BANGLA JOKES - বাংলা কৌতুকের সেরা সংগ্রহ - সেরা-সংগ্রহ.কম
X

Monday, March 6, 2017

BANGLA JOKES - বাংলা কৌতুকের সেরা সংগ্রহ

BANGLA JOKES

বাংলা কৌতুকের সেরা সংগ্রহ


সবগুলো কৌতুক

সাহস পরীক্ষা

(১০১) মিলিটারিদের সাহস পরীক্ষা করছেন তাদের প্রধান। এক মিলিটারিকে দূরে দাঁড় করিয়ে রেখে মাথায় লেবু রেখে বন্দুক দিয়ে সেই লেবুটিকে গুলি করলেন। মিলিটারিটি একদম নড়লো না। লেবুটি ফেটে গিয়ে তার শার্টটিকে নষ্ট করে দিলো। তাদের প্রধান তাকে ৫০ টাকা দিয়ে বললেন, ‘সাবাস, এই টাকা দিয়ে সাবান কিনে শার্টটি ধুয়ে নিয়ো’। মিলিটারিটি বললো, তাহলে আরো ৫০ টাকা দিন, প্যান্টটিও ধুতে হবে!


ফোনে হুমকি

(১০২) বল্টু : হ্যালো, ইন্সপেক্টর সাব। ফোন করে আমাকে এক ব্যক্তি বারবার হুমকি দিচ্ছে!
ইন্সপেক্টর : কে হুমকি দিচ্ছে? কী বলছে?
বল্টু : টেলিফোন অফিস থেকে হুমকি দিচ্ছে। বলছে ১৫ তারিখের মধ্যে টাকা না দিলে ফোনের লাইন কেটে দেবে!


বীরত্বের পরিচয়

(১০৩) প্রেমিকা : যতদিন না তুমি একটা বীরের মতো কাজ করবে ততদিন আমি তোমাকে বিয়ে করবো না।
প্রেমিক : এই বাজারে তোমাকে বিয়ে করতে চাইছি, এটাই কি যথেষ্ট বীরত্বের পরিচয় নয়!


আসল জিনিস

(১০৪) পরিচালক : মাতলামির দৃশ্যটা ঠিক পারফেক্ট হচ্ছে না! আরেকটা টেক চাচ্ছি!
নায়ক : দৃশ্যটার জন্য যদি দয়া করে একটু আসল মদ দিতেন! কোকফোকে ঠিক ভাব আসছে না!
পরিচালক : আসল জিনিস তো দিতেই পারি কিন্তু পরের দৃশ্য যে বিষ পানের, তখন কী হবে?


ট্রেনে দুই ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথন

(১০৫) স্টেশনে থেমে থাকা একটি ট্রেনে দুই ব্যক্তির মধ্যে কথা হচ্ছে।
প্রথম ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলেন, ভাই, এটা কোন স্টেশন?
দ্বিতীয় ব্যক্তি বাইরের দিকে কিছুক্ষণ দেখে বললেন, এটা মনে হয় রেলস্টেশন।


Facebook Chat এর মজা না দেখলে মিস করবেন

(১০৬) মেয়েরা বিপদে না পড়লে কথা শোনেনা ...
আমি : হাই আপু......
মেয়ে : (No reply)
আমি : এই যে আপুনি....?
মেয়ে : (No reply)
আমি : আপু কি অনেক বিজি?
মেয়ে : (No reply)
(৫ মিনিট পর....). ..
আমি : আপু আপনার সাথে আড্ডা দিতে চাইনা। শুধু একটা কথা জানতে চাই, আপনার বয়ফ্রেন্ড আমার গার্ল ফ্রেন্ডকে ডির্স্টাব করে কেন? এসবের মানে কি?...... হু !
মেয়ে : What ???
আমি : (No reply)
মেয়ে : হ্যালো,ভাইয়া......
আমি : (No reply)
মেয়ে : প্লিজ ভাইয়া রিপ্লাই দিন....
আমি : (No reply) এই দেখ আমরা ছেলেরা ও পারি তোদের মত....


মিষ্টি মেয়ে

(১০৭) ঘটক : আপনার ছেলের জন্য খুব মিষ্টি একটা মেয়ে পেয়েছি
অভিভাবক : তাহলে তো ওই মেয়েতে আমাদের হবে না
ঘটক : কেন হবে না
অভিভাবক : আমাদের ছেলের ডায়াবেটিস আছে তো তাই!


লিঙ্গ কাকে বলে?

(১০৮) স্যার একদিন ক্লাসে ছাত্রদের পরাচ্ছেন পড়াতে পড়াতে একসময় বল্টুকে জিজ্ঞেস করলো ____
স্যার :বল্টু বলোতো পানি কোন লিঙ্গ
বল্টু :তরল লিঙ্গ
স্যার :গাধা
বল্টু :পশু লিঙ্গ
স্যার :বেয়াদব _____
বল্টু :আচরণ লিঙ্গ
স্যার :স্টপ ...?
বল্টু :ধমক লিঙ্গ
স্যার :গেট আউউউটট ...!
বল্টু : সরি স্যার,,,,,,,, অপমান লিঙ্গ


স্বামী স্ত্রী ঝগড়া শেষে

(১০৯) স্বামী স্ত্রী ঝগড়া শেষে-
স্বামী : কোথায় যাচ্ছ?
স্ত্রী: সুইসাইড করতে।
স্বামী : এত মেকআপ কেন?
স্ত্রী : ওম্মা, কাল সকালে পত্রিকায় আমার ছবি ছাপা হবেনা!


অর্ধেক ভাড়া

(১১০) হাবলু: কত হয়েছে ভাড়া?
সিএনজি ওয়ালা: ১২০ টাকা
হাবলু: এই নাও ৬০ টাকা
সিএনজি ওয়ালা: মানে! ৬০ টাকা কেন? এটা কোন অন্যায়?
হাবলু: অন্যায় মানে! তুমিও তো বসে এসেছ না? অর্ধেক ভাড়া তাহলে তোমার! তোমারটা আমি কেন দিবো?


GPA 5 মানে কি?

(১১১) বাবা : কী রে, তোর না আজকে রেজাল্ট দেওয়ার কথা?
ছেলে : জি, বাবা দিছে তো!
বাবা : তা কী পাইছিস?
ছেলে : বাবা, GPA 5 পাইছি!
বাবা : এর মানে কী?
ছেলে : এর মানে হচ্ছে G=golla, P=paici, A=ami, 5 subject এ।।


রেজাল্ট

(১১২) গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড দুইজনেই পরিক্ষায় ফেইল করছে। লজ্জা না থাকায় সেই রাতেই দুজন ফোনে কথা বলতেছে।
মেয়ে: জান, আব্বু তো আমাকে বলছে যে পড়ালেখা বন্ধ! আমাকে নাকি রিকশাওয়ালার সাথে বিয়ে দিবে!
ছেলে: চিন্তা কইরোনা, আমার বাপেও আমারে পড়ালেখা ছাইড়া রিকশা চালাইতে কইছে!!

 [ads-post]
বাশ মারা খাওয়া

(১১৩) এক লোক তোষক কিনে কাঁধে করে বাড়ি ফিরছে, পথে এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা ,
"কিরে কত নিল?"
"দেড় হাজার টাকা"
"খাইছস তো বাঁশ! এক হাজার টাকার বেশি এইটার দাম হইতেই পারে না!"
কিছুদূর এগুতেই আরেকজন দাম জিজ্ঞেস করল । লোকটি এবার আর লজ্জা পেতে চাইল না, বলল এক হাজার টাকা । "দিছে তো তোরে বাঁশ দিয়া! আমার শালা পরশু ছয়শ টাকা দিয়া কিনছে!" একটু পর যখন আরেক বন্ধু জিজ্ঞেস করল "কিরে কোথা থেকে আসলি?" তখন লোকটি রেগেমেগে বলল "বাঁশ মারা খাইয়া আসলাম”।


এরশাদ চাচ্চু

(১১৪) আমাদের এরশাদ কাকু গেছেন আমেরিকার সমুদ্র সৈকতে রৌদ্র স্নান করতে। একজন এসে জিজ্ঞাসা করল,"Are you relaxing?" উনি উত্তর দিলেন, '' no. i am Ershad'' এভাবে বেশ কয়েকজন উনাকে একই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করল! উনি বিরক্ত হয়ে উঠে চলে যাবেন ঠিক তখনই কিছুটা দূরে দেখলেন বারাক ওবামাকে! উনি যেয়ে ওবামা কে জিজ্ঞেস করলেন, "Are you relaxing?" ওবামা জবাব দিলেন, "Yes i am." সাথে সাথে এরশাদ কাকু, ওবামা'র গালে কইশ্যা কয়েকটা থাপ্পর মাইরা কইলেন: "আরে বেটা!! তোরে ঐদিকে সবাই খুইজা মরতাছে!! আর তুই কিনা এইখানে বইসা কেলাইতাছোস !!!


ছাগল চুরি

(১১৫) এক মাতাল বন্ধুদের সাথে পিকনিক করার জন্য নিজের বাড়ি থেকেই ছাগল চুরি করে নিয়ে গেল। রাতভর খুব আনন্দ করলো । খুব মজা করে খাওয়া দাওয়া করলো সবাই। সকালে বাড়িতে ফিরে দেখলো ছাগল বাড়িতেই আছে! স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করল, `ওই, ছাগল আইলো কই থিকা?
স্ত্রী : আরে রাখো তোমার ছাগল। তার আগে কও, কাল রাইতে তুমি চোরের মত আমার কুত্তাডারে লইয়া কই গেছিলা?


পরীক্ষার হলে

(১১৬) মা : নালায়েক! তুই আবার ফেল করেছিস? পাশের বাসার রুমকীকে দেখ, কত্ত ভালো রেজাল্ট করেছে ও!
ছেলে : ওকে আর নতুন করে কী দেখব? পরীক্ষার হলে বসে বসে ওকে দেখছিলাম বলেই তো আজ এই দশা!


পোকা মারার বিষ

(১১৭) ছেলে : বাবা বাবা! ভাইয়া না একটা পোকা খেয়ে ফেলেছে!
বাবা: বলিস কী! সর্বনাশ হয়ে গেছে!
ছেলে: ভয় পেয়ো না বাবা, আমি সঙ্গে সঙ্গে ভাইয়াকে পোকা মারার বিষ খাইয়ে দিয়েছি!


চায়না কোম্পানি

(১১৮) শিক্ষক : `I love You` কথাটি কে আবিষ্কার করেছে?
ছাত্র : স্যার, চায়না কোম্পানি।
শিক্ষক : কীভাবে!
ছাত্র : এর কোনো গ্যারান্টি নেই, কোয়ালিটিও নেই। টিকলে সারাজীবন টিকে যায়, না টিকলে ২ দিনও টিকে না!


কিছু হইলো?

(১১৯) একবার এক কৃষকের ঘোড়া অসুস্থ হয়ে পড়লো। চিকিতসার জন্য কৃষক এক পশুর ডাক্তারকে ডেকে আনলো। ডাক্তার ঘোড়াটিকে ভালোকরে পরীক্ষা করে বলল---"আপনার ঘোড়াটা খুবই সিরিয়াস রোগে আক্রান্ত। আমি তিন দিন ঔষধ দিয়ে দেখব, যদি সেরে যায় তাহলে তো ভালো, নইলে এই ঘোড়াটাকে মেরে ফেলতে হবে। কারণ ওর এটা খুব সংক্রামক রোগ, ওর দেহ থেকে এই রোগটা অন্য প্রাণীর শরীরে সংক্রামিত হতে পারে।" ডাক্তারের এইসব কথা পাশে দাড়িয়ে থাকা একটা ছাগল শুনলো। পরের দিন ডাক্তার এলেন, ঘোড়াকে ঔষধ দিয়ে চলে গেলেন। ডাক্তার যাওয়ার পর ছাগলটি ঘোড়াকে গিয়ে বলল--"উঠো বন্ধু, হিম্মত রাখো, নইলে তোমাকে মেরে ফেলা হবে।"
পরের দিন আবার ডাক্তার এলেন, ঘোড়াকে ঔষধ দিয়ে চলে গেলেন। ছাগলটি আবার ঘোড়ার কাছে গিয়ে বলল--"বন্ধু, তোমাকে উঠতেই হবে, হিম্মত হারিয়ে ফেললে তোমাকে মেরে ফেলা হবে। আমি তোমাকে মদত করছি, তুমি উঠো।" তৃতীয় দিন ডাক্তার এসে কৃষককে বললেন--"আমার খুব কষ্ট হচ্ছে যে এই ঘোড়াটাকে মেরে ফেলতে হবে ভেবে, কারণ তিন দিনের চিকিতসার পর আমি ওর কোন উন্নতি টের পেলাম না।"
ডাক্তার যাওয়ার পর ছাগলটি ঘোড়ার কাছে এসে বলল--"দেখো বন্ধু, তোমার জন্য এখন 'করো অথবা মরো' স্থিতি প্রস্তুত হয়ে গেছে। তাই আজ যদি তুমি না উঠ, কাল তুমি মরে যাবে। এজন্য বলছি, হিম্মত হারিও না এই তো বেশ...আর একটু....বন্ধু, তুমি পারবে ...সাবাশ..এখন জোরে খুব জোরে দৌড় দাও...সাবাশ.....
এই সময় কৃষক এসে দেখলো তার অসুস্থ ঘোড়াটা দৌড়ছে। কৃষক খুশিতে উন্মত্ত হয়ে উঠল। সে আশ পাশের সবাইকে একত্রিত করে চেঁচিয়ে বলল,
"চমতকার হয়ে গেছে, আমার ঘোড়া ঠিক হয়ে গেছে,...আমি এটা সেলিব্রেট করব। আজ আমরা আমার ছাগলের মাংস খাব


রেডিও স্টেশনে কল

(১২০) বল্টু এফএম রেডিও স্টেশনে কল করল, `হ্যালো, এটা কী এফএম ৯৭.৫?`
আরজে : জ্বী, বলুন।
বল্টু : আমার কথা কি পুরো শহরে শোনা যাচ্ছে?
আরজে : হ্যাঁ, সবাই শুনতে পাচ্ছে বলুন।
বল্টু : তার মানে আমার বোন যে রেডিও শুনছে, সেও শুনতে পাচ্ছে?
আরজে : (রাগতস্বরে) আরে বেকুব হ্যাঁ।
বল্টু : হ্যালো পিংকি, যদি আমার কথা শুনতে পাস তাহলে জলদি পানির মোটর চালু কর। আমি টয়লেটে বইসা আছি আর পানি শেষ। তোর নাম্বারটাও বন্ধ। জলদি কর!


আমি খাইয়ালাইছি

(১২১) স্যারঃ ওই আবুইল্লা তোর হোমওয়ার্ক কই..?
আবুলঃ স্যার আমার হোমওয়ার্কের খাতাটা আমাদের বাড়ির কুত্তাটা খায়া ফেলছে তাই আনতে পারি নাই।
স্যার আবুলকে বসিয়ে দিল। এটা দেখে বল্টুও স্যারের হাত থেকে বাঁচার জন্য বুদ্ধি করলো
স্যারঃ ওই বল্টু তোর হোমওয়ার্ক কই..?
বল্টুঃ স্যার আমার হোমওয়ার্কের খাতাটা আমি খায়া ফেলছি।
স্যারঃ কি !! তুই খাইছস কেন..?
বল্টুঃ কি করমু স্যার,
আমগো বাড়িতেতো কুত্তা নাই।


শুভ কাজের আগে মিষ্টি মুখ

(১২২) বল্টু আর তার স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়ার পর-
বল্টুর স্ত্রী : এবার কিন্তু আমি তোমাকে ডিভোর্স দিতে বাধ্য হবো!
বল্টু : এই নাও চকোলেট খাও।
বল্টুর স্ত্রী : থাক থাক, আর রাগ ভাঙাতে হবে না।
বল্টু: না রে পাগলি, শুভ কাজের আগে একটু মিষ্টি মুখ করতে হয়!


লোডশেডিং চলতাসে

(১২৩) এক পাগলা গারদে এক পাগল ছাদের সাথে দড়ি লাগিয়ে ঝুলছিল। তা দেখে ডাক্তার জিজ্ঞেস করলেন, ওই পাগল, তুই ঝুলিস কেন?
পাগল : আমি তো বাল্ব!
ডাক্তার : তাহলে তুই জ্বলিস না কেন?
পাগল : (মুচকি হেসে) আরে পাগলের পাগল, তুই কোন্ দেশে আছস? ভুইলা গেছস এইটা বাংলাদেশ! এখন লোডশেডিং চলতাসে, তাই জ্বলতে পারতাছি নারে ভাই!!


মস্তিষ্ক-বিকৃতি

(১২৪) অপু ও নাছের দুই বন্ধু। একই অফিসে চাকরি করে।
অপু : দোস্ত, কত দিন ধরে ছুটি পাই না। কাজ করতে করতে হাঁপিয়ে উঠেছি। কিন্তু বস তো কিছুতেই ছুটি দেবেন না।
নাছের : হুম্! আমিও হাঁপিয়ে উঠেছি। কিন্তু আমি বসের কাছ থেকে ছুটি নিতে পারব, দেখবি?
বলেই নাছের টেবিলের ওপর উঠে দাঁড়াল এবং ছাদ থেকে বেরিয়ে আসা একটা রড ধরে ঝুলতে শুরু করল। কিছুক্ষণ পর বস এলেন।
বস : এ কী নাছের! তুমি ঝুলে আছ কেন?
নাছের খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলল, 'স্যার, আমি লাইট, তাই ঝুলে আছি।'
বস ভ্রু কুঁচকে তাকালেন। কিছুক্ষণ ভেবে বললেন, 'অতিরিক্ত কাজের চাপে তোমার মস্তিষ্ক-বিকৃতি দেখা দিচ্ছে। তুমি বরং এক সপ্তাহের ছুটি নাও।'
নাছের অপুর দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে রুম থেকে বিদায় নিল।
অপু চেয়ে চেয়ে দেখল। নাছের বেরিয়ে যেতেই সেও নাছেরের পিছু নিল।
বস : সে কী! ছুটি তো ওকে দিয়েছি! তুমি কোথায় যাচ্ছ?
অপু : কী আশ্চর্য! লাইট ছাড়া কাজ করব কী করে?


এনিম্যাল ফার্ম

(১২৫) এক তরুণ 'এনিম্যাল ফার্মে' চাকরি পেয়ে কাজে যোগ দিল। কিন্তু কিছুদিন পরেই সে ফিরে এলো।
- কিরে, ফিরে এলি যে?
- না, আসলে প্রথম দিন আমাদের ফার্মে যখন একটা মুরগি মারা গেল, আমরা সেই রাতে চিকেন রোস্ট খেলাম। যখন একটা ছাগল মারা গেল, তখন খাসির রেজালা খেলাম। কিন্তু যখন ম্যানেজার মারা গেল, তখন আর ঝুঁকি নিলাম না!