বাংলা সেরা জোকস - THE BEST BENGALI JOKES - সেরা-সংগ্রহ.কম
X

Monday, March 6, 2017

বাংলা সেরা জোকস - THE BEST BENGALI JOKES

বাংলা সেরা জোকস

THE BEST BENGALI JOKES


দেয়াশলাই টেষ্ট

(১২৬) মা : কিরে হাবু, তোকে না বলেছি দোকান থেকে দেয়াশলাই কেনার আগে জ্বলে কিনা টেস্ট করে নিবি। এখনতো একটা কাঠিও জ্বলছে না।
হাবু : কিন্তু মা, আমি তো দেয়াশলাই কেনার আগে প্রত্যেকটা কাঠি টেস্ট করে দেখেছি!


মা বাবা বাড়িতে নেই

(১২৭) স্যার : এই যে পিন্টু, কদিন ধরে স্কুলে যাচ্ছোনা, কী ব্যাপার তোমার?
পিন্টু : মা বাবা বাড়িতে নেই স্যার।
স্যার : কোথায় গেছেন?
পিন্টু : বাবা জেলে, আর মা হাসপাতালে!
স্যার : খুবই দুঃখের ব্যাপার।
পিন্টু : না স্যার। আসলে, আমার মা ডাক্তার আর বাবা পুলিশ!


দুই ছাত্র মারামারি করছে

(১২৮) দুই ছাত্র মারামারি করছে-
শিক্ষক :এই তোরা মারামারি করছিস কেন?
১ম ছাত্র :স্যার, ও আমার গার্লফ্রেন্ডকে কিস করেছে!
শিক্ষক : তোর গার্লফ্রেন্ডটা কে??
১ম ছাত্র :আপনার মেয়ে!
শিক্ষক : থামলি কেন? মার শালাকে!


ডাক্তারের চেম্বারে

(১২৯) ডাক্তারের চেম্বারে-
মেয়ে : বাইরে আমার বয়ফ্রেন্ড আছে ওকে ভিতরে আসতে বলি।
ডাক্তার : আপনি ভয় পাবেন না। আমি খুব ভদ্র মানুষ।
মেয়ে : না ডাক্তার সাহেব আপনি বুঝতে পারেননি। বাইরে আপনার নার্স আছে। আর আমার বয়ফ্রেন্ড ভদ্র মানুষ না!


ঈদের কেনাকাটা

(১৩০) বিচারক : আপনার অপরাধ?
অভিযুক্ত ব্যক্তি : আমি আমার ঈদের কেনাকাটা একটু আগেভাগে সেরে ফেলতে চেয়েছিলাম।
বিচারক : কতখানি আগে?
অভিযুক্ত ব্যক্তি : দোকান খোলার আগে স্যার!


আজকে কি ঈদ?

(১৩১) পল্টু: মা মা, আজকে কি ঈদ?
মা: না তো, কেন বাবা?
পল্টু : তাহলে যে ছাদের ওপর বাবাকে খালামনির সঙ্গে কোলাকুলি করতে দেখলাম!


থ্রিপিস

(১৩২) হাসান : দোস্ত এবার ঈদে কী কী কেনাকাটা করলি?
সাদিক : কী আর কিনব রে দোস্ত? থ্রিপিস কিনলাম!
হাসান : থ্রিপিস? তুই কি মাইয়া মানুষ?
সাদিক : আরে নেগেটিভ ভাবিস ক্যান? থ্রিপিস কি শুধু মাইয়াদের হয় নাকি? আমাদের হতে পারে না? হাসান : কিভাবে?
সাদিক : আরে পাঞ্জাবি, পাজামা, টুপি= থ্রিপিসই তো নাকি?


অ- তে অজগর

(১৩৩) আবুলের মেয়ে পড়ছে- `অ- তে অজগরটি আসছে তেড়ে। আ- তে আমটি আমি খাবো পেড়ে।`
তখন আবুলের বৌ বললো- `মেয়েটা পুরো তার বাপের মতো হইছে। দেখছে অজগর আসছে। তারপরও আম খাওয়ার লোভ সামলাতে পারে না!


«বল্টুর Tense/কাল শেখা»

(১৩৪) ম্যাডাম ক্লাশে *কাল/Tense পড়াচ্ছে ।
ম্যাডাম : কাল ৩ প্রকার - অতীত , বর্তমান , ভবিষৎ কাল । উদাহরন হিসেবে মনে করো -আমি সুন্দরি ছিলাম , সুন্দরি আছি , সুন্দরি থাকবো ।
এখন তোমরা কেউ ৩ প্রকার কালের উদাহরন দিতে পারবে ?
বল্টু : ম্যাডাম আমি পারবো ।
ম্যাডাম : ওকে ফাইন বলো ।
বল্টু : আপনার ধারনা ভুল ছিলো , ভুল আছে , ভুল থাকবে ।
 [ads-post]

অরে কেউ মাইরালা

(১৩৫) একদিন এক চীনা লোক, এক অস্ট্রেলিয়ান লোক, আর আমাদের বল্টু জাহাজে চরে যাচ্ছিল। হটাৎ চীনা লোকটি একটি i-phone পানিতে ফেলে দিলেন। এই দেখে বল্টু বলল - "হায়রে দাদা এত দামি ফোনটা পানিতে ফেলে দিলেন..?"
চীনা : ধুত, হেটা কোনো ব্যাপার হলো, হেগুলোটো হামাদের ডেশে বহুট আশে।
একটু পরে অস্ট্রেলিয়ান লোকটি কয়েকটি টাকার বান্ডেল পানিতে ফেলল। এই দেখে বল্টু বলল..."হায়রে দাদা এত গুলা টাকা জলে ফেলে দিলেন..?"
অস্ট্রেলিয়ান : এঠা কোন ব্যাপার হোলো, এগুলোটো হামার দেশে বহুত আছে।
সব শেষে বল্টু পাশে দাড়িয়ে থাকা একটি বাচ্চাকে টেনে পানিতে ফেলে দিলেন।
এই দেখে লোক দুটি বলল..."দাদা হেকি করলেন বাচ্চাটাকে পানিতে ফেলে ডিলেন..?"
বল্টু : ধুর, এটা কোনো ব্যাপার হলো, এগুলোতো আমাদের দেশে অনেক আছে।
এর পর জাহাজ থেকে নেমে বল্টু নদীর পার দিয়ে হাটছে।এমন সময় জল থেকে বাচ্চাটি উঠে এসে বলল,
বাবা টাকা গুলো পেয়েছি, আর ফোনটা ভারীতো তাই ডুবে গেছে।


এক মহিলা স্বামীর সাথে ঝগড়া করার পর

(১৩৬) এক মহিলা স্বামীর সাথে ঝগড়া করার পর, চলে যাচ্ছে...
Hus:এত রাত্রে কোথায় যাচ্ছো?
Wif: মরতে যাচ্ছি !
Hus:তো এত ম্যাকআপ পড়ে কেন?
Wif:কাল সকালে খবরের কাগজে আমার ছবি বের হবে না তাই....


শশুরবাড়িতে নতুন বউ কে শাশুড়ি বলছে

(১৩৭) শশুরবাড়িতে নতুন বউ কে শাশুড়ি বলছে, মা আজ থেকে তুমি এ বাড়িরই একজন সদস্য। আমার মেয়ে তুমি,আমাকে তুমি মা ডাকবে... .
নতুন বউ: আচ্ছা মা।
সারা দিনের কাজ শেষে জামাই বাসায় আসছে
কলিংবেল এর শব্দ শাশুরিঃএই কে এলো??
নতুন বউঃ মা! মা!! ভাইয়া আসছে......


আমি মদন হয় নাই কারন আমি আসিই নাই

(১৩৮) একদিন এক ছেলের ফোন এ হঠাত একটা কল আসলো, ঐ পাস থেকে একটা তরুনী অনেকসুন্দর একটা গলার
শব্দ শুনা গেল তরুনী বলল, আমি আপনাকে অনেক পছন্দ করি আপনার সাতে দেখা করার জন্য আমার মাথা নষ্ট হয়ে আসে, আপনে যদি আমার সাতে দেখা করতে চান তা হলে আমার বাসায় তারাতারী আসেন আমি বাসায় একলা, তরুনীতা ঠিকানা দিল আর বলল আমার বাসা ২০ তলের উপরে কোন লিফট নেই... আসবা তো JAAAAAAAAAAAAAA­ N???.
JAAN শুনে ছেলেটা তারাতারি ওই খানে গেল দেখলো লিখা আছে তোমাকে মদন বানানো হইসে,
ছেলেটা ও নিচে লিখে দিলো, আমি মদন হয় নাই কারন আমি আসিই নাই।


ভবিষ্যতে কে কি হতে চায়

(১৩৯) শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের বলছেন ভবিষ্যতে কে কি হতে চায়
রানা; আমি পাইলট হতে চাই।
সুমিত; আমি ডাক্তার হতে চাই।
দীপা; আমি একজন ভালো মা হতে চাই।
সুমন; আমি দীপাকে সাহায্য করতে চাই।


তোমার জন্য সব ছাড়তে রাজি আছি

(১৪০) প্রেমিকাঃ আমি তোমার জন্য সব ছাড়তে রাজি আছি।
প্রেমিকঃ সত্যি?
প্রেমিকাঃ হ্যাঁ।
প্রেমিকঃ তোমার বাবা-মাকেও?
প্রেমিকাঃ হ্যাঁ। প্রেমিকঃ তোমার সমস্ত আত্মীয়-স্বজন, বিষয়-সম্পত্তি?
প্রেমিকাঃ হ্যাঁ।
প্রেমিকঃ স্টার প্লাস?
প্রেমিকাঃ মুখ সামলে কথা বল!


জাহাজ টা ডুবে যাচ্ছে!!

(১৪১) জাহাজ থেকে বলা হলো ডুবুরিকে, " জলদি উঠে এসো!"
ডুবুরি:- কেন? কোন সমস্যা?
হু। আমাদের জাহাজ টা ডুবে যাচ্ছে!!


তিন বন্ধু একদিন সাগরে জাহাজে করে ঘুরছিলো

(১৪২) তিন বন্ধু একদিন সাগরে জাহাজে করে ঘুরছিলো । এমন সময় হঠাং সাগরে ঢেউ উঠলো ।কোন রকমে বন্ধু ৩ জন এক অজানা দীপে এসে পৌছুলো । এমন সময় তারা দেখতে পেলো দীপে একটি প্রদিপ পরে আছে। তারা প্রদীপটি হাতে নিয়ে ঘশতেই প্রদীপ থেকে একটি জ্বিন বের হয়ে বল্ল আমি আপনাদের প্রতেএকের একটি করে ইচ্ছা পূরন করব প্রতেএকে জার জার ইচ্ছার কথা বলুন।
১নং বন্ধু বল্ল :আমার সকল আত্মীয় ইন্ডিয়া থাকে তাই আমি সেখানে চলে যেতে চাই। বলার সাথে সাথে সে ইন্ডিয়া চলে গেলো ।
২নং বন্ধু বল্ল :আমার সকল আত্মীয় পাকিস্তানে থাকে আমি সেখানে চলে যেতে চাই। বলার সাথে সাথে ২য় বন্ধু চলে গেলো তার দেশে।
এবার ৩য় বন্ধুর পালা । তার ইচ্ছার কথা জানতে চাইলে সে একটু ভেবে উত্তর দিলো :আমার আত্মীয় বলতে কেউ নেই কেবল ঐ ২ বন্ধুই আছে তাই দয়া করে তাদের আমার কাছে ফিরিয়ে দিন। বলার সাথে সাথে দুই বন্ধু আবার দীপে ফিরে আসলো ।
লেও ঠ্যালা|


আমেরিকা আর বাংলাদেশের মধ্যে যুদ্ধ চলছে

(১৪৩) সে অনেক বছর আগের কথা। আমেরিকা আর বাংলাদেশের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। দুই দেশের সেনারাই বাংকারে লুকিয়ে থেকে যুদ্ধ করছে। ফলে কারো গায়েই গুলি লাগছেনা। তো এভাবে চলতে চলতেই বাংলাদেশি সেনারা একটা বুদ্ধি বের করলো....
তাদের মধ্য থেকে একজন আমেরিকান সেনাদের উদ্দেশ্যে বলল, 'ওই তোদের মধ্যে জন কে রে?'
আমেরিকান বাংকার থেকে একজন বেরিয়ে এসে বলল, 'আমি জন!'
বাংলাদেশিরা তাকে গুলি করে মেরে ফেলল...
তারপর আবার ডাক দিলো, 'ওই স্মিথ আছস?'
আরেকজন আমেরিকান জবাব দিল, 'আছি!'
তাকেও গুলি করে মেরে ফেলা হলো...
এবার আমেরিকানরা চিন্তায় পরে গেলো। তারা ভেবে দেখল বাংলাদেশিদের সাথে বুদ্ধিতে পারা যাবে না। তাই তারা ঠিক করলো তাদের বুদ্ধি দিয়েই তাদের ঘায়েল করবে। এবার এক আমেরিকান সেনা চেচিয়ে উঠল, 'ওই মোখলেস আছস নাকি?'
বাংলাদেশি সেনারা বুঝল তাদের বুদ্ধি ধরা খেয়ে গেছে। তাই তারা নতুন বুদ্ধি বের করলো।পাল্টা চেচিয়ে বলল,'ওই মোখলেস রে ডাকসে কেডা রে?!'
আমেরিকানটি বেরিয়ে এসে বলল, 'আমি ডাকসি!!'
তারপর ??
তারপর তাকেও গুলি করে মেরে ফেলা হলো!!! এভাবে বাংলাদেশীরা যুদ্ধে জিতে গেল।


পাছায় একটা চুমো দিও

(১৪৪) জলিল রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে। এক পিচ্চি তাকে প্রশ্ন করল," কয়টা বাজে?"
- পৌনে তিনটা.
- তিনটা বাজলে আমার পাছায় একটা চুমো দিও। এই কথা বলেইপিচ্চি দিয়েছে দৌড়।
জলিল ভাইয়ে রেগে গিয়ে তার পিছে পিছে দৌড়াচ্ছে। পথে শাকিব খানের সাথে ধাক্কা খেল।
শাকিব খান - কিরে দোস্ত, দৌড়াস কেন ??
- আরে হালার পিচ্চি কয় তিনটা বাজলে ওর পাছায় চুমু খেতে...
- এই জন্য দৌড়াচ্ছিস!! শাকিব খান
- এত তাড়াহুড়া কিসের শুনি?? তিনটা বাজতে এখনো দশ মিনিট বাকি


একটা চৌদ্দ টাকার নোট

(১৪৫) এক লোক টাকা জাল করতে করতে ভুল করে একটা চৌদ্দ টাকার নোট জাল ছাপিয়ে ফেলল । নোটটি ছাপাতে যে সময় ও টাকা খরচ করল, সেই সময়ে সে এক হাজার টাকা জাল ছাপাতে পারতেন । তাই সেই নোটটি চালানোর জন্য সে একদিন সন্ধ্যায় একটা পান দোকানির কাছে গেল এবং বলল, ভাই এই নোট টির ভাংতি হবে ? জবাবে দোকানি বলল, জ্বি হবে । উত্তর শুনে তো লোকটি একেবারে তাজ্জব বনে গেল । পান দোকানির কাছ থেকে সে ভাংতি নিয়ে অতি দ্রুত চলে গেল । বাড়িতে এসে দেখল,
পান দোকানি তাকে দুটো সাত টাকার জাল নোট দিয়েছে ।


ওরে আবহাওয়াবিদের বাচ্চা!

(১৪৬) দুই বন্ধু পিকনিকে গেছে।রাতে একটি তাঁবু টানিয়ে তার ভেতর ঘুমিয়ে পড়ল। মাঝরাতে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে ডেকে তুলল।
১ম বন্ধু : দোস্ত, আকাশ দেখতাছস?
২য় বন্ধু : হ দোস্ত। দেখতাছি তো।
১ম বন্ধু : কি বুঝলি?
২য় বন্ধু : আকাশে কোন মেঘ নাই। অনেক তারা দেখা যাচ্ছে। তার মানে, আজ বৃষ্টি হবে না।
১ম বন্ধু : ওরে আবহাওয়াবিদের বাচ্চা!! আমাগোর তাবুডা চুরি হইয়া গেছে,


আমেরিকা আর বাংলাদেশের রাস্তার মধ্যে পার্থক্য

(১৪৭) আমেরিকা আর বাংলাদেশের রাস্তার মধ্যে পার্থক্য :
আমেরিকায় বৃষ্টি থামার ৫ মিনিটের মধ্যে রাস্তা থেকে পানি উধাও হয়ে যায় আর বাংলাদেলে বৃষ্টি থামার ৫ মিনিটের মধ্যে রাস্তাই উধাও হয়ে যায় ৷


দুলাভাই তো এখনও বাসায় ফিরলো না

(১৪৮) আপা এত রাত হয়ে গেল দুলাভাই তো এখনও বাসায় ফিরলো না । কোন মেয়ের সাথে আবার ইটিস পিটিস করে না তো ???
বউ : চুপ কর বেয়াদব মেয়ে । সব সময় খালি নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা । লোকটা তো কোন গাড়ির নিচে পরে এক্সিডেন্টও করতে পারে !!!


চোখ বন্ধ করে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছে

(১৪৯) আবুল রাতে ঘুমানোর আগে অনেকক্ষণ ধরে চোখ বন্ধ করে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আবুলের বউ ঘরে ঢুকে অবাক হয়ে বললঃ একি !! তুমি চোখ বন্ধ করে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কি করো ??আবুলঃ না মানে . . . ঘুমাইলে আমারে কেমন দেখা যায়, সেইটা দেখার চেষ্টা করতাছি !!!


এক কবি ডাকাত হয়েছে

(১৫০) এক কবি ডাকাত হয়েছে। সে ব্যাংক ডাকাতি করতে গেলো আর বলল-
কে জানে কপালে কি মিলবে কি মিলবে না
Handz Up!
কেউ নিজের জায়গা থেকে নড়বে না
তোমার কিছু স্বপ্ন আমার দু চোখেও দেখতে দাও
তোমাদের যা আছে তা আমার ব্যাগে ঢেলে দাও
দিন কেটে যায় চেষ্টায় তোমার স্মৃতি ঢাকার
খবরদার!
কেউ সাহস করো না পুলিশকে ডাকার
পৃথিবীতে সবকিছুর হয় না ব্যাখ্যা
জলদি কর;
বাইরে আমার সাথীরা করছে অপেক্ষা

Post Top Ad


Download

click to begin

6.0MB .pdf