বাংলা কৌতুক সমগ্র - ০৪ - সেরা-সংগ্রহ.কম
X

Saturday, March 4, 2017

বাংলা কৌতুক সমগ্র - ০৪

বাংলা কৌতুক সমগ্র


সবগুলো কৌতুক
‘হাসিনা-খালেদা জিন্দাবাদ

(৭৬) এক লোক একটি মাছ ধরল। বাসায় এসে পানি গরম করার জন্য পানির কল ছাড়ল, পানি নাই..চিন্তা করল, ভেজে খাবে। চুলা জ্বালাতে গেল, গ্যাস নাই...ভাবল, তাহলে ওভেনে রান্না করবে, দেখে কারেন্ট নাই...তখন ভেবে দেখল, তাহলে মাছ দিয়ে আর কী হবে। সে নদীতে গিয়ে ছেড়ে দিল মাছটাকে। পানিতে পড়েই মাছটা চেঁচিয়ে উঠল, ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’, ‘হাসিনা-খালেদা জিন্দাবাদ।


সাকিব খান আপনি কি মুরগী খান

(৭৭) একদিন সাকিব খান এর অফিসিয়াল হোটেলে গিয়ে বললেন "ভালো পোলাও আনো তো "|
ওয়েটার: স্যার , আপনি কি মুরগি খান ?. . .
সাকিব খান: What ! আমি সাকিব খান|


কৃষকের ইন্টারভিউ

(৭৮) ::কৃষকের ইন্টারভিউ:::
উপস্থাপকঃ আপনি ছাগলরে কি খাওয়ান??
কৃষকঃ কোনটারে? কালো না সাদা??
উপস্থাপকঃ কালোটারে...
কৃষকঃ ঘাস...
উপস্থাপকঃ আর সাদা??
কৃষকঃ ওইটারেও ঘাসই খাওয়াই...
উপস্থাপকঃ ও!! আচ্ছা, এগুলিরে কই বাইন্ধা রাখেন??
কৃষকঃ কোনটা?? কালোটা না সাদাটা??
উপস্থাপকঃ সাদা...
কৃষকঃ ওইপাশে বাইরের ঘরে বাইন্ধা রাখি।
উপস্থাপকঃ আর কালোটা?
কৃষকঃ ওইটারেও বাইরের ঘরেই বান্ধি...
উপস্থাপকঃ আর গোসল করান কিভাবে?
কৃষকঃ কালো না সাদা??
উপস্থাপকঃ কালো...
কৃষকঃ পানি দিয়া।
উপস্থাপকঃ আর সাদাটা??
কৃষকঃ ওইটারেও পানি দিয়াই করাই...
উপস্থাপকঃ (চরম ক্ষিপ্ত): হা...!! সব কিছু যখন একই রকম করস তাইলে বার বার জিগাস ক্যান “কালা না সাদা”???
কৃষকঃ কারণ সাদা ছাগলটা আমার...
উপস্থাপকঃ ও!! আর কালোটা??
কৃষকঃ ওইটাও আমার ! ! ! ! ! !


মেডিক্যালে ভর্তি

(৭৯) মেডিক্যালে ভর্তি
প্রথম বন্ধু : দোস্ত, আমার গার্লফ্রেন্ড তো মেডিক্যালে ভর্তি হইছে।
দ্বিতীয় বন্ধু : কী বলিস! ও না মানবিক বিভাগে পড়ত?
প্রথম বন্ধু : দূর! গাড়ি থেকে পড়ে গিয়ে পা ভাঙছে, তাই চিকিৎসার জন্য মেডিক্যালে ভর্তি হইছে!


প্রতিশ্রতির বহর

(৮০) চেয়ারম্যান: আমি যদি এবার চেয়ারম্যান হতে পারি তাহলে এই এলাকায় একটি ব্রিজ করে দিব।
জনৈক ব্যাক্তি: এই গ্রামে তো কোনো খাল নেই, আপনি ব্রিজ করবেন কিভাবে?
চেয়ারম্যান: ...প্রথমে খাল করব তারপর ব্রিজ করব!


গ্যাসের গন্ধ ও হয় না, আওয়াজ ও হয় না

(৮১) হাবলুঃ "ডাক্তার, আমার পেটে গ্যাসের অনেক সমস্যা। কিন্তু ভালো দিক এই যে আমার গ্যাসের গন্ধ ও হয় না, আওয়াজ ও হয় না। এখানে বসে আমি ১৫-২০ বার গ্যাস ছেড়েছি; কিন্তু কেউ টের ই পায় নি"
ডাক্তারঃ "এই ওষুধটা খান, আর এক সপ্তাহ পরে আসবেন" এক সপ্তাহ পর
হাবলুঃ "এ কি ওষুধ দিলেন ডাক্তার সাহেব,আমার গ্যাসে এখনো আওয়াজ নেই; কিন্তু জঘন্য গন্ধ বের হয়!"
ডাক্তারঃ "গুড, আপনার নাক ঠিক হয়ে গেছে;এখন আপনার কানের চিকিৎসা করতে হবে"


দাঁতের ডাক্তার

(৮২) দাঁতের ডাক্তারের কাছে এক মেয়ে এসে বলল-
মেয়ে : ডাক্তার সাহেব, আপনি দাঁত তুলতে পারেন?
ডাক্তার : হ্যাঁ, পারি।
মেয়ে : তাহলে যে আমার সঙ্গে আমাদের বাড়ি যেতে হবে। আমার দাদির দাঁত তুলতে হবে।
ডাক্তার : তা যাওয়া যাবে। ফি কিন্তু ডাবল দিতে হবে।
মেয়ে : সেটা সমস্যা না, চলেন আমার সঙ্গে।
ডাক্তার মেয়েটার বাড়ি গেল। সেখানে গিয়ে মেয়েটার দাদিকে বলল-
ডাক্তার : দেখি, আপনার কোন দাঁত তুলতে হবে?
দাদি : আমার সঙ্গে একটু কষ্ট করে পুকুরপাড়ে চলেন।
পুকুরপাড়ে গিয়ে দাদি বললেন, আজ গোসল করতে গিয়ে পুকুরে দাঁত পড়ে গেছে। আপনি কষ্ট করে তুলে দেন!


এটা বন্দুক না ! এটা তোমার ইজ্জত

(৮৩) মিলিটারী একাডেমীতে ট্রেনিং চলছে ...
OFFICER , ক্যাডেট পল্টুকে কে জিজ্ঞেস করল : "তোমার হাতে এটা কি ?"
পল্টু : "Sir, এটা বন্দুক ...!"
OFFICER : "না ! এটা বন্দুক না ! এটা তোমার ইজ্জত , তোমার গর্ব , তোমার মা হয় মা !"
, তারপর Officer দ্বিতীয় ক্যাডেট বল্টুকে জিজ্ঞেস করল : "তোমার হাতে এটা কি ?"
বল্টু : "Sir, এটা পল্টুর মা , ওর ইজ্জত , ওর গর্ব ! আমাদের আন্টি হয় আন্টি !


তর্জন গর্জন

(৮৪) বল্টু ঢাকার এক চায়ের স্টলে চা খেতে গেছেন। বল্টু তার সাইকেলটি বাহিরে রেখে চা খাচ্ছিলেন। দোকানের মালিক আবার সাইকেল চোরাচক্রের সাথে যুক্ত। দোকানদার সাইকেলটি সরিয়ে ফেললেন। চা পান শেষে সাইকেলের মালিক বল্টু বেজায় রেগে গেলেন। বল্টু দোকানের মালিককে শাসালেন - "অবিলম্বে আমার সাইকেল ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা কর, নইলে চট্টগ্রামে যা করেছিলাম এখানেও তা-ই করব" তার তর্জন-গর্জনে ভীতু হয়ে দোকানদার চোরদের কাছ থেকে সাইকেলটি নিয়ে তাকে ফেরত দিলেন। উপস্থিত উত্সুক জনতা জানতে চাইল চট্টগ্রামে তিনি সাইকেল হারিয়ে কী করেছিলেন? বল্টু গম্ভীর হয়ে জবাব দিলেন- " কী আর করব? সাইকেল না পেয়ে হেটেই বাড়িতে গিয়েছিলাম।

মশার প্রকারভেদ

(৮৫) একদিন একজন শিক্ষক ছাত্রকে পড়া জিজ্ঞেস করলেন---
শিক্ষকঃ বলোতো মশা কয় প্রকার...?
ছাত্রঃ মশা নয় প্রকার।
শিক্ষকঃ মশা আবার নয় প্রকার হয় কিভাবে...?
ছাত্রঃ
১. যে মশা গায়ে বসা মাত্রই কামড়ায় তাকে রাক্ষস মশা বলে।
২. যে মশা দিনের বেলায় কামড়ায় তাকে সন্ত্রাসী মশা বলে।
৩. যে মশা নাকের ভেতর ঢুকে কামড়ায় তাকে নমরুদী মশা বলে।
৪. যে মশা সুযোগ পেলেই কামড়ায় তাকে সুযোগসন্ধানী মশা বলে।
৫. যে মশা কানের কাছে এসে গান গায় তাকে গায়ক মশা বলে।
৬. যে মশাকে থাপ্পর দিলে ফাঁক দিয়ে চলে যায় তাকে গোল্লাছুট মশা বলে।
৭. যে মশা কামড় দিলে জ্বর হয় তাকে বিষাক্ত মশা বলে।
৮. যে মশা মশারির ভেতর ঢুকে কামড়ায় তাকে মূর্খ মশা বলে।
৯.যে মসা রক্ত খেয়ে উড়তে না পারে না তাকে পেটুক মশা বলে।


রোমান্টিক ছেলে

(৮৬) ছেলেপক্ষ গেছে মেয়েপক্ষের বাড়িতে। কথাবার্তার একপর্যায়ে ছেলে-মেয়েকে একান্তে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হলো।
মেয়ে : তো, কী সিদ্ধান্ত নিলেন?
ছেলে : সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমার একটা ইচ্ছা আছে।
মেয়ে : কী ইচ্ছা?
ছেলে : আপনার সঙ্গে একবার বৃষ্টিতে ভিজব।
মেয়ে : উফফ! আপনি কী রোমান্টিক!
ছেলে : ইয়ে মানে, আসলে ব্যাপার সেইটা না। আপনি যেই পরিমাণ ময়দা মেখেছেন, বৃষ্টিতে না ভিজলে আপনার আসল চেহারা দেখা যাবে না।


বল্টুর প্রযুক্তি

(৮৭) একবার বল্টু, এক আমেরিকান ও এক জাপানি প্লেনে বিদেশ যাইতেছিল। তো যেতে যেতে এক পর্যায়ে হঠাৎ কোথায় যেন বিপ বিপ শব্দ হল। তো আমেরিকান ভদ্রলোক তার হাতের এক যায়গায় চাপ দিতেই বিপ বিপ শব্দ থেমে গেল। আমেরিকান বলতেসে,"আমার হাতের নীচে মাইক্রোচিপ, এখান থেকেই আমার বাসার সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা যায়।" এবার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ ফোনের রিংটোন বেজে উঠলো। জাপানিজ ভদ্রলোক তার কপালে চাপ দিয়ে বলতেসে,"আমার কপালের নীচে মাইক্রোচিপ। চাপ দিলেই কল করা ও রিসিভ করা যায়।" বল্টু চিন্তা করতেসে কি করা যায়, এদের কাছে কিছুতেই হার মানা যাবেনা। তো সে উঠেই টয়লেটে চলে গেল এবং আসার সময় দেখা গেল তার প্যান্টের ভেতর থেকে পিছন দিক দিয়ে বিরাট লম্বা ট্যিসু পেপার ঝুলতেসে। আমেরিকান ও জাপানী তো এই দেখে বলতেসে,"আরে বাহহ, এ আবার কোন প্রযুক্তি?"
বল্টুর উত্তর,"ও কিছুনা, ই-মেইল আসছে, প্রিন্ট দিতেছি।"


পরীক্ষার হলে আমরা

(৮৮) এক্সাম হলে প্রশ্ন পাওয়ার পর ছাত্রদের মনের কিছু কথা...
ভালো ছাত্ররা-
ফার্স্ট বয়ঃ এত সোজা প্রশ্ন কেউ করে, সবাই তো ভালো করবে। ফার্স্ট আর থাকা হলো না।
সেকেন্ড বয়ঃ বাহ সব তো কমন। শালা ফার্স্ট বয় এত লেখে ক্যান, আল্লাহ ওর কলমডা ভাইংগা দাও।
থার্ড বয়ঃ আরে আজ তো অনেক লিখতে হবে। আজকে এক মিনিট সময় ও ব্যয় করা যাবে না। মুতার চাপ দিলেও বাহিরে যাওয়া যাবে না।
মাঝের সারির ছাত্ররা-
১ম জনঃ বাহ এক রাত পইরাই দেখি পাশ মার্ক কমন পরছে।
২য় জনঃ ওই বেডা সাফিক দেখতো কোনটা কোনটা পারছ।
৩য় জনঃ এইডা কিচ্ছু অইল! পড়লাম ৮ অধ্যায় পর্যন্ত, এখন দেখি এগারো অধ্যায়ের প্রশ্ন দিয়া রাখছে, ধুরর।
যারা খারাপ ছাত্র-
১ম জনঃ কখন যে এক ঘন্টা যাইবো এই দোজখে আর ভাল লাগতাছে না।
২য় জনঃ পরীক্ষার হল থেকে বের হয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস টা কি দেওয়া যায় একটু চিন্তা করি।
৩য় জনঃ স্যার কি আজকাল গাজা টানতাছে নাকি? এসব কি হিব্রু ভাষায় প্রশ্ন করছে?


ইমিটেশনের টিভি

(৮৯) স্বামী অফিস থেকে ফিরে সাহাস্যে বউকে বললেন – কাল তোমার জন্মদিন এই নেকলেসটা এনেছি। বৌ অনুযোগ করে বলে – কিন্তু তুমি বলেছিলে এবার একটা টিভি উপহার দিবে । স্বামীর উত্তর- হ্যাগো বলেছিলাম । কিন্তু ইমিটেশনের টিভি যে এখনো বাজারে পাওয়া যায় না ।


প্রাইভেট কার

(৯০) বল্টুকে এক কথায় প্রকাশ পড়াচ্ছে....
মাস্টার: বল দেখি বল্টু ,যে গান লেখে তাকে কী বলে ? বল্টু: গীতিকার
মাস্টার: যে সূর বাধে , সে ?
বল্টু: সূরকার.
মাস্টার: আচ্ছা , এবার বল ,যে প্রাইভেট পডায় তাকে কী বলে ? বল্টু: প্রাইভেট কার .


দাঁগ থেকে দারুন কিছু

(৯১) বাবা এবং মেয়ে এর মধ্যে কথা হচ্ছে–
বাবাঃ তুই পালিয়ে বিয়ে করে আমার বংশে দাঁগ লাগিয়ে দিলি!
মেয়েঃ দাঁগ থেকে যদি দারুন কিছু হয়, তবে তো দাঁগই ভালো!


খামাখাই দুটো টিকিট কিনেছিলাম

(৯২) কৃপণ এক লোক লটারিতে গাড়ি পেয়ে গেল। বন্ধুরা ছুটে এলো তাকে অভিনন্দন জানাতে, কিন্তু সে মুখ গোমড়া করে বসে রইল।
বন্ধুরাঃ কী ব্যাপার, লটারিতে গাড়ি পেয়েও তুমি মনমরা হয়ে বসে আছ কেন?
কৃপণ লোকঃ একটা বোকামি করে ফেলেছি, খামাখাই দুটো টিকিট কিনেছিলাম। একটা কিনলেই তো হতো।


কিপ্টা

(৯৩) এক কৃপন লোক কোন এক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেখল যে, এক মুমূর্ষ রোগীর জন্য রক্তের প্রয়োজন। তার গ্রুপের সাথে মিল থাকায়, সে পত্রিকায় দেয়া ঠিকানা মত ঐ রোগীর সাথে যোগাযোগ করল। । তো ঐ কৃপন লোক সেই রোগীকে ১ ব্যাগ রক্ত দিল। রোগী ভদ্রলোক সুস্থ্য হয়ে কৃপন লোকটিকে ১ লাখ টাকা দিল। এর কয়েক মাস পর ঐ রোগীর আবার রক্তের প্রয়োজন হওয়ায়, সে সেই কৃপন লোকটিকে খবর দিল। কৃপন লোকটি আরো ১ লাখ টাকার লোভে আবার ১ ব্যাগ রক্ত দিল। রক্ত দেয়ার পরে রোগী ভদ্রলোক তাকে ১০০ টাকার ১ টি নোট দিল। কৃপন লোকটি তাকে বললো, ভাই এর আগে রক্ত দেয়ার পর আমাকে ১ লাখ টাকা দিয়েছিলেন, আজ ১০০ টাকা কেনো ? উত্তরে লোকটি বললো, কি করবো ভাই, আমার শরীরে যে কৃপনের রক্ত ঢুকে গেছে।


ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ও উকিল!

(৯৪) কার পেশা আগে এসেছে—এ নিয়ে একজন ডাক্তার, একজন ইঞ্জিনিয়ার আর একজন উকিল খোশগল্পে মেতেছেন। ডাক্তার বললেন, ‘সবার আগে মানুষ এসেছে। আমরা মানুষের রোগ নিয়ে কাজ করি, তাই চিকিত্সা পেশাটাই সবচেয়ে প্রাচীন।’ প্রকৌশলী কিছুতেই মানতে রাজি নন, ‘কিন্তু মানুষ আসার আগে তো তাদের ঘরবাড়ি বানাতে হয়েছে নাকি! তাহলে তো ইঞ্জিনিয়ারই আগে আসে।’ এবার উকিলের পালা—‘তো মশাই, বাড়ি বানানোর আগে তো মামলা-মোকদ্দমা করে মানুষকে জমির মালিক হতে হয়েছে, তাই না? তাহলে এবার আপনারাই বলুন, কার পেশাটা আগে আসে


মেয়ে দেখা

(৯৫) এক লোক অনেক বছর ধরে বিয়ের জন্য মেয়ে দেখে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু কিছুতেই তার কোনো মেয়েকে পছন্দ হচ্ছে না। বছরের পর বছর ধরে সে মেয়ে দেখে বেড়াচ্ছে। অতঃপর এবার একটি মেয়ে দেখতে গেলে বাঁধে বিপত্তি। মেয়ের মা পাত্রকে দেখে অজ্ঞান হয়ে যায়। হুশ ফিরে আসার পর সবাই তাকে জিজ্ঞেস করলো, পাত্রকে দেখে বেহুঁশ হলে কেন? মেয়ের মা বললো, ২০ বছর আগে সে আমাকেও দেখতে এসেছিল!


বন্ধুর দেখা

(৯৬) অনেক দিন পর দুই বন্ধুর দেখা। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গল্পের এক ফাঁকে একজন আরেকজনকে বর্তমানে চাকরি কার কেমন চলছে জিজ্ঞেস করতেই -
প্রথম বন্ধু : আজই চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে এলাম।
দ্বিতীয় বন্ধু : কেন? এ কী বলিস তুই? কী হয়েছিল মালিকের সঙ্গে?
প্রথম বন্ধু : আর বলিস না, কোম্পানির এমডি ডেকে নিয়ে যা বললেন, তাতে আর ওই অফিসে কাজ করা যায় না।
দ্বিতীয় বন্ধু : অত সেন্টিমেন্টাল হোস কেন রে? চাকরি করতে গেলে বসদের একটু-আধটু কথা শুনতেই হয়। বল তো এমডি তোকে কী বলেছেন?
প্রথম বন্ধু : একটি পত্র হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, এ মুহূর্তে তোমাকে বরখাস্ত করলাম।


দরজার তালা

(৯৭) শামসু তার নিজের ঘরের দরজা খুলে মাথায় করে বাজারে নিয়ে যাচ্ছে! এই দেখে এক লোক জিজ্ঞেস করলো-
লোক : ভাই দরজা কি বিক্রি করবেন নাকি?
শামসু : না ভাই, দরজার তালা চেন্জ করবো চাবি হারাইয়া গেছে!
লোক : কিন্তু ঘরে যদি চোর ঢোকে?
শামসু : কীভাবে ঢুকবে? দরজা তো আমার কাছে!


চোরাকারবারি

(৯৮) চোরাকারবারি কাল্লু খাঁ তার সাগরেদকে ডেকে বললো, ‘যা তো দেখে আয় রাস্তায় কোনো পুলিশ আছে কি না।’ খানিক পরেই সাগরেদ একদল পুলিশ নিয়ে হাজির। বললো, ‘ওস্তাদ, রাস্তায় কোথাও পুলিশ পাইনি, তাই থানা থেকেই ডেকে নিয়ে এলাম!


রিকশাওয়ালার সাথে বিয়ে

(৯৯) গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড দুইজনেই পরীক্ষায় ফেইল করছে। লজ্জা না থাকায় সেই রাতেই দুজন ফোনে কথা বলতেছে।
মেয়ে: জান, আব্বু তো আমাকে বলছে যে পড়ালেখা বন্ধ! আমাকে নাকি রিকশাওয়ালার সাথে বিয়ে দেবে!
ছেলে: চিন্তা কইরোনা, আমার বাপেও আমারে পড়ালেখা ছাইড়া রিকশা চালাইতে কইছে!


হিন্দী সিরিয়াল

(১০০) একবার একজন তরুণী আলাদিনের চেরাগ পেল । ঘষা দিতেই দৈত্য হাজির। অতঃপর তরুণীর তিনটি ইচ্ছা-
১ম ইচ্ছা, আমাকে অনেক ধৈর্য্যশীল করে দাও ।
২য় ইচ্ছা, পৃথিবীর যত প্যাঁচ আর কূটনামি শেখার এবং বোঝার ক্ষমতা দাও।
৩য় ইচ্ছা, এমন কিছু দাও যা কোনোদিন শেষ হবে না ।

অতঃপর দৈত্যটা তাকে হিন্দী সিরিয়াল দেখতে বসিয়ে দিলো!