বাংলা জোকস- ০৩ - সেরা-সংগ্রহ.কম
X

Saturday, March 4, 2017

বাংলা জোকস- ০৩

বাংলা জোকস


সবগুলো কৌতুক
নাইট গার্ড

(৫১) এক লোক দাতের ব্যাথায় অতিষ্ট হয়ে ডাক্তারের কাছে এসেছে।
রোগী : ডাক্তার সাহেব আমাক তাড়াতাড়ি ওষুধ দেন দাতের ব্যথায় রাতে ঘুমাতে পারি না।
ডাক্তার : ভাল ! আপনেকই তো আমি খুঁজতেছি।
রোগী : কেন ?
ডাক্তার : আমার একজন নাইট গার্ড লাগব!


চার আনা পয়সা

(৫২) নাতিঃ আমাদের বাড়ির সামনের ভদ্রলোক কি গরীব আর কিপ্টে?
নানুঃ কেন রে, কি হয়েছে। না তেমন কিছু নয়।
নাতিঃ ওদের ছোট মেয়েটি মাত্র চার আনা পয়সা গিলে ফেলেছে তাই সেটা বার করতে কী কান্ডই না করছে!


নানু ও নাতির মধ্যে কথোপকথন

(৫৩) নানু ও নাতির মধ্যে কথা হচ্ছে—
নানুঃ বলতে পারিস, তোর বাবার বয়স এখন কত হলো?
নাতিঃ কেন, দশ বছর।
নানুঃ তা কি করে হয়? তোর বয়সই তো দশ বছর।
নাতিঃ সে জন্যই তো বলছি, আমার জম্মের পরই তো তিনি বাবা হয়েছেন!


গুনতে সুবিধা হবে!

(৫৪) বিক্রেতা : এই নাও, তোমাকে ওজনে একটু কম দিলাম, বাসায় নিয়ে যেতে সুবিধা হবে।
বল্টু : এই নিন টাকা।
বিক্রেতা : এ কী, মাছের দাম তো একশ টাকা, দশ টাকা দিলে কেন?
বল্টু : টাকা একটু কম দিলাম, আপনার গুনতে সুবিধা হবে!


অপারেশন টেবিলে

(৫৫) হাতে সেলাই দেওয়া লাগবে। অপারেশন টেবিলে শুয়ে রোগী কাতর চোখে ডাক্তারকে বলল, 'ডাক্তার সাহেব একটা কথা আছিল।'
ডাক্তার : কী কথা বুঝতে পেরেছি আর বলতে হবে না, সেলাইয়ের সময় যেন ব্যথা না দিই এই তো?
রোগী : না না, তা নয় ডাক্তার সাহেব, সেলাই তো ভালোমতো করবেনই, লগে আমার শার্টের হাতার বোতামটাও একটু সিলাইয়া দিয়েন, ছুইটা গ্যাছে!


এক পাগল ডোবার পাশে দাঁড়িয়ে

(৫৬) এক পাগল ডোবার পাশে দাঁড়িয়ে চিত্কার করছেঃ পাঁচ পাঁচ পাঁচ।পাশ দিয়ে এক লোক হেঁটে যাচ্ছিল। সে অবাক হয়ে বললঃ তুমি এভাবে পাঁচ পাঁচ পাঁচ বলে চিত্কার করছ কেন? তখন পাগলটি বললঃ তুমি কাছে আসো তোমাকে দেখাই। লোকটি কাছে যেতেই পাগলটি ধাক্কা মেরে তাকে ডোবার মাঝে ফেলে দিয়ে বলতে লাগলঃ
.
.
. .
ছয় ছয় ছয়।


বইয়ের ভেতর

(৫৭) স্বামী : ওগো, তোমার ছেলের জন্য কোথাও টাকা রেখে শান্তি পাচ্ছি না।
স্ত্রী : টাকাগুলো ওর বইয়ের ভেতর রেখো, পরীক্ষার আগ পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে!


চালাক প্রাণী

(৫৮) স্যার : এই বল্টু, বল তো পৃথিবীতে সবচেয়ে চালাক প্রাণী কোনটি?
বল্টু : পৃথিবীতে সবচেয়ে চালাক প্রাণী হচ্ছে গরু।
স্যার : এইটা কেমনে সম্ভব। ব্যাখ্যা দে।
বল্টু : ব্যাখ্যা তো আরো সহজ! বাংলা দ্বিতীয় পত্রে প্রবাদ আছে-অতি চালাকের গলায় দড়ি। বেশির ভাগ গরুর গলায় দড়ি থাকে। সুতরাং গরুই সবচেয়ে চালাক প্রাণী (প্রমাণিত)।


গৃহিণীর সঙ্গে চালাকি

(৫৯) এক সেলসম্যান দরজায় নক করলে দরজা খুললেন গৃহকর্ত্রী। সেলসম্যান দ্রুত লিভিংরুমে ঢুকে এক ব্যাগ গোবর ফ্লোরে ছড়িয়ে দিয়ে বলল, 'ম্যাডাম, নেক্সট তিন মিনিটের মধ্যে যদি এ পুরো গোবরটুকু আমার কম্পানির ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করতে না পারি তাহলে গোবরটা আমি খাব।'
গৃহকর্ত্রী : তা গোবরটা খাওয়ার জন্য তোমাকে কী দেব, চিলি নাকি টমেটো সস?
সেলসম্যান : কেন ম্যাডাম, এ কথা কেন বলছেন?
গৃহকর্ত্রী : কারণ বাসায় ইলেকট্রিসিটি নেই। তাই ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে নেক্সট তিন মিনিটে তোমার গোবর পরিষ্কার করা হচ্ছে না!


ডাক্তারের সঙ্গে চালাকি

(৬০) এক ডাক্তার ক্লিনিক খুলেছেন। ক্লিনিকের দরজার বাইরে লেখা-যেকোনো ধরনের চিকিৎসার ফি ৩০০ টাকা। বিফলে ১০০০ টাকা ফেরত। এক চালাক লোক ভাবল, ডাক্তারের চেম্বারে যাবে আর চালাকি করে ১০০০ টাকা কামাই করবে। ডাক্তারের কাছে এসে লোকটি বলল, 'ডাক্তার সাহেব, আমার জিহ্বায় কোনো স্বাদ পাচ্ছি না।'
ডাক্তার : 'নার্স, ২২ নম্বর বোতল থেকে কয়েক ফোঁটা তরল ওনার জিহ্বায় ঢেলে দাও।'
ডাক্তারের কথামতো নার্স ২২ নম্বর বোতল থেকে কয়েক ফোঁটা তরল লোকটির জিহ্বায় ঢেলে দিতেই চিৎকার করে উঠল লোকটি, 'ছি ছি! এসব কী? এটা তো প্রস্রাব!'
ডাক্তার : কনগ্র্যাচুলেশন, আপনার জিহ্বার স্বাদ ফিরে এসেছে।'
লোকটি রেগেমেগে ৩০০ টাকা ফি দিয়ে চলে গেল।
দুই সপ্তাহ পরে লোকটি আবার এলো ডাক্তারের কাছে, এবার সুদে-আসলে টাকাটা আদায় করার পরিকল্পনা করে।
এবার বলল, 'আমি আমার স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছি, ডাক্তার।
ডাক্তার : নার্স, ২২ নম্বর বোতল থেকে কয়েক ফোঁটা ওনার জিহ্বায় ঢেলে দাও তো।
শুনে এবারও চিৎকার করে উঠল লোকটি, 'সেকি ডাক্তার! ওই ওষুধ তো আপনি জিহ্বার স্বাদ ফিরিয়ে আনার জন্য ব্যবহার করেছিলেন!
ডাক্তার : কনগ্র্যাচুলেশন, আপনার স্মৃতিশক্তি ফিরে এসেছে।


কিসের বিরিয়ানি!'

(৬১) এক চরম কিপ্টা লোক সমুদ্রে গোসল করতে গিয়ে ডুবে যেতে লাগল। সে তখন প্রার্থনা করল, 'আমি যদি বেঁচে যাই, তাহলে ১০০০ জন গরিবকে দুই বেলা বিরিয়ানি খাওয়াব।'তখনই এক বড় একটা স্রোত এসে তাকে সাগর তীরে ঠেলে দিল! সে তখন দাঁড়িয়ে বলল, 'হাহ! কিসের বিরিয়ানি!' তখন আচানক আরেকটা বড় ঢেউ এসে তাকে ভাসিয়ে নিয়ে গেল! তখন সে বলতে লাগল, 'আমি বলতে চাচ্ছি কী বিরিয়ানি, চিকেন নাকি কাচ্চি?'


পাওনা টাকা

(৬২) ভিক্ষুক : স্যার, আগে তো দশ টাকা দিতেন। তারপর দিতেন পাঁচ টাকা, এখন দিচ্ছেন এক টাকা।
লোক : আগে অবিবাহিত ছিলাম। এখন বিয়ে করেছি। ক’দিন হলো একটি সন্তানও হয়েছে..
ভিক্ষুক : ছি! ছি! আমার পাওনা টাকায় আপনি সংসার চালাচ্ছেন!

[ads-post]
সব ইচ্ছে পূরণ

(৬৩) প্রেমিকার বাবা : তুমি কি আমার মেয়ের সব ইচ্ছে পূরণ করতে পারবে?
প্রেমিক : হ্যাঁ স্যার, নিশ্চয়ই পারবো!
প্রেমিকার বাবা : এতো শিওর হচ্ছো কি করে?
প্রেমিক : আপনার মেয়ে বলেছে, সে আমাকে ছাড়া কিছুই চায় না!


সাদা চুল

(৬৪) ছেলে : আচ্ছা মা, তোমার চুল এত সাদা কেন?
মা : ছেলেমেয়ে দুষ্টু হলে বাবা-মায়ের চুল এমনি এমনি সাদা হয়ে যায়।
ছেলে : আচ্ছা, এ জন্যই তো নানির মাথার চুল আরও বেশি সাদা!


চুরি করতে গিয়ে সেলফি

(৬৫) এক চোর চুরি করতে গিয়ে সেলফি তুলে পোস্ট দিল, 'এই মাত্র চুরি করতে ডুকলাম।' বাড়ির মালিক চোরের পোস্টে লাইক দিয়ে কমেন্টস করল, 'ভেবো না আমরা ঘুমিয়ে পড়েছি, আমরা সবাই জাগ্রত আছি। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়ে গেছে, তারা গাড়ি নিয়ে আসছে।'বাড়ির মালিকের কমেন্টসে লাইক দিয়ে ইন্সপেক্টর আবুল কমেন্টস দিলেন, 'গাড়ি নষ্ট হয়ে গেছে, আমরা হেঁটে হেঁটে আসতেছি!


চরম কিপ্টা

(৬৬) এক চরম কিপ্টা লোক সমুদ্রে গোসল করতে গিয়ে ডুবে যেতে লাগল। সে তখন প্রার্থনা করল, 'আমি যদি বেঁচে যাই, তাহলে ১০০০ জন গরিবকে দুই বেলা বিরিয়ানি খাওয়াব।'তখনই এক বড় একটা স্রোত এসে তাকে সাগর তীরে ঠেলে দিল! সে তখন দাঁড়িয়ে বলল, 'হাহ! কিসের বিরিয়ানি!'তখন আচানক আরেকটা বড় ঢেউ এসে তাকে ভাসিয়ে নিয়ে গেল! তখন সে বলতে লাগল, 'আমি বলতে চাচ্ছি কী বিরিয়ানি, চিকেন নাকি কাচ্চি?'


ফ্রি খানা

(৬৭) কমিউনিটি সেন্টার দেখে দুই বন্ধু ঢুকে পড়ল ভেতরে। রিলেটিভের অভিনয় করে ফ্রিতে বিয়ে খাওয়ার প্ল্যান। ইচ্ছা করেই দুজন দুই টেবিলে বসল। তারপর শুরু করল নিখুঁত অভিনয়। হঠাৎ একজন আরেকজনকে দেখে চিৎকার করে ওঠল, 'আরে ভাইজান! কী অবস্থা? অবশেষে বিয়েতে আসছেন তাইলে। বিয়েতে না আসলে কিন্তু সত্যিই মাইন্ড করতাম।' রিলেটিভ সাজার অভিনয়টা বেশ নিখুঁতভাবেই হয়েছে। কিন্তু কেন যেন সবাই এই দুজনের দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছে। ব্যাপারটা নিয়ে দুই বন্ধু বেশ চিন্তিত! এমন সময় পেছন থেকে একজন ডাক দিয়ে আস্তে করে বলল, 'ভাই, এটা জন্মদিনের পার্টি!'


ভাঙাচুরা গাড়ি

(৬৮) একটা ভাঙাচুরা গাড়ির নিলাম হচ্ছে...
-১০ লাখ!
-২০ লাখ!
-৩০ লাখ!
এক লোক এই গাড়ির ভাঙাচুরা অবস্থা দেখে পাশে দাঁড়ানো আরেক লোককে বলল, 'ভাই! এই ভাঙা গাড়ির এত দাম কেন?'
লোকটি উত্তর দিল, 'এই গাড়ির একটি বিশেষত্ব আছে। এ পর্যন্ত এই গাড়িটা প্রায় আটবার অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে, প্রতিবারই শুধু মালিকের বউ মারা গেছে, স্বামীদের কিছু হয় নাই।'


স্মৃতি লোপ

(৬৯) এক বন্ধু বলল, ‘আমার স্মৃতিশক্তি নাকি দিন দিন লোপ পাচ্ছে!’
আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘কে বলেছে তোকে?’
: কে জানি বলল, নাম ভুলে গেছি!
: তো এই কথাটা আমাকে বলে লাভ কী?
: আমি আবার তোকে কী বললাম?
: এই যে এই মাত্র বললি, দিন দিন নাকি তোর স্মৃতিশক্তি তোর সঙ্গে কাবাডি খেলছে!


কিন্তু কী করমু তুই তো আমার পুলা !

(৭০) ....এক বাচ্চা তার আম্মুকে বললো ,আম্মু আমি হলাম কী করে ?
আম্মু বললো ,আমি একটি ফুলের টবে কিছু মাটি দিয়ে বাসার পেছনে রেখে আসছি, তারপর কিছুদিন পর তুমি হইছো
..তখন বাচ্চাটিও কিছু মাটি দিয়ে ফুলের টব বাসার পেছনে রেখে আসলো...কয়েক দিন পর গিয়ে দেখলো সেখানে একটা ব্যাঙ বসে আছে..তখন বাচ্চাটি বললো মনডা চাইতাছে তুরে আছাড় দিয়া মাইরা লাই,কিন্তু কী করমু তুই তো আমার পুলা !

ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন

(৭১) স্বামী : জানো, আমি আজ ভয়ংকর একটা দুঃস্বপ্ন দেখলাম।
স্ত্রী : কী দেখেছ?
স্বামী : দেখেছি তোমাকে নিয়ে আমি শপিংয়ে গেলাম!


জানালা খুলতে পারছে না

(৭২) এক লোক হোটেলের ম্যানেজারকে গিয়ে বলল,
লোক :- ম্যানেজার সাহেব যলদি আসুন আমার স্ত্রী রাগ করে জানালা দিয়ে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করতে চাইছে।
ম্যানেজার :- তো আমি কি করতে পারি?
লোক :- আরে শালা, আমার স্ত্রী জানালা খুলতে পারছে না।


মেয়ে ইভটিজার

(৭৩) মেয়ে: হাই ভাইয়ু!
বল্টু: কে আপনি?
মেয়ে: ইভটিজার !!
বল্টু: কেমনে সম্ভব ?
মেয়ে: অসম্ভবকে সম্ভব করাই এই angel arorar কাজ.....
বল্টু: আপনার বাপ-ভাই নেই?
মেয়ে: আছে ত.....মাগার বাসায় রান্না করার জন্য কোন কাজের পুলা নাই.....(বল্টু অজ্ঞান)


ফেবু ফ্রেন্ড

(৭৪) হঠাৎ বাসায় কলিংবেল। গৃহকর্তী গেলেন দরজা খুলতে। খুলেই তিনি অবাক, এক কাজের বুয়া টাইপের মহিলা দাড়ায় আছে দরজায়।
গৃহকর্তীঃ কে আপনি..?
মহিলাঃ আপা, আমি আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্ট এর সুমাইয়া কুলসুম। গত কালকে আপনি একটা স্ট্যাটাস দিলেন না, যে আপনার বাসার কাজের বুয়া চলে গেছে, তাই সেটা দেখার পর আমি আমার আগের বাড়ির কাজ ছেড়ে আপনার বাড়ি চলে আইলাম। কারণ হাজার হলেও আপনি আমার ফ্রেন্ড। এখন থেকে আমি আপনার বাড়িতেই কাজ করুম। আর একসাথে ফেসবুক ইউজ করুম। রাজি আছেন তো..?
গৃহকর্তীঃ বাসার ঠিকানা কথায় পাইলা..?
মহিলাঃ জি আপা, আপনার ছেলে দিছে, ও আবার আমার মাইয়ার ফেসবুক ফ্রেন্ড


শিক্ষক এবং ছাত্র

(৭৫) শিক্ষক: মশা মাছি অনেক রোগ ছড়ায়, তাদের বংশ বৃদ্ধি রোধ করতে হবে।
ছাত্র: হা হা হা হি হি হি হি হি হি…..
শিক্ষক: হাসির কি হলো?
ছাত্র: স্যার এতো ছোট বেলুন বানাবেন ক্যামনে!!!

Post Top Ad


Download

click to begin

6.0MB .pdf