সেরা জোকসঃ পর্ব ১৩ - সেরা-সংগ্রহ.কম
X

Monday, March 13, 2017

সেরা জোকসঃ পর্ব ১৩

সেরা জোকস

BANGLA JOKES


ডাক্তার- রোগ

(৩০০) হাবলুঃ "ডাক্তার, আমার পেটে গ্যাসের অনেক সমস্যা। কিন্তু ভালো দিক এই যে আমার গ্যাসের গন্ধ ও হয় না, আওয়াজ ও হয় না। এখানে বসে আমি ১৫-২০ বার গ্যাস ছেড়েছি; কিন্তু কেউ টের ই পায় নি" ডাক্তারঃ "এই ওষুধটা খান, আর এক সপ্তাহ পরে আসবেন" এক সপ্তাহ পর হাবলুঃ "এ কি ওষুধ দিলেন ডাক্তার সাহেব,আমার গ্যাসে এখনো আওয়াজ নেই; কিন্তু জঘন্য গন্ধ বের হয়!" ডাক্তারঃ "গুড, আপনার নাক ঠিক হয়ে গেছে;এখন আপনার কানের চিকিৎসা করতে হবে


যে ভয় পেয়েছে সে মরেছে

(৩০১) অনেক বছর আগের কথা, জাপানে ২ টা বন্ধু ছিল. এক জনের নাম ছিল,“যে” আরেক জনের নাম “সে”. তো একবার “যে” আর “সে” রাতে একসাথে ঘুমাল. হঠাৎ গভীর রাতে রুমে একটা জ্বীন আসল. “যে” ভয় পেয়ে কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে “সে” কে ডাক দিল. আর “সে”জ্বীন দেখে সাথে সাথে মারা গেল..... তারপর থেকেই লোকে বলতে লাগল, যে ভয় পেয়েছে সে মরেছে.........


এটাই আমার নামার স্টাইল..!!

(৩০২) একটা ছেলে প্রচণ্ড ভাব নিয়ে বাইক চালিয়ে যাচ্ছে।। হঠাৎ সে দেখলো খুবি সুন্দরী একটা মেয় ছেলেটি আরও ভাব নিয়ে বাইকের স্পীড বাড়িয়ে মেয়েটির সামনে ব্রেক করতে গিয়ে ঠাস করে মাটিতে পড়ে গেল..!! এই অবস্থা দেখে মেয়েটি খিলখিল করে হেঁসে উঠলো !! কিন্তু ছেলেটি একটুও বিচলিত না হয়ে বললঃ . এটাই আমার নামার স্টাইল..!!


কুত্তা আমার টিফিন খেয়ে ফেলেছে!!

(৩০৩) স্কুলের এক টিচার টিফিন টাইমে তার এক স্টুডেন্ট বল্টুর টিফিন খেয়ে ফেলেছে!!!
টিচারঃ আমি যে, তোমার টিফিন খেয়ে ফেলেছি তুমি কিন্তু বাসায় গিয়ে তোমার মা-কে বলব না।
বল্টুঃ জ্বি স্যার, আপনার কথা বলবনা। বলব একটা কুত্তা আমার টিফিন খেয়ে ফেলেছে!!..


কম্বল এখন খাচ্ছে

(৩০৪) নতুন বিয়ে হয়েছে । শীতকাল , রাত্রে ছেলে তাড়াতাড়ি খেয়ে শুতে গেছে । বউ শুতে আসছেনা দেখে মায়ের কাছে ফিরে এসে জিজ্ঞাসা করল- মা কম্বল কই ?
মা বলল,-কেন বাবা,বিছানায় তো আছে । ছেলে চলে গেল । একটু পরেই ছেলে ফিরে এসে জিজ্ঞাসা করল,- মা কম্বল কই ?
মা বলল- কেন, বিছানায় তো ছিল ।
ছেলে আবার কিচুক্ষণ পরে ফিরে এসে জিজ্ঞাসা করল,- মা কম্বল ছাড়া ঘুম আসে না। সব বুঝতে পেরে ছেলের বাপ আর রাগ চাপতে পারল না । বেটা হারামজাদা,শুইতে যা, কম্বল এখন খাচ্ছে ।


৫ টি ফুলের নাম

(৩০৫) স্যার: ৫ টি ফুলের নাম বল।
ছাত্র: বিউটিফুল, ওয়ান্ডারফুল, হাউজফুল, ইউজফুল, সুইমিংফুল।
স্যার: হারামজাদা!
ছাত্র: হারামজাদা না স্যার, হার্মফুল :


সিনেমার শ্যুটিং

(৩০৬) নায়ক, পরিচালক সহ পুরো টীম নায়িকার জন্যে অপেক্ষারত। নায়িকা মেকআপ নিচ্ছে। হঠাৎ নায়কের মোবাইলে কল আসলো। তার মা ভয়ানক অসুস্থ। এখনই যেতে হবে হাসপাতালে। ছুটল নায়ক। হাসপাতালে গিয়ে দেখল মার রক্ত লাগবে। অনেক জনকে ফোন করে অবশেষে মিলল রক্ত। বেশ কিছু প্রয়োজনীয় মেডিসিন লাগবে। অনেক দোকান ঘুরে এনে দিল সব মেডিসিন। মায়ের আরও অনেক দরকারি জিনিসপত্র এনে দিল। তারপর ছুটল স্পটে। মনে অজানা ভয়। এই নায়িকা দেশের এক নম্বর। আর সে একজন নতুন নায়ক। একটা টারনিং পয়েন্ট ছিল এই সিনেমা। কিন্তু নায়িকা যখন দেখল সে স্পটে নেই, কি করল সে? নিশ্চয় চলে গেছে এতক্ষনে। রাস্তায় লম্বাজ্যামে পড়ল। হতাশায়, ক্ষোভে, দুঃখে কান্না করা বাকি। না জানি পরিচালককে কি বলবে? স্পটে গিয়ে প্রাণপণে ছুটল সে। গিয়ে দেখল পরিচালকের শান্ত মুখ। অজানা আশঙ্কায় কেপে উঠল নায়কের বুক। বললঃ “স্যরি স্যার। আম্মা খুবই অসুস্থ ছিল, রক্ত লেগেছে, অনেক ছোটাছুটির মধ্যে ছিলাম। নায়িকাকে আমি নিজে ফোন করছি, স্যরি বলব উনাকে। যেন উনি ফিরে.........।” হাত দিয়ে ইশারা করে থামাল পরিচালক। তারপর বললঃ . “ফ্রেস হয়ে নাও তুমি। নায়িকার মেকআপ শেষ হয়নি এখনও।
গার্লফ্রেন্ড আর বউয়ের মধ্যে পার্থক্য

(৩০৭) গার্লফ্রেন্ড হলো রান্না করার সিলিন্ডার গ্যাসের মতো! কম ব্যবহার করলে কম খরচ, বেশি ব্যবহার করলে বেশি খরচ! তাই, যেভাবে খুশি ব্যবহার করা যায়না, খুব মেপে ব্যবহার করতে হয়!
আর বউ হলো, সরকারি মাল তিতাস গ্যাসের মতো! মাসে একবার টাকা খরচ করেন, তারপর যতখুশি ব্যবহার করেন, যেভাবে খুশি ব্যবহার করেন! গ্যাস দিয়ে রান্না করেন, গোসলের পানি গরম করেন, কাপড় শূকান, বা মন চাইলে মাছ শূকিয়ে শূটকি বানান, কোন সমস্যা নাই !!!


আমাকেই খাবে!

(৩০৮) মাঃ ডিনার খেতে অনেক গেস্ট আসবে এখন। যাও, তাড়াতাড়ি হাত-মুখ ধুয়ে ভালো কাপড় চোপড় পরে তৈরি হয়ে এসো।
ছেলেঃ গেস্টরা কি আমাকেই খাবে!


কুলি কইরা দেখ কেমন পাতলা !!

(৩০৯) মফিজ গেছে ডাক্তারের কাছে..
মফিজ: ডাক্তার সাব , আমার পাতলা পায়খানা হইছে;
ডাক্তার: কী রকম পাতলা ?
-ভালই পাতলা ;
- ভালই কেমন ??
- খুবই পাতলা ;
-খুব কেমন ??
- চরম পাতলা ;
- চরম কেমন ??
- ইয়ে মানে.......
ডাক্তার বিরক্ত হয়ে: আরে মিয়া বাংলা বোঝেন না , স্পস্ট করে বলেন কেমন পাতলা ?
মফিজ: এই নে , কুলি কইরা দেখ কেমন পাতলা !!


বড়লোক বাপের আধুনিকা মেয়ে...

(৩১০) বাবাঃ আগে তুই আমাকেপাপা বলতি; কিন্তু এখন ড্যাড বলিস কেন?
মেয়েঃ ওহ, ড্যাড! হেয়াই ডেন্ট ইউ আন্ডারস্ট্যান্ড ?! পাপা বললে লিপস্টিক নষ্ট হয়ে যায়!


মোবাইল ফোনের একাল-সেকাল,

(৩১১) ২০০৪ সাল—
বাবাঃ কি! মাত্র তো H.S.C. পরীক্ষা দিলি, এখনই মোবাইল লাগবে? তাও আবার নোকিয়া 1100!!!
২০০৬ সাল—
বাবাঃ কি! মাত্র তো S.S.C. পরীক্ষা দিলি, এখনই মোবাইল লাগবে? তাও আবার চায়না, টাচ-স্ক্রীন !!!
২০১০ সাল—
বাবাঃ কি! মাত্র তো এইট পাশ করলি,এখনই মোবাইল লাগবে? তাও আবার নোকিয়া এক্সপ্রেস মিউজিক !!!
২০১৩ সাল—
বাবাঃ কি! মাত্র তো ফাইভ পাশ করলি, এখনই মোবাইল লাগবে? তাও আবার এন্ড্রয়েড !!!
তো, এইভাবে চলতে থাকলে ২০২৫ সালে কি হতে পারে?
৬ বছরের এক বাচ্চা তার বাবাকে বলছেঃ আব্বা! দেখো গিয়া, পাশের বাড়ির জরিনা আন্টির পোলা হইবো দেইখ্যা হে তার পোলার লাইগা একটা আইফোন ফিফটিন কিন্যা রাখছে !!!
আমার আজকেই একটা স্যামসাং গ্যালাক্সি এস টেন লাগবো !!!
হাঃ হাঃ হাঃ মাইরালা, আমারে মাইরালা . . .


রিএ্যাকশন

(৩১২) রেজাল্টের পর-মেয়েদের রিএ্যাকশন,
মেয়ে১ (কাঁদতে কাঁদতে): মাত্র ৯১পেলাম!
মেয়ে২ (আরো বেশি কাঁদতে কাঁদতে):৫বার রিভিশন দেয়ার পরও ৯০ কি করে পাই?
মেয়ে৩: আমি ৯৩ পেয়ে মায়ের কাছে কীভাবে মুখটা দেখাব?
মেয়ে৪ (বিলাপ করতে করতে) ৯০তে কিচ্ছু হবে না!
ছেলেদের রিএ্যাকশন,
ছেলে১: এইবার পুরা কাঁপায় দিসি দোস্ত,৪৪ পাইছি!
ছেলে২: আমি পাশ করেছি,বাবা শুনলে তো নাচানাচি শুরু করবে!
ছেলে৩: স্যার কপি করতে দিসে তাই বেঁচে গেলাম,নইলেতো ফেল করতাম!
ছেলে৪: পুরা ৩৩ পাইছি মামু,আমার তো বিশ্বাস-e হচ্ছে না যে,আমি পাশ করছি!

 [ads-post]
টাকা হারানোর পর ছেলে এবং মেয়েদের রিয়েকশন

(৩১৩) মেয়ে ... ঊঊউয়াআআ ও আব্বু আ আম্মু ভাইয়া, নানা নানি দাদী চাচা খালস পাশের বাসার আনটি আমার তো সর্বনাশ হয়ে গেল !!
সবাই যখন বলে কি হইছে..
মেয়ে : আমার ব্যাগ থেকে এক টাকার কয়েন টা পাইনা !
মায়ার বান্ধবীরা : হায় হায়..কি হবে এখন...?
আর ছেলে রে.... দোস্ত, বিকেল বেলা আশার সময় কোন হালায় জানি মানি ব্যাগ টা মাইরা দিসে....
দোস্ত : কোনো ব্যাপার না... আমার থেকা নে..পরে পারলে দিস!


বউ সে বাড়িটার ভেতরে ছিলো!

(৩১৪) ১ম বন্ধুঃ জানিস আমি বিয়ে করে ফেলেছি!!
২য় বন্ধুঃ Wow!! ভালো সংবাদ!!
১ম বন্ধুঃ নাহ!! খারাপ সংবাদ!! সে দেখতে একদমই সুন্দর নয়!!
২য় বন্ধুঃ ওহ!! এটাতো তাহলে খারাপ সংবাদ!!
১ম বন্ধুঃ নাহ!! এটা ভালো সংবাদ!! কারন সে অনেক ধনী!!
২য় বন্ধুঃ Wow!! এটা তো খুবই ভালো সংবাদ!!
১ম বন্ধুঃ নাহ!! এটা খারাপ সংবাদ!! কারন সে তার টাকা পয়সার এক কানাকড়িও আমাকে দেয় না!!
২য় বন্ধুঃ ওহ!! তাহলে তো এটা খুব খারাপ সংবাদ!!
১ম বন্ধুঃ নাহ!! এটা ভালো সংবাদ!! কারন সে আমাকে একটা অনেক বড় বাড়ি কিনে দিয়েছে!!
২য় বন্ধুঃ Wow!! তাহলে তো এটা খুবভালো সংবাদ!!
১ম বন্ধুঃ নাহ!! এটা খারাপ সংবাদ!! কারন সে বাড়িটা পুড়ে গেছে!!
২য় বন্ধুঃ আহারে!! তাহলে তো খুবই খারাপ সংবাদ!!
১ম বন্ধুঃ নাহ!! এটাই সবচেয়ে ভালো সংবাদ!! কারন আমার বউ সে বাড়িটার ভেতরে ছিলো!!


ইঞ্জিনিয়ার

(৩১৫) একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, একজন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এবং একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ গাড়িটা একটা গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে বন্ধ হয়ে গেল এবং আর কিছুতেই চালু হচ্ছিল না।
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার: আমার ধারণা, গাড়ির কোনো পার্টস ভেঙে গেছে। আমাদের উচিত সেটা বদলে নেওয়া।
কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার: আমার ধারণা, গাড়ির গ্যাস ফুরিয়ে গেছে। আমাদের গ্যাস নেওয়া উচিত।
ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার: আমার ধারণা, গাড়ির কোনো পার্টস জ্বলে গেছে। আমাদের উচিত সেটা মেরামত করা।
কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার: হুম…আমার মনে হয়, আমাদের সবার উচিত গাড়ি থেকে বের হওয়া, তারপর আবার নতুন করে গাড়িতে উঠে বসা।


মোবাইলটা কার?

(৩১৬) 4-5 ফ্রেন্ড মিলে বারে বীয়ার পান করতেছে. এমন সময় টেবিলের উপর রাখা মোবাইলটা বেজে উঠল.
ছেলে: হ্যালো
মেয়ে: ওগো শুনছো..আমি এখন মার্কেটে আছি.
ছেলে: ভাল
মেয়ে: আমার 200000 টাকার একটা নেকলেস পছন্দ হয়েছে. ছেলে: তাহলে এটা নিয়ে নাও
মেয়ে: 26000টাকা র একটা স্কার্ট আমার পছন্দ হয়েছে. 2টা নিয়ে নেই?
ছেলে: 2টা না 4টা নাও
মেয়ে: তোমার ক্রেডিট কার্ড আমার কাছে, ঐখান থেকে নিতেছি. ছেলে: ok.no problem
বন্ধু: সালা তুই কি পাগল হয়ে গেলি? এতগুলো টাকা বউকে দিয়ে দিলি
ছেলে: এইসব বাদ দে.আগে বল মোবাইলটা কার? বন্ধুরা পুরাই shockzz !!!


এক দুষ্ট ছেলে থানায় ফোন করেছে।

(৩১৭) - এইটা কি পুলিশ স্টেশন?
- হ্যাঁ।
- আপনি কি পুলিশ?
- হ্যাঁ।
- আপনার থানায় বাথরুম আছে?
- হ্যাঁ।
- আপনার বাথরুমে কমোড আছে?
- হ্যাঁ, আছে।
- তাহলে কমোডের মধ্যে মাথা ঢুকাইয়া বইসা থাকেন। এই বলে ছেলেটি ফোন কেটে দিল।
কিছুক্ষণ পর পুলিশ নাম্বার বের করে কলব্যাক করল। ছেলেটির বাবা ফোন ধরল। পুলিশ অভিযোগ করল, আপনার ছেলে আমাকে কমোডে মাথা ঢুকিয়ে বসে থাকতে বলেছে।
- কতক্ষণ আগে বলেছে?
- এই ধরেন ১০ মিনিট।
- তাহলে এখন মাথা বের করে ফেলেন। ....


পরীক্ষার আগের রাত:

(৩১৮) আমি 1st বন্ধুকে কল দিলাম: "দোস্ত, কদ্দুর পড়লি ?"
বন্ধু : "হুমম, চ্যাপ্টার তো ৮ টা, আমার ৫ টা শেষ"
আমি : (মনে মনে: shit,কেনো পড়লাম না আগে,এই হারামী তো সব শেষ করে ফেললো)
"আচ্ছা দোস্ত, পড় বাকীগুলা, রাখি"
2nd বন্ধুকে কল: "দোস্ত,কদ্দুর পড়লা ?"
২nd বন্ধু: "আমার পরা শেষ, রিভিশন দিব"
আমি: (মনে মনে: ধুর বেটা,মর তুই ) "পড় ভালমতো"
খুবই হতাশ হয়ে 3rd বন্ধুকে কল: "দোস্ত, তোর কি সব শেষ??"
3rd বন্ধু: " আর এ না, কি বলিস?!! শুরুই করি নাই, পুরা রাততো পড়ে আসে পরার জন্য"
আমি : "দোস্ত, তুই বস, তুই আমার ভাই,আপন ভাই, চল start করি এখন"


হায়রে ফেসবুক! !!!!

(৩১৯) ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ একদিন ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করলেন, কেউ একজন তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেছে! তৎক্ষণাৎ তিনি ফোন করলেন নিজ অফিসের এক কর্মচারীকে। ‘কত বড় সাহস! আমার আ্যাকাউন্ট হ্যাক করে! এক্ষুনি খুঁজে বের করো ওই হ্যাকারকে। এক ঘণ্টার মধ্যে আমি ওর নাম- ঠিকানা জানতে চাই।’ চিৎকার করে বললেন জুকারবার্গ। ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বলল কর্মচারী, ‘অবশ্যই, স্যার। আমরা এক্ষুনি তাকে খুঁজে বের করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করছি।’
জুকারবার্গ: পুলিশের হাতে তুলে দিতে কে বলল! ওকে বলো, আমার কোম্পানিতে ভালো বেতনে ওর জন্য একটা চাকরি আছে! হায়রে ফেসবুক! !!!!



টিপস পাঠাবে মানি-অর্ডার করে?

(৩২০) ওয়েটারকে প্রশ্ন করা হলো, আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন কী?
— সেদিন আসবে কবে, যেদিন থেকে লোকজন রেস্টুরেন্টে খাওয়া বন্ধ করে দেবে, তবে টিপস পাঠাবে মানি-অর্ডার করে?


মানি-অর্ডার

(৩২১) পরিচিত রেস্টুরেন্টে খাওয়া শেষে খদ্দের ওয়েটারকে ডেকে বলল, ‘তোমাদের আগের বাবুর্চিটা মারা গেছে, তাই না?’
ওয়েটার অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘আপনি কি করে জানলেন, স্যার? খাবার কি খারাপ হয়েছে?’
খদ্দের জবাব দেয়, ‘না…খাবার ঠিকই আছে… তবে আগে সাদা চুল পেতাম, ইদানীং কালো চুল পাচ্ছি।


নরক সত্যিই আছে

(৩২২) শোভা: বুঝলি সোমা,আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি অয়নকে বিয়ে করব না।
সোমা: সে-কি-রে,পাঁচ বছর ধরে প্রেম করলি,এখন বিয়ে করবি না কেন?
শোভা: জানিস,অয়ন একেবারে নাস্তিক।
সোমা: ও নাস্তিক তাতে তোর কি,তুই তো আর নাস্তিক নোস।
শোভা: ও নরক আছে বলে বিশ্বাস করে না। ভয়ানক ব্যাপার নয়?
সোমা: ঘাবড়াচ্ছিস কেন,বিয়েটা হতে দে। কয়েক দিনের মধ্যেই বাছা ধন বুঝে যাবেযে,নরক সত্যিই আছে



মাইয়া সুবিধার না , বাজে মাইয়া!"

(৩২৩) এক তরুণী মেয়ে দোকানে গেল একটা কথা বলা টিয়ে পাখি কিনতে। দোকানদার একটা পাখির খুব প্রশংসা করল, এটা নাকি সব বুঝে , নিজে থেকেই অনেক কিছু শিখে নেয়! মেয়েটা খুশি হয়ে পাখিটাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলঃ "আচ্ছা আমাকে দেখে আমার সম্পর্কে কি মনে হয় তোমার?" পাখিটা ঠাস করে বলে বসলঃ "বেশী সুবিধার না, বাজে মাইয়া!" মেয়েতো পুরাই টাশকি খেয়ে গেল! রেগেমেগে দোকানদারকে গিয়ে অভিযোগ করল!
দোকানদার পাখিটাকে ধরে এক বালতি পানিতে কয়েকটা চুবানি দিল , এরপর জিজ্ঞেস করলঃ "আর খারাপ কথা বলবি?"
পাখিটা ভালো মানুষের(!) মত মাথা নাড়ায় চাড়ায় বললোঃ "না না , আর বলব না"
মেয়েটা খুশি হয়ে আবার পাখিটাকে জিজ্ঞেস করেলোঃ "আচ্ছা আমি যদি রাতে ঘরে একজন পুরুষ নিয়ে ঢুকি , তুমি কি মনে করবে?"
পাখিটি বললোঃ "তোমার স্বামী"
মেয়েটি বললোঃ "যদি দুজনকে নিয়ে ঢুকি?"
পাখিটি বললোঃ "তোমার স্বামী আর দেবর!"
মেয়েটি বললোঃ "যদি তিনজনকে নিয়ে ঢুকি?"
পাখিটি বললোঃ "তোমার স্বামী , দেবর আর ভাই ।"
মেয়েটি বললোঃ "যদি চারজনকে নিয়ে ঢুকি?"
পাখিটা: দোকানদারকে চেঁচিয়ে ডাকলঃ "ঐ মিয়া বালতি নিয়া আও !! আগেই কইছিলাম এই মাইয়া সুবিধার না , বাজে মাইয়া!"


ট্রাম ভাড়া

(৩২৪) একবার কলকাতায় ট্রাম ভাড়া কমিয়ে অর্ধেক করে দেওয়া হলো। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে গেল ব্যাপক আন্দোলন। হকচকিত ট্রাম কর্তৃপক্ষ জানতে চাইল, ভাইরে, আমরা তো ভাড়া বাড়াইনি, কমিয়েছি। তাহলে? ‘আগে হেঁটে অফিস যেতুম। ট্রাম ভাড়া বাবদ ১ টাকা বেঁচে যেত। আর এখনো হেঁটে অফিস যাই। কিন্তু সঞ্চয় হয় মাত্র পঞ্চাশ পয়সা।’


সাইকেলে তালা


(৩২৫) সংসদ ভবনের গেটের সামনে ভাঙাচোরা একটা সাইকেলে তালা মেরে রেখে যাচ্ছিল এক লোক। তা দেখে হায় হায় করে ছুটে আসে গার্ড। চিৎকার করে বলে, ওই ব্যাটা, এখানে সাইকেল রাখছিস কী বুঝে? জানিস না, এ পথ দিয়ে এমপি, মন্ত্রী-মিনিস্টাররা যাতায়াত করেন। লোকটা একগাল হেসে জবাব দেয়, কোনো সমস্যা নাই ভাইজান, সাইকেলে তালা মাইরা দিছি।

Post Top Ad


Download

click to begin

6.0MB .pdf