বাংলা কৌতুক - পর্ব ৮ - সেরা-সংগ্রহ.কম
X

Tuesday, March 7, 2017

বাংলা কৌতুক - পর্ব ৮

BANGLA JOKES

বাংলা কৌতুক


ছোট বউয়ের সাথে প্রেম করে বড় বউকে বিয়ে

(১৭৫) এক কৃষকের দুই বউ। পাশের বাড়ির এক যুবক দুই বউয়ের প্রেমে পড়ে গেল। বড় বউয়ের কাছে প্রেম নিবেদন করতেই বড় বউ তাকে ঝাঁটাপেটা করে তাড়ালো। এরপর সে ছোট বউকে প্রেম নিবেদন করলো। ছোট বউসঙ্গে সঙ্গে রাজি। চলতে লাগলো তাদের গোপন অভিসার। পাড়াপড়শী রাও জেনে গেল ব্যাপারটা। তো একদিন কৃষকটা মারা গেল। আর যুবকটি বিয়ে করে ফেললো বড় বউকে। সবাই অবাক। ছোট বউয়ের সাথে প্রেম করে বড় বউকে বিয়ে করার কারন জিজ্ঞাসা করলো সবাই। তখন যুবক বিজ্ঞের মতো সবাইকে জানালো— "পরপুরুষ কে ঝাটা মারতে পারে এমন বউই তো দরকার।"


তবুও তোমাকে পেতনীর মত লাগতাছে

(১৭৬) ছেলেঃ তুমি খুব সুন্দর একটা শাড়ি পড়েছ।
মেয়েঃ জি ধন্যবাদ।
ছেলেঃ লিপস্টিক এবং মেকআপও অনেক ভাল করেছ।
মেয়েঃ জি ধন্যবাদ।
ছেলেঃ অনেক জমকালো গয়নাও পড়েছ সুন্দর করে
মেয়েঃ (একটু ভাব নিয়ে) ধন্যবাদ ভাইয়া।
ছেলেঃ তবুও তোমাকে পেতনীর মত লাগতাছে।


গায়ে লাগলে খুশিতে বউ হাসে

(১৭৭) এক বাসায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সারাদিন ঝগড়া চলে। অথচ, তাদের পাশের বাসায় দিন-রাত হাসির শব্দ শোনা যায়। একদিন ঐ স্বামী পাশের বাসার ভদ্রলোকের কাছে জানতে চাইলোঃ আচ্ছা ভাই, আমার স্ত্রী তো সারাদিন আমার সাথে ঝগড়া করে। আর আপনার বাসা থেকে সবসময় হাসির আওয়াজ পাই। আপনারা ঝগড়া না করে এত সুখে কি করে থাকেন, বলুন তো?
ভদ্রলোক রেগে বললেনঃ কে বলেছে আমরা সুখে আছি? কে বলেছে ঝগড়া করিনা?
- ইয়ে মানে . . . তাহলে যে আপনার... বাসা থেকে সবসময় হাসা- হাসির আওয়াজ আসে?
- আরে ধুর মিয়া, আমার বউ এর সাথে সবসময় ঝগড়া লেগেই আছে!
আর ঝগড়া হলেই ও হাতের কাছে যা পায়, আমার দিকে ছুঁড়ে মারে।
. আমার গায়ে লাগলে খুশিতে বউ হাসে, আর না লাগলে খুশিতে আমি হাসি !!!


নিজেরে বিল গেটস মনে হয়

(১৭৮) কিরে দোস্ত সারাদিন সারারাত বিল গেটস এর বাড়ির সামনে কান পায়তা বইসা থাকস, ঘটনা কি?
অপর কুকুরঃ দোস্ত আর বলিস না...
বিল গেটস এর পোলা একটা অপদার্থ...
সে যখন তার পোলারে কুত্তার বাচ্চা কইয়া গালি দেয়....
কি যে শান্তি লাগে!!!! নিজেরে বিল গেটস মনে হয়...অছাম ফিলিংস.... :


বল্টু - আম্পায়ার

(১৭৯) বল্টু গেলো ক্রিকেট খেলায় আম্পায়ারিং করতে । খেলা শুরু হলো........
বোলিং বল করলো ব্যাটিংয়ের ব্যাটে না লেগে বলটি লাগলো ব্যাটিংয়ের রানে । এদিকে আম্পায়ার আউট দিয়ে দিলো ।
আম্পায়ারের কাছে আউটের কারন জানতে চাইলে সে বললো ,
রানে লেগেছে তাই রান আউট হইছে ।


একটি মুরগি চুরি

(১৮০) গির্জায় কনফেশন চলছে—
: ফাদার, আমি একটি মুরগি চুরি করেছিলাম। সেটা নিয়ে আপনি আমাকে পাপমুক্ত করবেন?
: না, এভাবে হয়না, তুমি যার মুরগি তাকে ফেরত দিয়ে আসো।
: ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু মুরগির মালিক ফেরত নিতে চায় না।
: সে ক্ষেত্রে তুমি পাপমুক্ত। কারণ তুমি মুরগির মালিককে ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করেছিলে।
মুরগিচোর খুশিমনে মুরগি নিয়ে বাড়ি চলেগেল। ওদিকে পাদ্রি বাড়ি ফিরে দেখেন তাঁর মুরগিটি নেই।


যাওয়ার জায়গা নাই

(১৮১) কর্তা তার ভৃত্যকে রাগান্বিত হয়ে বললেন, হয় তুই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যা, না হয় আমিই বেরিয়ে যাব। ভৃত্য করজোড়ে জবাব দিল, কর্তা, আমার তো আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নাই। তাহলে আপনিই না হয়...।


অ্যান অ্যাপল অ্যা ডে

(১৮২) এক ডাক্তার এবং এক টিচার একই মেয়ের প্রেমে পড়ল। এরপর থেকে টিচার সেই মেয়েকে প্রতিদিন একটা করে আপেল গিফট করতে শুরু করল। সেটা শুনে ডাক্তার জিজ্ঞেস করল, 'প্রতিদিন আপেল দাও কেন?'
টিচার বলল, 'আপনি শোনেননি, অ্যান অ্যাপল অ্যা ডে, কিপস দ্য ডক্টর অ্যাওয়ে!'


বোকা কবুতর

(১৮৩) এক কবুতর একটু নিচু হয়ে উড়ছিল। হঠাৎ এক গাড়ির সাথে ধাক্কা খেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলো। এক লোক তাকে নিয়ে গিয়ে খাঁচায় রাখল। যখন কবুতরের জ্ঞান ফিরল, তখন সে খাঁচার ভিতর নিজেকে দেখে বলল, 'হায় হায়! আমি জেলে! গাড়িওয়ালা কি মারা গেছে নাকি?'


চোরের উপর বাটপারি

(১৮৪) টিচারঃ কাল তোমাদের গ্রুপ ফটো তোলা হবে, সবাই ৫০টাকা করে নিয়ে আসবে...।
পাপ্পুঃ (মনে মনে ) একটা ফটো তুলতে ২০ টাকা লাগে, আর এরা নিচ্ছে ৫০টাকা! মানে একজনের থেকে ৩০ টাকা, আমরা ৬০ জন মানে ১৮০০ টাকা....। তারপর ওই টাকায় স্যারেরা মিষ্টি, সিঙ্গাড়া, কোল্ডড্রিংকস খাবে। আর আমাদের বেলায়, কাঁচকলা। চল বল্টু, ঘরে যাই.... কাল মায়ের থেকে ৫০টাকা করে নিয়ে আসবো। সমাজে ভালো কিছু রইলনা রে ভাই। বাড়িতে গিয়ে.......
পাপ্পুঃ মা, কাল স্কুলে ফটো তোলা হবে স্যার ১০০টাকা নিয়ে যেতে বলেছে।
মাঃ ১০০টাকা...!! বলিস কি..? এরা তো দিনে ডাকাতি করছে। বাচ্চাগুলোর টাকা নিয়ে ফুর্তি করবে....। কি দিনকাল এলো.....দাঁড়া পাপ্পু, তোর বাবার কাছ থেকে চেয়ে দিচ্ছি। কইগো শুনছো পাপ্পুর স্কুলে ফটো তোলা হবে। স্যারেরা ২০০ টাকা চেয়েছে......।। একেই বলে চোরের উপর বাটপারি


ওটাও কিনে দিতে হবে?

(১৮৫) স্বামী স্ত্রী কেনাকাটা করতে গেছে। স্ত্রী যা দেখে তাই নেয়। স্বামীর গম্ভীর ভাব আন্দাজ করে স্ত্রী বলল, দেখ, আজ কি সুন্দর চাঁদ উঠেছে! স্বামী রেগে বলল, ওটাও কি কিনে দিতে হবে নাকি?


চুমু দিলেই মার

(১৮৬) খালা তার পিচ্চি ভাগ্নে কে বলছে, এসো খোকন চুমু দিয়ে যাও ।
ভাগ্নেঃ না চুমু দিলে তুমি আমায় মারবে ।
খালাঃ চুমু দিলে তোমায় মারব কে বলল?
ভাগ্নেঃ কেন একটু আগে দরজার ফাক দিয়ে দেখলাম তুমি আব্বাকে চড় মারলে

 [ads-post]
দেশ ভইরা যাইবো

(১৮৭) জনসংখ্যার বিস্ফোরণ বিষয়ে পড়াতে গিয়ে এক শিক্ষক বললেনঃ ‘আমাদের দেশে প্রতি ১০ সেকেন্ডে একজন মহিলা একটি করে শিশুর জন্ম দেন!!’ এটা শুনে পিছনের বেঞ্চের এক ছাত্র চিত্কার করে বলে উঠলোঃ ‘জলদি চলেন স্যার, ঐ মহিলাকে খুঁজে বের করে এক্ষুনি থামাতে হবে...!! নাইলে এই দেশ; শামসু, আবুল, ইভা রহমান, মাহফুজুর রহমানদের দিয়া ভইরা যাইবো


নবাব সিরাজউদ্দৌলার চেয়ার!

(১৮৮) জাদুঘরে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে একটা চেয়ারে বসে পড়লেন মকবুল। হায় হায় করে ছুটে এলেন জাদুঘরের কর্মীরা। বললেন, আরে, করছেন কী করছেন কী! এটা নবাব সিরাজউদ্দৌলার চেয়ার!
মকবুল : ভাই, একটু বসতে দিন। সিরাজ ভাই এলেই আমি উঠে যাবো!


ফেবু সংসার

(১৮৯) ফেসবুকীও ভাষায় সংসারে একদিন অফিস থেকে ফিরেই রহমান সাহেব তাঁর স্ত্রীকে বললেন,
স্বামী: হ্যালো ডিয়ার, ঘরে logged in হইলাম, কেমন আছ?
স্ত্রী: তুমি কি বাজার করে আনোনি?
স্বামী: দুঃখিত বউ, বিষয়টি মাথায় tag করতে মনে ছিল না।
স্ত্রী: তোমার যে আমার জন্য নতুন একটা শাড়ি download করার কথা ছিল, সেটাও কি ভুলে গেছ?
স্বামী: দোকানে গিয়েছিলাম কিন্তু কোনো শাড়িতেই like দিতে পারিনি।
স্ত্রী: তাহলে ক্রেডিট কার্ডটা দাও, আমিই কেনাকাটা করে নেব।
স্বামী: কিন্তু আমি তো privacy settings-এ share-এর option টা block করে রেখেছি। কীভাবে তোমাকে দিই?
স্ত্রী: তোমাকে আমার বিয়ে করাটাই উচিত হয়নি। কী পেলাম তোমাকে বিয়ে করে?
স্বামী: not found? তাহলে try again!
স্ত্রী: তোমার কাছে আমার কি কোনোই মূল্য নেই।
স্বামী: অবশ্যই আছে, সেটা আমি বাইরে বলে বেড়াই না, আমার inbox-এ ঢুকলেই বুঝতে পারতে।
স্ত্রী: এভাবে চলতে থাকলে আমি কিন্তু বাপের বাড়ি চলে যাব বলে দিচ্ছি।
স্বামী: comment করার সাহস হচ্ছে না।
স্ত্রী: আমি চলে গেলে তুমি একা থাকতে পারবে? কোনো কষ্ট পাবে না?
স্বামী: অবশ্যই, দুজনে তখন chat করতে পারব, খুব মজা হবে।
স্ত্রী: কী বললে? আর তোমাকে কিন্তু একবিন্দুও সহ্য করতে পারছি না!
স্বামী: তাহলে block করে দাও।
স্ত্রী: না, এভাবে কথা চালানো যায় না, অসম্ভব।
স্বামী: তাহলে log out করে দাও


বিয়া করতে চাই

(১৯০) নায়কঃ চৌধুরী সাহেব!! আমি আপনার মাইয়ারে বিয়া করতে চাই!
নায়িকার বাবাঃ কি!!! তোমার কি আছে যে বিয়া দিমু??
নায়কঃ আমার ফেসবুকে account আছে। -হাহা!!
নায়িকার বাবাঃ ফেসবুকে তো এখন সবারই account থাকে। আমারও আছে।
নায়কঃ হ্যাঁ! আপনার account আছে বলেইতো আপনার কাছে এসেছি।
নায়িকার বাবাঃ মানে??? কেন??? -
নায়কঃ চৌধুরী সাহেব!! আপনি ফেসবুকে জরিনা খাতুন নামে কাউরে চিনেন???
এবার চৌধুরী চমকে গেলো।
নায়িকার বাবাঃ নায়ককে কাছে ডেকে বললো… তুমি জরিনারে কেমনে চিনো???-
নায়কঃ হাহাহা… চৌধুরী সাহেব!!! জরিনা খাতুন আমার ফেক আইডি। আর সেই আইডি দিয়া আপনার লগে তিন মাস প্রেম করেছি। বেশি বারাবারি করলে আপনার দেয়া সব মেসেজ ফাঁস কইরা দিমু!! -
নায়িকার বাবাঃ ওরে কে কোথায় আছিস!!! কাজী ডাইকা আন। আইজকাই আমার মাইয়ারলগে তোমার বিয়া দিমু বাপজান


মেসেজ টোন

(১৯১) রাত্রে স্বামী-স্ত্রী দুজনে শুয়ে ছিল। রাত ২টার সময় হঠাৎ স্ত্রীর ফোনে মেসেজ টোন বেজে উঠল। চমকে উঠে স্বামী স্ত্রীর ফোনে BEAUTIFUL লেখা দেখে স্ত্রীকে উঠিয়ে বলল , 'তোমার ফোনে মেসেজ এসেছে BEAUTIFUL. তোমার ফোনে এমন মেসেজ কেন?' স্ত্রী AODO করে উঠে বলল, 'এই ৪৫ বছর বয়সে কে আর BEAUTIFUL বলবে!' তারপর মোবাইল দেখে চিৎকার করে স্বামীকে বলল, 'এবার থেকে চশমা পরে ফোন হাতে নেবে। ওটা BEAUTIFUL লেখা নয়, ফোন চার্জে দেওয়া ছিল, তাই BATTERYFULL লেখা দেখাচ্ছে।'


তিন বন্ধুর কথোপকথন

(১৯২) তিন টাউট বন্ধুর বহু দিন পর দেখা। তো তারা তিনজন রেস্টুরেন্টে খেতে গেল। একজন ওয়াশরুমে গেল। বাকি দুইজন আলাপ করছে।
বল্টু : তারপর দোস্ত, বাচ্চাকাচ্চা কয়টা?
পল্টু : আমার একটাই ছেলে। আমার মতোই বুদ্ধিমান। ভার্সিটিতে পড়ে। বিরাট বড়লোকের একমাত্র মেয়েকে পটাইছে। মেয়েকে ইম্প্রেস করার জন্য একটা গাড়ি গিফট করছে। একবার বিয়ে হয়ে গেলে মেয়ের বাপের সব প্রোপার্টি আমার।
বল্টু : আমারও একটাই ছেলে। আমার মতোই বুদ্ধিমান। ভার্সিটিতে পড়ে। সেও বিরাট বড়লোকের একমাত্র মেয়েকে পটাইছে। মেয়েকে ইম্প্রেস করার জন্য ফ্ল্যাট গিফট করছে। ভালোয় ভালোয় বিয়েটা হয়ে গেলেই মেয়ের বাপের সব প্রোপার্টি আমার।
এর মধ্যে তৃতীয় বন্ধু এলো। দুই বন্ধু তাকে জিজ্ঞেস করল_দোস্ত তোমার ছেলেমেয়ে কয়টা?
মতলব : আমার এক মেয়ে, আমার মতোই ধান্দাবাজ। দুই পোলারে নাকে দড়ি দিয়া ঘুরাইতাছে। একজন দিছে গাড়ি আর একজন দিছে ফ্ল্যাট। ভবিষ্যতে আরো অনেক কিছু আদায় করার প্ল্যান আছে।


ফেভারিট দলের ফুটবল ম্যাচ

(১৯৩) মেয়েঃ জানু আজকে সারারাত জেগে থেকে টিভি দেখব..
ছেলেঃ কেন ? টিভি অসুস্থ, নাকি হার্ট এট্যাক করেছে? সারারাত দেখতে হবে কেন ?
মেয়েঃ আরে নাহ আজকে আমার ফেভারিট দলের ফুটবল ম্যাচ, ওইটা আমাকে দেখতেই হবে।
ছেলেঃ আজ কোন দলের খেলা ?
মেয়েঃ আমার প্রিয় দল ব্রাজিল আর রিয়াল মাদ্রির খেলা !!
ছেলেঃ ব্রাজিল আর রিয়াল মাদ্রির খেলা ?
মেয়েঃ হুম মেসিকে আমার খুব ভাল্লাগে, নেইমার কেও ভাল্লাগে আর রোনাল্ডোকেও ভাল্লাগে
ছেলেঃ এরা কোন দলের ?
মেয়েঃ চিননা? এরা সবাই ব্রাজিলে খেলে, তাইতো আমি ব্রাজিলের পাগলি সাপোর্টার !!
ছেলেঃ ও। তা তো বুঝাই যাচ্ছে ! আচ্ছা খেলা কয়টায় শুরু হয়ে শেষ হবে? আমি কি খেলা শেষে ফোন দিবো ?
মেয়েঃ আরে গাধা খেলা তো ৫০ অভার, ৫০ অভার হতে ৩ ঘন্টাতো লাগবেই !!!তুমি ঘুমিয়ে যেও।
ছেলেঃ ৫০ অভার ফুটবল ?!!! সিউর ?!!
মেয়েঃ ইয়াহ আম ড্যামন সিউর। আচ্ছা মেসি, নেইমার আর রোনালদোর মাঝে তোমার কাকে বেশি ভালো লাগে জানু ?
ছেলেঃ ৩ জনকেই ভাল লাগে । তোমার???
মেয়েঃ আমারও ৩ জনকেই ভালো লাগে। তবে মেসিকে বেশি ভালো লাগে, কারন সে খুব ভালো গোল আটকাতে পারে...!!!!
ছেলেঃ মেসি গোল কিপার?!
মেয়েঃ হুম ! নেইমার ও খারাপ খেলেনা , সে খুব ভালো রেফারী ...!!!!
ছেলেঃ..........বেহুস


আমি এটা বলছিনা যে

(১৯৪) একবার এক বাপ নিজের ছেলের সাথে দেখা করতে শহরে এল। গিয়ে দেখলো, তার ছেলের সাথে একটা খুব সুন্দরী মেয়েও থাকে। রাতে তিন জন যখন এক সাথে ডিনার টেবিলে বসলো, বাবা জিজ্ঞেস করলো--"তোর্ সাথে এই মেয়েটি কে রে..?"
ছেলে : বাবা, সে আমার রুম পার্টনার আর আমার সাথেই থাকে। তুমি এটা নিয়ে কি কি ভাবছ, সেটা আমি জানি। কিন্তু আমাদের দুজনের মধ্যে সে রকম কোন সম্পর্ক নেই। আমাদের দুজনেরই আলাদা আলাদা কামড়া আর আমরা দুজনে আলাদা আলাদা বেডে ঘুমাই। আমরা দু'জন শুধু খুব ভাল বন্ধু।
বাপ : ঠিক আছে বেটা।
পরের দিন বাপ নিজের গ্রামে চলে গেল। এক সপ্তাহ পর মেয়েটি ছেলেটিকে বলছে--"শুনো, গত রবিবার তোমার বাবা যে প্লেটে ডিনার করেছিলেন, ওই প্লেটটা খুঁজে পাচ্ছিনা। আমার সন্দেহ তোমার বাবাই এটা চুরি করে নিয়ে গেছেন।
ছেলেটি রেগে গিয়ে বলল--"শাট আপ...তুমি এসব কি বলছো..?"
মেয়েটি বলল--"তুমি একবার তোমার বাবাকে জিজ্ঞেস করে দেখোনা, জিজ্ঞেস করতে কি আপত্তি..?"
ছেলেটি বলল--"OK, আমি জিজ্ঞেস করব।" পরদিন ছেলে বাপকে একটা ই-মেইল পাঠালো...তাতে লিখলো--"আমি এটা বলছি না যে আপনি আমাদের প্লেটটা চুরি করে নিয়ে গেছেন, অথবা এটাও বলছি না যে আপনি প্লেটটা চুরি করেন নি। তবে ভুলবশত আপনি যদি প্লেটটা নিয়ে থাকেন তাহলে ওটা ফেরত দিয়ে দেবেন কারণ, ওটা ওই মেয়েটির খুব পছন্দের প্লেট। ইতি....আপনার ছেলে।
এক ঘন্টা পরই বাবার জবাব এলো--"আমি এটা বলছিনা যে তোর রুম পার্টনার রাতে তোর সাথে ঘুমায় আবার এটাও বলছি না যে ওই মেয়েটি রাতে তোর সাথে ঘুমায় না। তবে ওই মেয়েটি যদি পুরো সপ্তাহের মধ্যে একবারও তার নিজের রুমে, নিজের বেডে শুতে যেত, তাহলে ওর বালিশের নিচেই সে তার প্লেটটা পেয়ে যেত। কারণ প্লেটটা আমি ওখানেই লুকিয়ে রেখে এসেছিলাম। ইতি....তোর বাপ।


গলায় পানি আটকে গেছে

(১৯৫) এক বিয়েতে খাবার না দিয়ে শুধু পানি দেয়া হচ্ছিলো সবাইকে। এক লোক বিরক্ত হয়ে বলল, ভাইজান... গলায় পানি আটকে গেছে...একটু বিরিয়ানি মিলবে???


ক্যারিয়ার

(১৯৬) বাবা : এই পটলা এদিকে আয়....
পটলা : আসছি।
বাবা : অবেলায় কোথায় যাচ্ছিস?
পটলা : সাইকেলে করে একটু ঘুরে আসি বাবা ।
বাবা : সারাদিন সাইকেল সাইকেল আর সাইকেল। ক্যারিয়ার নিয়ে কিছু ভেবেছিস ?
পটলা : ইয়ে একবার ভেবেছিলাম। দোকানেও গিয়ছিলাম। কিন্তু যা দাম... ...
বাবা : কি যা তা বলছিস ?
পটলা : সত্যি বলছি বাবা, সাইকেলের পেছনে ক্যারিয়ার লাগালে সাইকেল কেমন ক্ষেত ক্ষেত লাগে। তাছাড়া এ যুগে ক্যারিয়ার অয়ালা সাইকেল চলেনা।
বাবা : অজ্ঞান !!!


এম্বুলেন্স কেন সাদা

(১৯৭) একবার এক ছাত্রকে শিক্ষক প্রশ্ন করলেন..অ্যাম্বুলেন্স সাদা হয় কেন???
ছাত্র উত্তর দিল: অ্যাম্বুলেন্স এ অক্সিজেন সিলিন্ডার থাকে, আর অক্সিজেন একটা গাস, গ্যাস রান্নার কাজে ব্যবহার হয়। আর খাবার ভিটামিন এর উৎস, আমরা সূর্য থেকে ভিটামিন D পাই, আর সূর্য আলো দেয়, আলো বাল্ব থেকে আসে আর ক্রিসমাস ট্রি তে ছোট বাল্ব লাগান হয়। ক্রিসমাস মানে গিফট আর সান্তা গিফট নিয়ে আসে...সান্তা দক্ষিন মেরুতে থাকে আর ওইখানে মেরু ভাল্লুক থাকে! মেরু ভাল্লুক সাদা আর এই জন্য অ্যাম্বুলেন্স সাদা!!!


ধান্দাবাজ

(১৯৮) ৩ বাটপার বন্ধুর বহুদিন পর দেখা। তো তারা ৩ জন রেস্টুরেন্টে খেতে গেলো। ১ জন ওয়াশ রুমে গেলো। বাকি ২ জন আলাপ করছে।
বল্টু:- তারপর দোস্ত, বাচ্চা কাচ্চা কয়টা ?
পল্টু:- আমার একটাই ছেলে। আমার মতোই বুদ্ধিমান। ভার্সিটিতে পড়ে। বিরাট বড়লোকের একমাত্র মেয়েকে পটাইছে। মেয়েকে ইম্প্রেস করার জন্য একটা গাড়ি গিফট করছে। একবার বিয়ে হয়ে গেলে, মেয়ের বাপের সব প্রোপার্টি আমার।
বল্টু:- আমারও একটাই ছেলে। আমার মতোই বুদ্ধিমান। ভার্সিটিতে পড়ে। সেও বিরাট বড়োলোকের একমাত্র মেয়েকে পটাইছে। মেয়েকে ইম্প্রেস করার জন্য ফ্লাট গিফট করছে। ভালোয় ভালোয় বিয়েটা হয়ে গেলেই, মেয়ের বাপের সব প্রোপার্টি আমার।
"এর মধ্যে তৃতীয় বন্ধু এলো" ২ বন্ধু তাকে জিগ্যাস করল দোস্ত তোমার ছেলে মেয়ে কয়টা ?
মতলব:- আমার এক মেয়ে, আমার মতোই ধান্দাবাজ। ২ পোলারে নাকে দড়ি দিয়া ঘুরাইতাছে। ১জন দিছে গাড়ি আর ১জন দিছে ফ্লাট। আগামীতে আরো অনেক কিছু আদায় করার প্লান আছে।


আপেল ভাগাভাগি

(১৯৯) শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে কথোপকথোন....
শিক্ষকঃ ধরো তোমাকে বলা হলো ৪ জন মানুষের মধ্যে ৩ টা আপেল ভাগ করে দিতে । কিন্তু আপেল কাটা যাবেনা । কিভাবে ভাগ করে দিবে ?
ছাত্রঃ এটা কনো বেপার হল , ছুরি দিয়ে একজনকে ঘ্যাচাং কইরা দিমু , আর তিন জনরে তিনটা আপেল দিয়া দিমু ।


ছাত্র-শিক্ষক

(২০০) টিচারঃ তুমি দেরিতে এসেছ কেন?
বল্টুঃ স্যার, বাবা মা ঝগড়া করছিলো।
টিচারঃ তার সাথে তোমার দেরিতে আসার সম্পর্ক কি??

বল্টুঃ আমার এক জুতা বাবার হাতে, আরেক জুতা মায়ের হাতে ছিল !

Post Top Ad


Download

click to begin

6.0MB .pdf