BANGLA TOP JOKES - সেরা-সংগ্রহ.কম
X

Tuesday, March 21, 2017

BANGLA TOP JOKES

বাংলা সেরা জোকস

BANGLA TOP JOKES


আমার বনরে রাইখা আমারে I U বলছ পাঠা

(৪৪৬) আমি ও আমার বন্ধু রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম
আমি :দোস্ত মাইয়া পটানো খুব কঠিন।
বন্ধু : না দোস্ত আনেক সহজ।
আমি : কেমোন?
বন্ধু : যেমোন একটা মেয়ে জাচ্ছে তার সামনে জেয়ে বলে দিবি I U.
আমি : সর কি বলস।
বন্ধু : বিস্বাশ হয়না।
আমি : না।
বন্ধু : তাহলে দেখ বাস্তব প্রমান।
[১মিনিট পরে একি মেয়ে জাচ্ছিল]
আপু I U [ওমনি তার পায়ের জুতা দিয়ে বাড়ি মারল]
মেয়ে : আমার বনরে রাইখা আমারে I U বলছ পাঠা।


সারা দিন তো ওর সাথে কাটালাম, স্কুলেআসব কি করে!

(৪৪৭) স্যার:কিরে কাল স্কুলে আছিস নাই কেন?
বল্টু: স্যার, বৃষ্টি এসেছিল!
স্যার: কই কাল তো বৃষ্টি হয় নাই।
বল্টু: আমার মামাতো বোন বৃষ্টি এসেছিল।সারা দিন তো ওর সাথে কাটালাম, স্কুলেআসব কি করে!


তোর বউ

(৪৪৮) রাব্বি:-কীরে ভাই সজল তোর গালে কিস করল কে?
সজল:- হবে একজন।
রাব্বি:-কে সে?
সজল:-আগে বল কাউকে বলবি না!
রাব্বি:-বলবো না।
সজল:-সে আর কেউ না তোর বউ


কালু আর লালুর চকলেট খাওয়া

(৪৪৯) একবার কালু আর লালু দুজনে এক দোকানে গেল দোকানে সবাইকে কাজে ব্যাস্ত দেখে কালু ৩টে চকলেট পকেটে পুরে নিলো। দোকানের বাইরে এসে…
কালুঃ দেখলি তো…..আমি ৩টে চকলেট তুলে নিলাম, অথচ কেউ কিছু বুঝতেই পারলো না। তুই কখনই এটা করতে পারবি না।
এটা শুনে লালু খুব রেগে গিয়ে বললঃ চল, আমি এর থেকে কিছু বেশি তোকে দেখাচ্ছি। তারা দুজনে আবার দোকানে গেল, এবং লালু দোকানদারকে বললঃ আঙ্কেল, আপনি কি একটা জাদু দেখবেন?
দোকানদারঃ ঠিক আছে দেখাও।
লালুঃ তাহলে এরজন্য আমাকে ১টা চকলেট দিন। দোকানদার লালুকে ১টা চকলেট দিল। লালু সেটা খেয়ে নিয়ে আর ১টা চাইলো। দোকানদার আবার ১টা দিল। লালু সেটা খেয়ে নিয়ে আবার ১টা চকলেট চাইলো। দোকানদার এবারও তাকে চকলেট দিতেই লালু সেটাও খেয়ে ফেললো।
দোকানদারঃ আরে বাছা, এতে তোর জাদুটা কোথায় ??
লালুঃ উং…চুং…মুং. …. এবার, আমার বন্ধুর পকেট চেক করুণ, আপনার ৩টে চকলেট ফেরত পেয়ে যাবেন….


আপনি আমারসাথে আসেন

(৪৫০) বল্টু ব্যাংকে গিয়ে একমহিলা কর্মকর্তীকে বলল,
বল্টু : এই শালী,আমি Accountখুলুম। ৷
মহিলা কর্মকর্তী : দেখুন,ভদ্রভাবে কথা বলুন৷।
বল্টু : তোর ভদ্রতারগুল্লি মারি !Account খুল জলদি ৷মহিলা কর্মকর্তী ম্যানেজারের কাছে গিয়ে অভিযোগ করল।
ম্যানেজার : কি ব্যাপার,আপনি এত অভদ্র আচরণ করছেনকেন ?
বল্টু : অভদ্র আচরণেরখেতায় আগুন৷ শালা,আমি লটারীতে ১০ কোটি টাকা পাইছি ৷ Account খুলবকেমনে হেইডাক ! ম্যানেজার : আরে স্যার আপনি এই হারামজাদীর সাথে কিসের কথা কন ?
স্যার, আপনি আমারসাথে আসেন...


আপনি দেখতে খুবই কুৎসিত!

(৪৫১) টিনা রাস্তা দিয়ে হাঁটছে। পাখির দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় একটা খাঁচার তোতাপাখি তাকে দেখে বললো, ‘অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুৎসিত!’
টিনা চটে গেলেও কিছু বললো না, পাখির কথায় কী আসে যায়? পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও একই ঘটনা ঘটলো, পাখিটা বলে উঠলো, ‘অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুৎসিত!’
টিনা দাঁতে দাঁত চেপে হজম করে গেলো। তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও পাখিটা বলে উঠলো, ‘অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুৎসিত!’
এবার টিনা মহা চটে দোকানের ম্যানেজারকে হুমকি দিলো, সে মাস্তান লেলিয়ে এই দোকানের বারোটা বাজিয়ে ছাড়বে। ম্যানেজার মাফ চেয়ে বললো, সে এর বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, পাখিটা আর এমন করবে না।
তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় পাখিটা বলেউঠলো, ‘অ্যাই আপু!’ টিনা থমকে দাঁড়িয়ে পাখির মুখোমুখি হলো, ‘কী?’ পাখিটা বললো, ‘বুঝতেই তো পারছেন।’ লুল লুল লুল..


গাধা বল্টু নিজের বোনকে শোষ করলি

(৪৫২) বল্টু : মা , তুমি আমাকে মিথ্যা কথা বলেছিলে কেনো ???
মাঃ তোকে আবার মিথ্যা কথা বলতে যাবো কেনো ?
বল্টুঃ তুমি গতকালই তো বলেছিলে আমার ছোট বোনটা নাকি পরী ???
মাঃ হ্যা, ঠিকই তো ! ও তো পরীই !
বল্টুঃ তাহলে আমি একটু আগে ওকে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দিয়েছিলাম , ও তখন ডানা মেলে উড়ল না কেন ?


মহিলার পেটে বাচ্চা ডাক্তারের কাজে

(৪৫৩) ডক্টর : আপনার তো জমজ বাচ্ছা হৈছে।
মহিলা : হবেই তো !! বাচ্চা পেটে নিয়া, চ্যলেন্জ2, আশিকি2, দাবাং2, জান্নাত2, পাগলু2 ফিল্ম দেখছি তো তাই।
ডক্টর : ভাগ্গিস আপনি বাচ্চা পেটে নিয়া, খোকা 420 ফিল্ম টা দেখেন নাই।


একজন বাস ড্রাইবার এক্সিডেন্ট করে

(৪৫৪) একজন বাস ড্রাইবার এক্সিডেন্ট করে রাস্তার পাশে জমির ভিতর ঢুকে পরে পুলিশ এসে তাকে জিজ্ঞাস করল
পুলিশঃ ফাকা রাস্তায় এরকম এক্সিডেন্ট করলি কেন?
ড্রাইবারঃ স্যার, আমি তো ভালোভাবেই বাস চালাচ্ছিলাম হটাৎ করে এক পাগল রাস্তার মাঝে এসে নাচতে শুরু করল আমি ভাবলাম আমি যদি পাগলকে বাচাই,তাহলে বাসের সবাইকে মারতে হবে আর যদি বাসের সবাইকে বাচাই,তাহলে পাগলকে মারতে হবে আমি চিন্তা করে দেখলাম একজনের চেয়ে সবাইকে বাচানো ভালো তাই আমি সিদ্ধান্ত নিলাম পাগলটাকে মারবো !!
পুলিশঃ তাহলে বাস জমির দিকে চালালি কেন?
ড্রাইভারঃ স্যার আমি যখন পাগলটাকে মারতে গেলাম তখন, পাগলটা দৌড়ে জমির ভিতর ঢুকে গেল, তাই.........।


মাইয়ার জামাইরে যৌতুক দিছি

(৪৫৫) কৌতুক ১
ভদ্রলোক : ওই মিয়া, তুমি না আগে রেলস্টশনে ভিক্ষা করতা, এইখানে আইছ ক্যান?
ভিক্ষুক : সেইযায়গাটা মাইয়ার জামাইরে যৌতুক দিছি
কৌতুক ২
ভিক্ষুক জুতার দোকানে এসে বলল: কিছু খাওন দিবেন?
দোকানদার: গাধা নাকি? জুতার দোকানে কি খাওন পাওয়া যায়?
ভিক্ষুক: না মানে... পাশের দোকানে খাওন চাইয়া জুতার বাড়ি খাইছি তাই জুতার দোকানে খাওন চাইলাম ।


নতুন ব্যাটসম্যান ক্রিজে এলেন

(৪৫৬) নতুন ব্যাটসম্যান ক্রিজে এলেন। নিজের গার্ডগুলো পরীক্ষা করে দেখলেন। একটু নড়েচড়ে শরীরটাকে চাঙা করে নিলেন। চারদিকে ফিল্ডারদের অবস্থানটাও একনজর ঘুরে দেখলেন। এরপর শূন্যে কয়েকবার ব্যাট হাঁকিয়ে আম্পায়ারকে জানালেন, সে তৈরি। আম্পায়ার বোলারকে বল করতে অনুমতি দিলেন। বোলার বলও করলেন এবং সোজা মিডল স্ট্যাম্প উড়ে গেল। তখন পেছন থেকে উইকেট কিপার বললেন, ‘কী লজ্জা! এত ভাব দেখানোর পর মাত্র এক বলেই স্ট্যাম্প উড়ে গেল।’
ব্যাটসম্যান তখন বললেন, ‘লজ্জা তোমাদেরই পাওয়া উচিত। একজন নতুন অতিথির সঙ্গে কীভাবে আচরণ করতে হয় সেটা তোমাদের বোলার এখনো শেখেনি।

 [ads-post]
এক হাঁড়কিপটে লোকের ঘরে মেহমানএল

(৪৫৭) এক হাঁড়কিপটে লোকের ঘরে মেহমানএল,
কিপটে : কি খাবেন?? ঠান্ডা না গরম??
মেহমান : ঠান্ডা ।
কিপটে : পেপসি নাকি রুহ আফজা??
মেহমান : পেপসি ।
কিপটে : গ্লাসে খাবেন নাকিবোতলে??
মেহমান : গ্লাসে ।
কিপটে : নরমাল গ্লাসে না ডিজাইনওয়ালা গ্লাসে??
মেহমান : ডিজাইন ওয়ালা গ্লাসে ।
কিপটে : কি ডিজাইন ফুলের নাকিফলের??
মেহমান : ফুলের ডিজাইন ।
কিপটে : কি ফুল, গোলাপ না বেলি?
মেহমান : গোলাপ ফুলওয়ালা ।
কিপটে : বড় বড় গোলাপ ফুলওয়ালানাকি ছোট ছোট গোলাপওয়ালা?
মেহমান : ছোট ছোট ।
কিপটে : সরি আপনাকে তাহলে আমিআর পেপসি খাওয়াতে পারলাম না....কারন আমার ঘরে ছোট ছোটগোলাপের ডিজাইন ওয়ালা কোনগ্লাস নেই!!!!!
বাড়িতে আসার জন্য ধন্যবাদ!!!!! আবারআসবেন!!!!


বল্টু বনাম পুলিশ

(৪৫৮) পুলিশ : তুমি কোথায় থাকো..?
বল্টু : আমার বাবা মা এর সাথে
পুলিশ : তোমার বাবা মা কোথায় থাকেন?
বল্টু : আমার সাথে
পুলিশ : তোমরা সবাই কোথায় থাকো ?
বল্টু : একসাথে
পুলিশ : উফফ তোমার বাসা কই ?
বল্টু: আমার প্রতিবেশীর বাসার পাশে
পুলিশ : তোমার প্রতিবেশীর বাসা কোথায় ?
বল্টু : আপনারে যদি বলি আপনি বিশ্বাস করবেন না
পুলিশ : আরে ভাই আগে বল কই?
বল্টু : আমার বাসার পাশে…


এখন কইটা বাজে

(৪৫৯) বল্টু তার বন্ধু মন্টকে রাত২.৪৫ একলকরল।টিং টিং টিং টিং,,,
মন্টু:- (ঘুম ভেঙ্গে) হেলো!!
বল্টু: (কাঁদতে কাঁদতে) আমারসর্বনাসহয়ে গেল দোস্ত।
মন্টু:- (চমকে গয়ে) কি! কিহয়েছে???
বল্টু:-আমার সব শেষ।
মন্টু:- আরে কি হইসে বলবিতো,
বল্টু:- কথাটা সুইননা তুই কিছুমনেকরবিনা তো??
মন্টু:- তুই আমার এতো ভালঘুমভেঙ্গে কি মসকারি করতাসস??কি বলবি তারাতারি বল।
বল্টু:- আমার প্রিয় ১৫০ টাকাদামেরঘড়িটা নষ্ট হয়ে গেসে।তাই এখনটাইম জানার জন্যতোরে কল দিসি,এখন কইটাবাজে??


দার্থ কাকে বলে ?

(৪৬০) শিক্ষক- বলতো পদার্থ কাকে বলে?
ছাত্র- জানি না স্যার।
শিক্ষক- অপদার্থ কোথাকার! যার ওজন ও আয়তন আছে তাকেই পদার্থ বলে।
ছাত্র- তাহলে আমাকে অপদার্থ বললেন কেন? আমার তো ওজন আয়তন দুটোই আছে


বড় আপুদের সাথে জয় বাংলার কথা

(৪৬১) ৭ বছর বয়সি একটি ছেলে রাস্তাদিয়ে যাচ্ছে ।লুঙ্গি পরে লুঙ্গির পেছনের দিকে খানিকটা ছেড়া তোছেলেটি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় একদল কলেজ পড়ুয়া মেয়ে তার পেছনে।তারা প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছে। হটাৎ মেয়ে গুলোর নজর পড়ল ছেলেটার লুঙ্গির পেছনে ছেড়ারওপর।তখন মেয়েদের ভেতর থেকে একটি মেয়ে বলে উঠলো।
মেয়ে: এই ছেলে লুঙ্গিটা একটুঘুরায়ে পরো।তোমার জয়বাংলা দেখা যায়।
ছেলে: আপা পেছোনে তো জয়বাংলা দেখা যাচ্ছে লুঙ্গি টা ঘুরয়ে পরলেসোনারবাংলা দেখা যাবে।


বিয়ের আগে ও পরে বল্টু

(৪৬২) বিয়ের আগেঃ- বল্টুর প্রেমিকা তাকে বলছে” ডার্লিং চাঁদ কোথায়?
বল্টুঃ একটা আকাশে আরেক টা আমার পাশেই বসে আছে।
বিয়ের পর:-
বউঃ এই শুন না, চাঁদ কোথায়??
বল্টুঃ ওই তুই কানা নাকি!!!??আকাশে কি তোর বাপ “ফিলিপস” বাত্তি জালাইয়া রাখছে ?


এ জীবন আমি আর রাখতে চাই না

(৪৬৩) বল্টু গেছে দোকানে বিষ কিনতে।
দোকানদার : ভাই বিষ দিয়া কি করবেন?
বল্টু: আত্মহত্যা করব।
দোকানদার: ক্যান ভাই?
বল্টু:কিছু কিছু জিনিস আছে কাউকে বোঝানো যায় না।
দোকানদার: মানে?
বল্টু:আজ সকালে আমি গরুর দুধ দোহাচ্ছিলাম।হঠাৎ করে গরুটা বাম পা দিয়ে লাথি মারতে লাগল।আমি বাধ্য হয়ে বাশের সাথে বাম পা বেধে রাখলাম। এরপর গরুটা ডান পা দিয়ে লাথি মারা শুরু করল।আমি এবার গরুর ডান পা ও বাশের সাথে শক্ত করে বাধলাম।অবশেষে লেজ দিয়ে বাড়ি মারতে লাগল।ভাবলাম লেজটাও বেধে রাখি।কিন্তু লেজ বাধার জন্য কিছু পেলাম না।শেষমেষ নিজের বেল্ট খুলে বাধতে লাগলামবেল্ট খোলার কারণে আমার প্যান্ট হঠাৎ করে খুলে গেল।এমন সময় আমার বউ গোয়ালে এসেআমাকে ঐ অবস্থায় দেখলো।এখন আপনিই বলেন আমি আমার বউকেকি করে তা বোঝাব????বউ আমাকে ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে গেছে।এ জীবন আমি আর রাখতে চাই না।


শুভ অশুভ

(৪৬৪) রাজার মেজাজ খারাপ।রাজপ্রাসাদ থেকে বেরিয়ে শিকারে যাওয়ার পথে হোজ্জা সামনে পড়ে গেলেন। হোজ্জাকে দেখে রাজার মেজাজ আরো বিগড়ে গেলো। প্রহরীদের রাগত গলায় বললেন, 'শিকারে যাওয়ার পথে হোজ্জার সামনে পড়ে যাওয়াটা আমার ভাগ্যের জন্য খারাপ। ওকে আমার দিকে তাকাতে দিয়ো না, চাবুকপেটা করে ওকে পথ থেকে সরিয়ে দাও।'প্রহরীরা তা-ই করল। শিকার কিন্তু ভালোই হলো। রাজা হোজ্জাকে ডেকে পাঠালেন, 'আমি সত্যি দুঃখিত, হোজ্জা। ভেবেছিলাম তুমি অশুভ। কিন্তু তুমি তা নও।' হোজ্জা বললেন, 'আপনি ভেবেছিলেন আমি অশুভ! আপনি আমাকে দেখার পর ভালো শিকার করেছেন। আর আমি আপনাকে দেখে চাবুকপেটা খেয়েছি। কে যে শুভ কে যে অশুভ, বুঝলাম না।'


কোরবানীর গরু

(৪৬৫) জলিল বাই কোরবানীর গরু কিনে ফিরছেন৷ পথে চাকিপ কানের সাথে দেখা৷ চাকিপঃ হাউ মাছ? জলিলঃ আর ইউ পম গানা? ডিশ ইজ কাউ, ঈটস নট মাছ


পরের জনমে বিশ্বাস

(৪৬৬) বস বলছেন কর্মচারীকে, ‘আপনি কি মৃত্যুর পরের জনমে বিশ্বাস করেন?’
কর্মচারী: জি স্যার।
বস: হুমম, করারই কথা। গতকাল আপনি মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীর কথা বলে অফিস থেকে ছুটি নেওয়ার পর আপনার মা অফিসে এসেছিলেন, আপনার সঙ্গে দেখা করতে


আপনার কোন ব্রেইন নাই

(৪৬৭) একজন নাস্তিক শিক্ষক একজন মুসলিম ছাত্রী কে প্রশ্ন করলেন
শিক্ষকঃ তুমি কি তোমার আল্লাহ কে দেখতে পাও?
ছাত্রীঃ না
শিক্ষকঃ তুমি কি তোমার আল্লাহ কে স্পর্শ করতে পার?
ছাত্রীঃ না
শিক্ষকঃ তার মানে তোমার আল্লাহ বলে কিছু নাই !!
ছাত্রীঃস্যার , আপনি কি আপনার ব্রেইন দেখতে পান?
শিক্ষকঃ না
ছাত্রীঃ আপনি কি আপনার ব্রেইন স্পর্শ করতে পারেন?
শিক্ষকঃ না
ছাত্রীঃওহ !! তার মানে কি এই দাঁড়ালো যে আপনি বিশ্বাস করেন যে আপনার কোন ব্রেইন নাই !!


আপনার মাথা ঠিক আছে?

(৪৬৮) ‘মফিজ’ বেকার লোক। অনেকদিন ধরে চাকরির ইন্টারভিউ দিচ্ছে, কিন্ত হচ্ছেনা। এক অফিসে ইন্টারভিউ দিতে এসে পরিচিত ‘কুদ্দুস’ এর দেখা পেল। ঘটনাক্রমে তারা দুজনেই ওয়েটিং রুমে অপেক্ষারত। প্রথমে ইন্টারভিউ রুমে কুদ্দুস
প্রশ্ন ১: মিস্টার কুদ্দুস, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল কখন বলতে পারেন ?
কুদ্দুস: স্যার, হওয়ার কথা ছিল ১৯৫২ সালে, কিন্তূ হয়েছে ১৯৭১ সালে।
প্রশ্ন ২: বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবির নাম বলুন ?
কুদ্দুস: অনেকেই তো আছেন, নির্দিষ্ট করে কার নাম বলবো স্যার ?
প্রশ্ন ৩:ঢাকা শহরে যানজটের কারণ কি বলে আপনি মনে করেন ? কুদ্দুস: এটাতো স্যার গবেষণার বিষয়। কুদ্দুস ইন্টারভিউ শেষে চলে যাবার সময় মফিজ জানতে চাইলো কি কি প্রশ্ন করা হয়েছে। কুদ্দুস অন্য কোথাও যাবে তাই তিনটা প্রশ্নের উওর মফিজকে বলে তাড়াতাড়ি চলে গেল।প্রশ্ন গুলো বলা হলো না। এবার ইন্টারভিউ রুমে মফিজ
প্রশ্ন ১: মিষ্টার মফিজ, আপনার জন্ম কত সালে ?
মফিজ: হওয়ার কথা ছিল ১৯৫২ সালে, কিন্তু হয়েছি ১৯৭১ সালে।
প্রশ্ন ২:(প্রশ্নকর্তা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো) আপনার পিতার নাম কি ?
মফিজ: অনেকেই তো আছেন, নির্দিষ্ট করে কার নাম বলবো স্যার ?
প্রশ্ন ৩:(প্রশ্নকর্তা রেগে) আপনার মাথা ঠিক আছে ?
মফিজ: এটাতো স্যার গবেষণার বিষয়।


স্বামী- স্ত্রী প্রচন্ড ঝগড়ার পর…

(৪৬৯) স্বামী- স্ত্রী প্রচন্ড ঝগড়ার পর… স্ত্রী কাপড় চোপড়সহ ব্যাগ গোছানো শুরু করল।
স্বামীঃ ব্যাগ গোছাও কেন?
স্ত্রীঃ আমি আমার মায়ের কাছে চলে যাচ্ছি। এরপর স্বামীও ব্যাগ গোছানো শুরু করল।
স্ত্রীঃ তুমি আবার কই যাও!!!
স্বামীঃ আমিও আমার মায়ের কাছে চলে যাচ্ছি।
স্ত্রীঃ তাহলে আমাদের এই ৭ টা বাচ্চাকাচ্চা দেখবে কে?
স্বামীঃ তুমি তোমার মায়ের কাছে যাচ্ছ, fine, আমিও আমার মায়ের কাছে যাচ্ছি। সেই অনুযায়ী বাচ্চাকাচ্চাদের ও তাদের মায়ের কাছেই যাওয়া উচিত।


একটা গরুকে টানতে টানতে ৩তালায় উঠাচ্ছে !!!

(৪৭০) একদিন পটলাদা একটা গরুকে টানতে টানতে ৩ তালায় উঠাচ্ছে !!! তো আমি বললাম আরে ও পটলা দা গরুটাকে নিয়া চললে কোথায়, উত্তরে বলল-আরে গরুটার দুধ দোহাবো আর বালতিটা ৩ তলায় তাই ।