বাংলা জোকস - পর্ব ৭ - সেরা-সংগ্রহ.কম
X

Tuesday, March 7, 2017

বাংলা জোকস - পর্ব ৭

বাংলা জোকস


সবগুলো কৌতুক

স্বামীর পেটে একটা ইঁদুর ঢুকে গেছে

(১৫১) দৌড়ে ডাক্তারের কাছে এসে এক ভদ্র মহিলা জানালেন তার স্বামীর পেটে একটা ইঁদুর ঢুকে গেছে। ভয় নেই, ডাক্তার অভয় দিলেন। আপনার স্বামীর মুখের কাছে একটা শুঁটকি নাড়তে থাকুন, ইঁদুর বের হয়ে আসবে। আমিও এসে যাচ্ছি কিছেক্ষণের মধ্যে। বাড়ীতে গিয়ে ডাক্তার সাহেব দেখলেন ভদ্রমহিলা তার স্বামীর মুখের সামনে এক বাটি দুধ ধরে চুকচুক করছেন। কি ব্যাপার ?
ডাক্তার বিরক্ত হয়ে বললেন, ইঁদুর কখনো দুধ খায় ? আপনাকে না শুঁটকি নাড়তে বলেছি। তা বলেছেন। ভদ্রমহিলার উত্তর, কিন্তু
ইঁদুরটা ধরার জন্য যে ওর পেটে আমি বেড়াল ঢুকিয়ে দিয়েছি।


তোর আব্বা

(১৫২) ১ম বন্ধু: কিরে তোর আব্বা না দাতের ডাক্তার ? তোর ভাই দাঁত ছাড়া জন্ম নিলো ক্যান্ ?
২ইয় বন্ধু : তোর আব্বায় ও তো টেইলার , তাইলে তোর ভাই লেংটা জন্ম নিলো ক্যান্


বেণী আজ একটা কেনো?

(১৫৩) এক মাতাল একদিন অনেক মদ খেয়ে মাতাল হয়ে বাড়িতে ঢুকল| কিন্তু সে ঘরে না ঢুকে ভুল করে গোয়াল ঘরে ঢুকে পড়ল | তারপর গরুর লেজ ধরে বলল
কিগো ময়নার মা , প্রতিদিন দুটো বেণী কর , আজ একটা কেনো?


রাতে ভালো ঘুম হয়েছে তো?

(১৫৪) হোটেল ম্যানেজার >> স্যার, রাতে ভালো ঘুম হয়েছে তো?
বল্টু >> খুব! আপনার হোটেলের মশা এমন শক্তিশালী যে আমাকে প্রায় উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছিল ভাগ্যিস খাটে ছারপোকা ছিল। ওরা আমাকে টেনে ধরে না রাখলে সকালে আমাকে হয়তো অন্য কোথাও পেতেন!


সি সি সি সিগারেট খাও তোমার বাবা মা জানে?

(১৫৫) মিসেস রহমান দেখলেন তার পাশের বাসার পিচ্চি ছেলেটা গলির মোড়ে দাড়িয়ে সিগারেট ফুকছে। তিনিতো রেগে কাই। তোতলাতে তোতলাতে বললেন - এ এ এই পিচ্চি... তুমি যে সি সি সি সিগারেট খাও তোমার বাবা মা জানে? ছেলেটা একটুও না চমকে বলল - আর আপনি যে চান্স পেলেই পর পুরুষের সাথে কথা বলেন সেটা আপনার স্বামী জানেতো?


তার বাবা কেন পারেনি

(১৫৬) বাবা ছেলেকে- তুই সব সময় এতো বেশি বুঝিস কেনরে? তোর কি ধারনা তুই আমার চেয়ে বেশি জানিস? মনে রাখিস আমি কিন্তু তোর বাবা। বাবারা সবসময়ই ছেলেদের চেয়ে বেশি জানে বুঝলি?
ছেলে- আচ্ছা বাবা, বাষ্পীয় ইঞ্জিন যেন কে আবিষ্কার করেছিল?
বাবা- জেমস ওয়াট। কেন?
ছেলে- তো তার বাবা কেন পারেনি।


পেপসিতে বিষ

(১৫৭) বল্টু একদিন রেষ্টুরেন্ট একটি পেপসি বোতল সামনে রেখে উদাস হয়ে বসেছিল. একটু পর তারএক বন্ধু তার কাছে এলো এবং পেপসি টা খেয়ে ফেললো.
তারপর সে বল্টুকে বললো, কিরে সালা এতো উদাস কেন তুই ???......
আজ ভাগ্য টাই খারাপরে দোস্ত ..GF এর সাথে সকালে Break up হলো... এরপর রাস্তায় গাড়ি টা নষ্ট
হয়ে যাওয়াতে অফিসে যেতে let হয় তাই boss আমাকে চাকরি থেকে আউট করে দেয়. এরপর মনের দুঃখে আত্তহত্যা করার জন্য পেপসিতে বিষ মিশালাম, তাও আবার তুই এসে খেয়ে ফেললি !!


১ জায়গায় বার বার গেলে দাম কমে যায়

(১৫৮) বাবাঃ বুঝলি খোঁকা ১ জায়গায় বার বার গেলে দাম কমে যায় ।
. খোঁকাঃ সে জন্যই তো আমি প্রতিদিন স্কুল এ যাই না, তুমি তো সেটা বোঝো না ।


বন্ধুর মুখে গোবর দিন !

(১৫৯) দুই বন্ধুর মধ্যে কথোপকথনঃ
১ম বন্ধুঃ ওই শোন,তোর ডাইরিটা না, তোকে না বলে আমি পড়ে ফেলেছি।।
২য় বন্ধুঃ কি বললি!! পড়েছিছ?
১ম বন্ধুঃ হ্যাঁ, তুই কি আমার ওপর রাগ করেছিস?
২য় বন্ধুঃ হুম....
১ম বন্ধুঃ তাহলে মুখের মধ্যে শুকনা গোবর নিয়ে আমার ওপর ছুড়ে মার!!!
লোল রে Lol!!!!


যখন দামাদামী ১০০০ এ পৌছবো

(১৬০) ২ বান্ধবী ট্রেনে যাচ্ছিল ৷ তারা গল্প করছে :
: তোর কেমন স্বামী চাই ?
: কোটিপতি
: যদি কোটিপতি না পাস ?
: ৫০ লাখওয়ালা ২ জন হইলেও চলবে৷
: যদি ৫০ লাখওয়ালা ২ জন না পাস ?
: তাইলে ২৫ লাখওয়ালা ৪ জন হইলেও চলবে ৷
তাদের কথা শুনে উপরের সিটের তখন যাত্রী বলে উঠল : ম্যাডাম, যখন দামাদামী ১০০০ এ পৌছবো তখন আমারে জাগায়া দিয়েন ৷


কবে আপনি মেহেদী লাগাবেন?????

(১৬১) এক মেয়ে পুলিশ স্টেশন-এ গিয়েছে মামলা করতে
পুলিশ অফিসার : ম্যাডাম আপনার PROBLEM টা কি???
মেয়ে : এক লোক আমায় RAPE করেছে.
অফিসার : RAPE করার সময় আপনি বাঁধা দিলেন না কেন???
মেয়ে : কি করে দেব আমার দুইহাতে- তো মেহেদী লাগানো ছিল....!!!!!!!
অফিসার কিছুক্ষণ চিন্তা করার পর বলল, আবার কবে আপনি মেহেদী লাগাবেন?????


মামুনি কে বল Complan খাওয়াতে

(১৬২) একটা মেয়ে ফ্যানের সাথে ওড়না ঝুলিয়ে গলায় ফাঁস নিচ্ছিল ৷ কাশেম সেটা জানালা দিয়ে দেখে চিত্কার করে বলল
"শুধু ঝুলে থাকলেই লম্বা হওয়া যায়না , মামুনি কে বল Complan খাওয়াতে ৷


সিনেমা হলে পেপসির বোতলে

(১৬৩) আবুল সিনেমা হলে সিনেমা দেখছে। আবুলের পাশের সিটে বসেছে এক বুড়ো। ঐ বুড়োর হাতে একটা ছোট পেপসির বোতল। বুড়ো ৫ মিনিট পরপর বোতলে চুমুক দিচ্ছে। সিনেমায় দুর্দান্ত এ্যাকশন চলছে। কিন্তু একটু পরপর বুড়ো পেপসির বোতলে চুমুক দেওয়ায় আবুলের খুব ডিসটার্ব হচ্ছে। এভাবে অনেকক্ষণ চলার পরে আবুল বিরক্ত হয়ে বুড়োর হাত থেকে পেপসির বোতলটা কেড়ে নিয়ে বললঃ এটুকু খেতে এতবার চুমুক দিতে হয়?
এই দেখেন,কিভাবে খেতে হয় !! এই বলে সে এক চুমুকে বোতলের বাকি পেপসি টুকু খেয়ে ফেলল। বুড়ো ভীষণ অবাক হয়ে বলল ↓↓↓
একি করলে বাবা !!
আমিতো পেপসি খাচ্ছিলাম না !!
ঐ বোতলে একটু পর পর পানের পিক ফেলছিলাম !!
 [ads-post]

টিফিন খেয়ে ফেলেছি

(১৬৪) স্কুলের এক টিচার টিফিন টাইমে তারএকস্টুডেন্ট বল্টুর টিফিন খেয়ে ফেলেছে!!!
টিচারঃ আমি যে, তোমার টিফিন খেয়ে ফেলেছি তুমি কিন্তু বাসায় গিয়ে তোমার মা-কে বলব না।
বল্টুঃ জ্বি স্যার, আপনার কথা বলবনা। বলব একটা কুত্তা আমার টিফিন খেয়েফেলেছে!!


টর্চলাইট জ্বালাইয়া খুজতেসে!!

(১৬৫) রাতের বেলা চান্দু ঘুমাতে গেলো!! মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হয়ে সে মশারি টানালো!! কিন্তু ভুলক্রমে একখানা জোনাকি পোকা মশার ভিতর ঢুকে পড়ল!! বাতি নিভানোর পরে চান্দু যখন জোনাকিটা দেখিল তখন হাহাকার করে উঠে বললঃ . . . . . "হায় হায়!! মশা তো আমারে টর্চলাইট জ্বালাইয়া খুজতেসে!! আমি এখন কই যাই??"


আমরা ইস্ত্রি করি কেন?

(১৬৬) এক দুষ্টু পিচ্চি ছেলে এসে তার মাকে বললঃ আমরা ইস্ত্রি করিকেন?
মাঃ কোঁচকানো জিনিস প্লেইন করার জন্য। একটু পরে পিচ্চির দাদীর রুম থেকে ভয়ংকর একটা চিৎকার শোনা গেল !! পিচ্চির মা রান্নাঘর থেকে বললঃ কি হয়েছে ??
পিচ্চি উত্তর দিল ↓↓↓
দাদীর গাল দুটো ইস্ত্রি করছি !!!


এই জন্যই মানুষ তোমারে নিয়া জোকস বানায়!

(১৬৭) আবুল সাহেবের ছেলে তাকে বলছেঃ আচ্ছা বাবা ধর, তুমি সকালে হাঁটতে বের হয়েছ, পার্কের নির্জন রাস্তায় হেঁটে যাচ্ছ. . .
এমন সময় তুমি দেখলে রাস্তার মাঝে একটা চকচকে নতুন একশ টাকার নোট, একটা পুরনো পাঁচশ টাকার নোট আর একটা আরও পুরনো এক হাজার নোট পড়ে রয়েছে, তুমি কোনটা তুলে নেবে??
আবুল সাহেবঃ উম্ম্ম. . . . .
এক হাজার টাকার নোট, পুরনো হলেও টাকা তো টাকাই!!
ছেলেঃ এই জন্যই মানুষ তোমারে নিয়া জোকস বানায়! তিনটাই তো নিতে পার!


তুই যদি ৬টা বলতি তাহলে একটা জোকস হত..

(১৬৮) ছেলে: তুমি খালি পেটে কয়টা আপেল খেতে পারবে??
মেয়ে : ৬টা
ছেলে : তুমি একটার বেশি খেতে পারবে না, কারন একটা আপেল খেয়ে ফেলার পর তোমার পেট তো আর খালি থাকবেন না.
মেয়ে : ওয়াও!! খুব সুন্দর জোকস.
আমি কাল আমার বান্ধবিকে এটা বলব.
মেয়ে তারপর দিন তার বান্ধবি কে বলতেছে-
মেয়ে : তুই খালি পেটে কয়টা আপেল খেতে পারবি??
বান্ধবি: ১০টা.
মেয়ে : ধুৎ, তুই যদি ৬টা বলতি তাহলে একটা জোকস হত..


একটি গাড়ি খুব ধীর গতিতে চলছে

(১৬৯) হাইওয়েতে একটি গাড়ি খুব ধীর গতিতে চলছে দেখে হাইওয়ে পুলিশ আটকালো । এভাবে চললে পিছনের গাড়ির ধাক্কা খেয়ে বিরাট দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে ।
পুলিশ বললো-“আপনি মাত্র ১৫ কিলোমিটার গতিবেগে গাড়ি কেন চালাচ্ছেন?”
লোক-“হাইওয়ের শুরুতেই গতিসীমা লেখা ছিলো ১৫ ।”
পুলিশ বললো-“ওটা গতিসীমা নয়, ওটা হাইওয়ের নাম্বার…অর্থাৎ এটা ১৫ নাম্বার হাইওয়ে ।”
লোক- “ওহ ! তাহলে তো ভুল হয়ে গেছে । আচ্ছা, এখন থেকে আমি স্বাভাবিক গতিতে চালাবো ।”
পুলিশ বললো- “আপনার গাড়ির পিছনের সিটে দু’জনকে দেখতে পাচ্ছি, তারা শূণ্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে… অল্প অল্প কাঁপছে…মনে হচ্ছে খুব শক্ পেয়েছে… কী ব্যাপার ?”
লোক-“না মানে…
একটু আগে ৩১০ নাম্বার হাইওয়ে পার হয়ে আসলাম তো…”


যখন ঘুমাবে তখন বাজাবো

(১৭০) ছেলেঃ বাবা আমাকে ১টা ঢোল কিনে ডিবে
বাবাঃ না, তুমি সবসময় ঢোল বাজিয়ে বিরক্ত করবে
ছেলেঃ সব সময় বাজাব না সবাই যখন ঘুমাবে তখন বাজাব


সেজন্যইতো বাবা আমাকে...!!!

(১৭১) মা দেখলো ছেলে গাল চেপে ধরে কাঁদছে।
বলল - কিরে কাঁদিস কেন?
ছেলে- বাবা দেয়ালে পেরেক মারতে গিয়ে আঙুলে ব্যাথা পেয়েছে।
মা- তো এতে কাদার কি আছে? বাবা বড় মানুষ না, এটুকু ব্যাথায় তার কিছু হয়?
ছেলে- আমিতো প্রথমে হেসেইছিলাম... সেজন্যইতো বাবা আমাকে...!!!


মানসিক হাসপাতালের এক রোগী

(১৭২) মানসিক হাসপাতালের এক রোগী একমনে কী যেন লিখছেন। চুপি চুপি পেছনে এসে দাঁড়ালেন ডাক্তার। বললেন, কী হে, চিঠি লিখছেন নাকি?
রোগী: হু।
ডাক্তার: কাকে লিখছেন?
রোগী: নিজেকে।
ডাক্তার: বাহ্! ভালো তো। তা কী লিখলেন?
রোগী: আপনি কি পাগল নাকি মশাই? সবে তো চিঠিটা লিখছি। চিঠি পাঠাব, দুদিনবাদে চিঠিটা পাব, খুলে পড়ব। তারপর তো বলতে পারব কী লিখেছি!


জীবনে প্রথম জেব্রাকে দেখে এক ঘোড়া প্রশ্ন করল

(১৭৩) জীবনে প্রথম জেব্রাকে দেখে এক ঘোড়া প্রশ্ন করল আরেক ঘোড়াকে, ‘ওটা আবার কে?’ ওটাও ঘোড়া। জেলখানায় ছিল নিশ্চয়ই। মনে হয় পালিয়েছে, তবে পোশাক পাল্টানোর সময় পায়নি এখনো।’


চাঁপা বাজের চাঁপা বাজি

(১৭৪) ১মঃ চাঁপাবাজ আমার দাদুর অনেক গুলো গরু ছিল যা চড়াইতে ৩-৪ টা মাঠের দরকার পরত..…
২য়ঃ চাঁপাবাজ আমার দাদু বাঁশ দিয়ে মেঘ সরিয়ে রোদে ধান শুকাত
১মঃ চাঁপাবাজ তুই মিথ্যা কথা বলতেছ, তোর দাদু এত বড় লম্বা বাঁশ কোথায় রাখতরে?
২য়ঃ চাঁপাবাজ কেন? তোর দাদুর গোয়ালে...


ছোট বউয়ের সাথে প্রেম করে বড় বউকে বিয়ে

(১৭৫) এক কৃষকের দুই বউ। পাশের বাড়ির এক যুবক দুই বউয়ের প্রেমে পড়ে গেল। বড় বউয়ের কাছে প্রেম নিবেদন করতেই বড় বউ তাকে ঝাঁটাপেটা করে তাড়ালো। এরপর সে ছোট বউকে প্রেম নিবেদন করলো। ছোট বউ সঙ্গে সঙ্গে রাজি। চলতে লাগলো তাদের গোপন অভিসার। পাড়াপড়শীরাও জেনে গেল ব্যাপারটা। তো একদিন কৃষকটা মারা গেল। আর যুবকটি বিয়ে করে ফেললো বড় বউকে। সবাই অবাক। ছোট বউয়ের সাথে প্রেম করে বড় বউকে বিয়ে করার কারন জিজ্ঞাসা করলো সবাই। তখন যুবক বিজ্ঞের মতো সবাইকে জানালো— "পরপুরুষ কে ঝাটা মারতে পারে এমন বউই তো দরকার।"

Post Top Ad


Download

click to begin

6.0MB .pdf