ তৈরী হয় ঐ সাপের বিষ থেকেই !!!

আপনি জানেন কি?


সাপের বিষের প্রতিষেধক তৈরী হয় সাপের বিষ থেকেই!



বিষধর সাপের কামড় মানেই সাক্ষাত যমের দর্শন। সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে ওঝার কাছে যাওয়ার প্রবনতা আমাদের দেশে বহু পুরাতন। কিন্তু প্রকৃত বিষধর সাপ কামড়ালে তখন ডাক্তারের দারস্থ হতেই হয়। কিন্তু মজার ব্যপার হলো , ডাক্তার যে ওষুধ (Anti-Venom) দিয়ে আপনার চিকিৎসা করেন তা ঐ সাপের বিষ থেকেই তৈরী।

পৃথিবীতে ঘোড়াই একমাত্র প্রানী যেটি সাপের বিষে মারা যায় না। উল্টে নিজের শরীরে সাপের বিষ প্রতিরোধি এন্টিবডি তৈরী করে ফেলে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সময় লাগে দুই থেকে তিন দিন। এই সময়ে আক্রান্ত ঘোড়াটি কিছুটা অসুস্থ অনুভব করে মাত্র। তারপর সব ঠিক হয়ে যায়।

ভাবছেন, ধান ভানতে শিবের গীত গাইছি কেন? অর্থাৎ সাপের বিষের প্রতিষেধক নিয়ে লিখছি যখন তবে এখানে ঘোড়া আসবে কেন? আসলে ঘোড়ার এই সাপের বিষ প্রতিরোধি বিশেষ ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়েই তৈরী হয় জীবন রক্ষাকারী ঔষধ এন্টি ভেনম।

এন্টি-ভেনম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সমূহ এ জন্য ব্যবহার করে একপাল ঘোড়া আর সাপের বিষ  । তারা
ঘোড়ার শরীরে সাপের বিষ সরাসরি পুশ করে এবং দুই থেকে তিন দিন অপেক্ষা করতে হয়। তারপর ঘোড়াটি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠলে ঐ সব ঘোড়ার শরীর থেকে রক্ত সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহিত রক্ত পরীক্ষাগারে লহিত কনিকা ,স্বেত কনিকা , এবং সিরাম আলাদা করা হয়। এবং এই সিরাম কে আবারও প্রকৃয়াজাত করে তৈরী করা হয় "এন্টি ভেনম সিরাম" যা বিষধর সাপের কামড়ে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে পুশ করা হয় সাপের বিষের প্রতিষেধক হিসাবে।