পাঁচ হাজার বছর আগে করা শ্রীকৃষ্ণের যে সব ভবিষ্যৎ বাণী বর্তমানে সত্য প্রমানিত !!! - সেরা-সংগ্রহ.কম
X

Tuesday, July 12, 2016

পাঁচ হাজার বছর আগে করা শ্রীকৃষ্ণের যে সব ভবিষ্যৎ বাণী বর্তমানে সত্য প্রমানিত !!!

শ্রী কৃষ্ণের পাঁচ হাজার বছর আগে করে যাওয়া ভবিষ্যৎ বাণীঃ




ভগবত গীতা। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, মহাভারতের যুদ্ধের সময় অর্জুনকে বলা কৃষ্ণের বাণী নিয়েই রচিত হিন্দুদের এই ধর্মগ্রন্থ। যুদ্ধে আপনার জনকে মারার বেদনায় তৃতীয় পাণ্ডব তখন মর্মাহত হয়ে পড়েছিলেন। তাঁকে জীবনের সঠিক পাঠ দিতে যে বাণী শ্রীকৃষ্ণ দিয়েছিলেন, তাই পরিচিত ভগবত গীতা নামে। ৫০০০ বছরের পুরনো এই বইয়ে বর্তমান যুগ সম্পর্কে যা যা বলা হয়েছিল, আশ্চর্যজনক ভাবে তার সবই মিলে গিয়েছে। গীতা যাঁরা মন দিয়ে পড়েছেন, তাঁরা জানেন যে এর শেষ অংশে কলি যুগ সম্পর্কে বেশি কিছু ভবিষ্যত্‍বাণী করা হয়েছে।


এই ভবিষ্যত্‍বাণীগুলির কিছু হল -

* ধর্ম, সততা, পরিচ্ছন্নতা, সহ্যশক্তি, ক্ষমাশীলতা, আয়ু, শারীরিক ক্ষমতা এবং স্মৃতিশক্তি - সবই কলিযুগে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হৃাস পাবে।

* কলিযুগে অর্থই মানুষের একমাত্র ক্ষমতা হিসেবে বিবেচিত হবে। আইন ও সুবিচার পাওয়ার সম্ভাবনা আর্থিক ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত থাকবে।

* নারী-পুরুষের মধ্যে সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে অর্থ ও যৌনতাই প্রাধান্য পাবে। নারীত্ব ও পুরুষত্ব বলতে একমাত্র যৌন ক্ষমতা বোঝানো হবে। শুধুমাত্র সাদা সুতো গলায় ঝোলালেই একজন ব্রাহ্মণ হিসেবে পরিচিতি পাবে।

* মানুষের মধ্যে ধর্ম কমবে। বদলে বাড়বে ধর্মের প্রতি বাহ্যিক আড়ম্বর। উপার্জনের নিরিখেই মানুষের শিক্ষা-দীক্ষা বিবেচিত হবে। যে ছল-চাতুরি করে অনেক টাকা রোজগার করে, তাকেও সমাজে উচ্চ-পদস্থ হিসেবে দেখা হবে।
[ads-post]
* শঠতা আর কোনও দোষ হিসেবে দেখা হবে না। টাকা না থাকলে সমাজে কোনও মূল্য থাকবে না। নারী-পুরুষের বিবাহ বন্ধনকে কেবলমাত্র মৌখিক চুক্তি হিসেবে দেখা হবে।

* দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষের ভিড়ে এই পৃথিবী ভরে উঠবে। ছল-চাতুরির দ্বারা ক্ষমতা দেখিয়ে সমাজের যে কোনও স্তরের মানুষ রাজনৈতিক প্রতিপত্তি লাভ করতে পারে।

* খরা, মহামারীর প্রকোপে জর্জরিত হবে সাধারণ মানুষ। তার সঙ্গে বেড়ে চলা করের বোজায় গরীব মানুষের খাবার জোগানোই মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে। কখনও অত্যধিক গরম, কখনও অতিবৃষ্টিতে জীবন বিপন্ন হবে মানুষের।

* কলিযুগে নিজের বৃদ্ধ বাবা-মার দায়িত্ব অস্বীকার করবে সন্তান।

* সামান্য কয়েকটা টাকা বা খুব ছোটখাটো ইস্যুতে মানুষ মানুষের প্রাণ নিতে দ্বিধাবোধ করবে না। সামান্য স্বার্থে ঘা লাগলে, সব পুরনো সম্পর্ক ভুলে মানুষ নিজের অতি আত্মীয়েরও চরম ক্ষতি করতে উদ্যত হয়।