বাংলা জোকস - পর্ব ০৯ - সেরা-সংগ্রহ.কম
X

Tuesday, March 7, 2017

বাংলা জোকস - পর্ব ০৯

বাংলা জোকস

BANGLA KOUTUK


তাবিজ

(২০১) একদিন আবুল প্রচুর মদ খেয়ে এসে বউকে চা দিতে বলল, বউ চা দিতেই বউকে ধরে পেটাতে লাগল , প্রতিবেশীরা মারের আওয়াজ শুনে ছুটে এসে জিজ্ঞেস করল কি হয়েছে মারছেন কেন ??
আবুল : এই হারামজাদী আমার চায়ে তাবিজ মিশিয়েছে আমাকে বস করবে বলে
বউ : ( কাঁদতে কাঁদতে) ওটা টি ব্যাগ ছিল !!


হাবলুরে কেউ মাইরালা

(২০২) হাবলু নতুন টেলিভিশন কিনেছে। বাড়ি ফিরেই সে টেলিভিশনটা এক ড্রাম পানির ভেতর ডুবিয়ে দিল। ঘটনা দেখে ছুটে এলেন এক প্রতিবেশী।
প্রতিবেশী: আরে, করছ কী, করছ কী?
হাবলু: হে হে, আর বলবেন না। নতুন টিভি কিনলাম। দোকানদার বলল, রঙিন টিভি! ভাবলাম, ব্যাটা ঠকিয়ে দিল কি না, তাই
পানিতে ডুবিয়ে দেখছিলাম, রং উঠে যায় কি না!


বাঙ্গালী!!!

(২০৩) আমেরিকা একবার মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করলো।। তো, বিভিন্ন জায়গা থেকে সেখানে মানুষ গিয়ে হাজির হল। কিন্তু শর্ত ছিল যে শুধুমাত্র একজনই যেতে পারবে এবং সে পরবর্তীতে আর পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারবে না।।
প্রথম আবেদনকারী একজন ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। তাকে জিজ্ঞেস করা হল তিনি যাওয়ার জন্য কত টাকা চান। শুনে তিনি বললেন, ১ মিলিয়ন ডলার, সে টাকার অর্ধেক আমি আমার পরিবারকে দিতে চাই। বাকি অর্ধেক দান করতে... চাই।
এর পরের আবেদনকারী ছিলেন একজন রাশান ডাক্তার। তাকে জিজ্ঞেস করা হল যাবার জন্য তিনি কত টাকা চান। তিনি উত্তর দিলেন, ২ মিলিয়ন। এর মাঝে ১ মিলিয়ন আমার পরিবারের জন্য আর বাকি ১ মিলিয়ন মেডিকেলের উন্নয়নের জন্য দান করতে চাই।
এবার তৃতীয় আবেদনকারী। তিনি ছিলেন আমাদের বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ। উনাকে জিজ্ঞেস করা হল তিনি কত টাকা চান। তিনি প্রশ্নকর্তার কানে কানে ফিসফিস করে বললেন, ৩ মিলিয়ন!! প্রশ্নকর্তা শুনে অবাক। বলল, এতো বেশি কেন?? তখন রাজনীতিবিদ আবার তার কানে কানে বলল, ১ মিলিয়ন আমি রাখবো।। এক মিলিয়ন আপনাকে দিবো। আরেক মিলিয়ন ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারটাকে দিয়ে তাকে মঙ্গল গ্রহে পাঠিয়ে দিবো


চুদক

(২০৪) বাংলাদেশে দূর্নিতি দমন কমিশন (দূদক) আছে আমি ভাবলাম আমার গ্রামে দুদকের খুব একটা দরকার নাই, তবে প্রয়োজননুসারে আমরা বন্ধুরা মিলে একটা সংগঠন করেছি। যার নাম হলো (চুদক) মানে চুর দমন কমিশন।


চাচা-ভাস্তে

(২০৫) চাচা-ভাস্তে দুজন মিলে সন্ধ্যাবেলায় আলাপসালাপ করছে-
ভাস্তে : আজকে সকালে বাজারে গেছিলাম।
চাচা : বাজারে যাবি না তো ঘরে বসে থাকবি নাকি?
ভাস্তে : সঙ্গে এক ঝুড়ি আম নিছিলাম।
চাচা : আম নিবি না তো কি খালি হাতে বাজারে যাবি?
ভাস্তে : এক কাস্টমার আইসা আমের দাম জিগাইল।
চাচা : দাম জিগাইব না, মাগনা নিব নাকি?
ভাস্তে : আমি কইলাম ১০০ টাকা কেজি।
চাচা : ঠিকই তো, আম এত সস্তা মনে করছস?
ভাস্তে : কাস্টমার কইল, ৫০ টাকায় দিবা?
চাচা : কাস্টমার তো ঠিক কথাই কইছে। এই আম ৫০ টাকার বেশি হয় নাকি?
ভাস্তে : আমি কইলাম, বাপের জন্মে আম খাইছেন কোনো দিন?
চাচা : উচিত কথা কইছস। ১০০ টাকার আমরে কেমনে ৫০ টাকা কয় দেখলি?
ভাস্তে : কাস্টমার আমারে গালি দিয়া চইলা গেল।
চাচা : গালি দেবে না তো কি চুমা দেবে? কাস্টমারকে কস বাপের জন্মে আম খাইছেন কোনো দিন!
ভাস্তে : একটু পর বাজারে মোবাইল কোর্ট আইল।
চাচা : আইবো না? বাজারের ভেজাল ফলমূল পরীক্ষা করতে হইব না?
ভাস্তে : ম্যাজিস্ট্রেট আইসা আমার আমগুলা পরীক্ষা করল।
চাচা : পরীক্ষা করব না? তোর আমে যে ভেজাল নাই তার প্রমাণ কী?
ভাস্তে : পরীক্ষা কইরা আমে ফরমালিন পাইল।
চাচা : আমে ফরমালিন মিশাইলে পরীক্ষা কইরা ফরমালিন পাইব না তো কি সুন্দরবনের মধু পাইব?
ভাস্তে : ম্যাজিস্ট্রেট আমারে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করল।
চাচা : ঠিকই করছে। আমে বজ্জাতি কইরা ফরমালিন মিশাইছ, এইবার জরিমানা দেও।
ভাস্তে : আমগুলাও নষ্ট কইরা ফেলল।
চাচা : নষ্ট করব না? বিষওয়ালা আম খাওয়াইয়া মানুষ মারব নাকি?
ভাস্তে : আমি মনে মনে ওনাগো অনেক গালিগালাজ করলাম।
চাচা : গালিগালাজ করবি না তো আর কী করবি? এতগুলা আম নষ্ট করল!
ভাস্তে : এমন সময় এক পুলিশ আইসা মারতে মারতে আমারে থানায় নিয়া গেল।
চাচা : মারব না তো কি আদর করব? ফলের মধ্যে বিষ মিশাইছ ব্যাটা বদ!
ভাস্তে : থানায় নিয়া কিছুক্ষণ মাইর দেওয়ার পর বড় দারোগা আইল।
চাচা : খারাপ কাজ করছ এখন ঠেলা সামলাও। দেখো না দারোগা আইসা তোমারে কী করে!
ভাস্তে : দারোগা সাহেব আমার পাছার মধ্যে লাত্থি মাইরা থানা থেইকা বাইর কইরা দিল।
চাচা : উচিত কাম করছে। দারোগা না মারলে আমিই তোর পাছার মধ্যে কইষ্যা লাথি দিতাম। ব্যাটা হারামি। আর কোনো দিন এই আকাম করবি?
ভাস্তে : এই কিরা কাটলাম, বাপের জন্মে আর এই ভুল করুম না।
চাচা : হুম। মনে থাকে যেন।


মাথায় গোবর

(২০৬) এক পিচ্চি পোলা আর ওর বড় বোন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। তখন পিচ্চি ওর বোনকে জিজ্ঞেস করল-'আপু, এই পাশের ঘাস বড়, আর ওই পাশের ঘাস ছোট কেন?'
বোন বলে-'এখানে গোবর আছে, তাই ঘাস বড় হইছে আর ওখানে গোবর নাই, তাই ঘাস ছোট।'
এই কথা শুনে ছোট ভাই বলল-'তাই তো বলি তোমার মাথার চুল এত বড় আর আমার চুল এত ছোট কেন!'


তিন পিঁপড়া

(২০৭) সেদিন রাস্তা দিয়ে তিনটি পিঁপড়া হেঁটে যাচ্ছে। হঠাৎ একটি কেক পড়ে থাকতে দেখে, প্রথম পিঁপড়াটি 'ইয়াহু' বলে ঝাঁপ দিয়ে কেকটি খেতে শুরু করল। এই দেখে দ্বিতীয় পিঁপড়াটিও 'ইয়াহু' বলে ঝাঁপ দিয়ে কেকটা খাওয়া শুরু করল। এই দেখে তৃতীয় পিঁপড়াটি বলল, 'দূর, আমি খাব না। কেকে পিঁপড়া ধরছে।'


রান আউট

(২০৮) একদিন বল্টু গেল ক্রিকেট ম্যাচের আম্পায়ারিং করতে। শুরু হলো খেলা। বোলার বল করল এবং বল লাগল ব্যাটসম্যানের রানে। বল্টু সঙ্গে সঙ্গে আউট দিয়ে দিল। ব্যাটসম্যান তো টাসকি! বোলারও অবাক! উত্তেজিত ব্যাটসম্যান বল্টুকে বলল, 'এইডা কি আউট দিলেন আপনি?'
বল্টুর জবাব, 'রান আউট'।
ব্যাটসম্যান অবাক হয়ে বলল, 'আমি রান নিলাম কখন?'
বল্টু মৃদু হেসে বলল, 'রানে বল লাগছে, তাই রান আউট।'
 [ads-post]

কিছু কৌতুক

(২০৯) * বিজ্ঞানী : আমরা অনেক গবেষণা করে এই কম্পিউটার আবিষ্কার করেছি। এটা এ দেশের মানুষের মতো করে চিন্তাভাবনা করতে পারে।
সাংবাদিক : দারুণ। তা কী রকম?
বিজ্ঞানী : কোনো ভুল হলে এটা অন্য কম্পিউটারের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দিতে পারে।

* দুই শজারু কথা বলছে।
১ম শজারু : কিরে, হাতে ব্যান্ডেজ কেন?
২য় শজারু : ভুলে নিজের পিঠ চুলকাতে গিয়েছিলাম!

* বাসে প্রচণ্ড ভিড়। ইয়া মোটা এক লোককে তার সামনে থাকা যাত্রী ধমক দিয়ে উঠল, কী ব্যাপার ভাই, ধাক্কা মারেন ক্যান?
মোটা লোকটা অবাক হয়ে বলল, কই ভাই, ধাক্কা মারলাম কই?
: এই তো। এই মাত্রই তো আবার ধাক্কা মারলেন।
: অ, বুঝছি। ঢাকা শহরে জোরে নিঃশ্বাসও ছাড়তে পারুম না।

* এক ভিক্ষুক লটারিতে ৪০ লাখ টাকা পেয়েছে। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, এই টাকা দিয়ে আপনি কী করবেন?
ভিখারি : প্রথমে একটা গাড়ি কিনমু। হাঁইটা হাঁইটা ভিক্ষা করতে ভালো লাগে না!
* জাম্বু পিলু : দাদু জানো, একটি গবেষণায় জানা গেছে, টেলিভিশন একসময় পত্রিকার স্থান দখল করে নেবে।
দাদু : অসম্ভব! টেলিভিশন দিয়ে তো আর বাতাস খাওয়া যায় না!

* স্যার : বলো তো, পিঁপড়া আমাদের কী উপকার করে?
ছোট ছাত্র : মিষ্টির প্যাকেট মা কোথায় রেখেছে পিঁপড়া তা দেখিয়ে দেয়।
* আচ্ছা বলুন তো, ১৯৯০ সালে জন্মেছে-এমন একজনের বয়স ২০১৫ সালে কত হবে?
পুরুষ হলে ২৫ বছর। কিন্তু মেয়ে হলে এর মধ্যে একটা কিন্তু আছে!

* রাসেল : পোশাকের কথা যদি বলিস, তাহলে আমার ভাইয়ের কথা উল্লেখ করতে হয়। ভদ্রলোকের পোশাক তো দিনে ১০-১২ বার বদলাতে হয়।
মিতু : বলিস কিরে, এত স্মার্ট? কত বয়স হলো তার?
রাসেল : এই তো, মাত্র তিন মাস।


ফেসবুক

(২১০) ফেসবুকে এক মেয়েকে দেখে পছন্দ হল। তাই তাকে নক করলাম.....
আমি : আপনার কি বয়ফ্রেন্ড আছে...?
মেয়ে : কেন, না থাকলে খুঁজে দেবেন নাকি....?
আমি : চেষ্টা করব খুঁজে দিতে। বলুন, কোন প্রফেশনের ছেলে আপনার পছন্দ..?
মেয়ে : আমি চাই আমার বয়ফ্রেন্ড ফুচকাওয়ালা হবে। আমি সারাদিন ওর দোকানে বসে ফুচকা খাবো।
আমি : ফুচকাওয়ালা কোন ছেলের সাথে আমার পরিচয় নেই। any other choice.....?
মেয়ে : ফুচকাওয়ালা না হয়ে আইসক্রিমওয়ালা হলেও চলবে। এই গরমে আইসক্রিম যা ইয়াম্মি লাগে।
আমি : হুম...!! আচ্ছা বলুন তো, বি.বি.এ করা ছেলে আপনার কেমন লাগে...?
মেয়ে : একদম আলুর মতো লাগে। আলু যেমন একটা কমন ভেজিটেবল, বি.বি.এ করা ছেলেও তেমন কম প্রোডাক্ট। কোন মার্কেট ভ্যালু নাই। তা ভাইয়া আপনি কী করেন...?
আমি ভয়ানক মন খারাপ করে জবাব দিলাম : ‘আজ পর্যন্ত লেখাপড়া করতাম, বি.বি.এ তে। তবে আজকের পর ব্যবসা করব। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আইসক্রিম বেচব, বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ফুচকা।
মেয়ে : ওয়াও !! হাউ সুইট। আপনার ফোন নাম্বার টা দিন তো


মুরগী

(২১১) মা তার ছেলেকে ১০০ টাকা দিয়ে বললেন, যাও বাবা বাজার থেকে একটা মুরগি নিয়ে এসো!! ছেলে বাজার থেকে মুরগি কিনে আনলে মা মুরগি দেখে বললেন, এতো রোগা পটকা মুরগি! রোগা পটকা মুরগি আমি নিব না! যাও ফেরত দিয়ে এসো!! ছেলে মুরগি ফেরত দিতে গিয়ে দেখে দোকানে লেখা “বিক্রিত মাল ফেরত নেয়া হয় না” এখন সে কি করবে!! বাসায় গেলেতো মা আচ্ছা মত বকা দেবেন! ভাবতে ভাবতে হটাৎ তার মনে হল, তার এক খালাত বোন আছে! সে তাকে খুব আদর করেন, টাকা পয়সাও দেন! তার কাছে গেলে হয়ত একটা ব্যবস্থা হবে নিশ্চই! বোনের বাড়িতে ঢুকতে গিয়ে দেখে ড্রয়িং রুমে খুব অন্তরঙ্গ অবস্থায় একটি ছেলের সাথে তার খালতো বোন বসে আছে!! ছেলে লজ্জা পেয়ে সেখানে না গিয়ে চুপচাপ স্টোর রুমে বসে রইল!! একটু পর গাড়ির হর্ন এর শব্দ! অর্থাৎ খালু এসেছেন! ড্রয়িং রুমের সেই ছেলেটিও তারাহুরা করে সেই স্টোর রুমে ঢুকে তার বরাবর বসল!! অন্ধকার ঘর, কেউ কারো মুখ দেখছে না! শুধু উপস্থিতি টের পাচ্ছে দুজনই! একটু পর ছেলেটি বলল ভাই মুরগি নেবেন? মাত্র ১০০টাকা!! ধুর, আছি বিপদে আর ইনি আসছে মুরগি বিক্রি করতে! না না মুরগি কিনব না! ভাই, আপনি যদি মুরগিটা না নেন তবে আমি চিৎকার দেব! ভাল মুসিবতে ফেলল ছেলেটা! বাধ্য হয়ে মুরগি কিনতে হল ভদ্র লোকের! তার ঠিক ৫মিনিট পর ছেলেটি বলছে.. -ভাই মুরগিটা ফেরত দেন, নইলে আমি চিৎকার দেব! কপাল খারাপ হলে যা হয়, কি আর করা মুরগি ফেরত দিতে হল!! তার কিছুক্ষণ পর ছেলেটি আবার বলল, -ভাই মুরগি নেবেন? মাত্র ১০০ টাকা!! এইভাবে সে মুরগিটি ৫ বার বিক্রি করে মুরগি সহ ৫০০ টাকা নিয়ে বেড়িয়ে গেল! এলিফ্যন্ট রোড ধরে যখন সে আসছিল তখন দেখল সো রুমে একটা সুন্দর জিন্স প্যন্ট ঝোলান আছে! দাম লেখা ৬০০ টাকা! কিন্তু তার কাছে আছে ৫০০ টাকা! অর্থাৎ ১০০ টাকা কম আছে! এখন এই ১০০ টাকা কোথায় পায়!! ভাবতে ভাবতে চলে গেল নিজের বাড়িতে! ঘরে গিয়ে দেখল তার বড় ভাই ড্রয়িং রুমে বসে মনযোগ সহকারে পেপার পড়ছেন, চুপচাপ তার কাছে গিয়ে বল্ল -ভাইয়া মুরগি নেবে? মাত্র ১০০ টাকা!! ভাইয়াঃ হারামজাদা বাটে ফালাইয়া ৫বার বিক্রি করছিস এখন আবার আসছিস? আজ তোর একদিন কি আমার একদিন!!


রাজা রানী

(২১২) একরাতে রাজা আর রানী গল্প করতে করতে কথায় কথায় রানী বলে ফেললেন : "সব স্বামীরাই বউয়ের কথা শোনে। রাজা রানীর কথায় একমত হলেন না। তখন তারা একে অপরের সাথে তর্ক করতে শুরু করে দিল। এক পর্যায় রাজা রানীকে বললেন : "ঠিক আছে কালই প্রমাণ হয়ে যাবে কে কার কথা শোনে।" পরের দিন রাজ্যে ঘোষণা করা হল “সব বিবাহিত প্রজাদের জন্য রাজা এক বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থা করেছেন”! তখন সব বিবাহিত প্রজার হুড়োহুড়ি দিয়ে রাজপ্রসাদের সামনে হাজির হলো। রাজদরবারের সামনে দুইটা সাইনবোর্ড লাগানো হলো। ১টা যারা বউয়ের কথা শোনে তাদের লাইন, আরেকটা যারা বউয়ের কথা শোনেনা তাদের লাইন। তখন সবাই ঠেলাঠেলি করে যারা বউয়ের কথা শোনে সেই লাইনে গিয়ে দাড়ালো। কিন্তু বল্টু বেচারা যারা বউয়ের কথা শোনে না সেই লাইনে গিয়ে দাড়ালো। রাজা হেরে গিয়েও একদিক থেকে খুশি হলেন, যাক রাজ্যে এক বান্দা তো আছে যে বউয়ের কথা শোনে না। তখন রাজা কৌতুলি হয়ে বল্টুকে জিজ্ঞাসা করলো : "কি ব্যাপার তুমি এই লাইনে এসে দাড়ালে কেনো..? তখন বল্টু বললো : “আমার বউ আমাকে বেশি হুড়োহুড়ির মধ্যে যেতে মানা করেছে।”


মাতাল

(২১৩) এক ভদ্রলোক তার বাচ্চাটিকে নিয়ে পার্টিতে গেছেন। আড্ডায় আড্ডায় তিনি অনেকক্ষণ ধরেই মদ্যপান করছেন। হঠাৎ তার বাচ্চার কথা মনে হতেই পাশে তাকিয়ে দেখলেন তার বাচ্চাও খানিকটা মদ্যপান করে ফেলেছে। তিনি ঐ মদ্যপ অবস্থায় নিজেই গাড়ি চালিয়ে পার্টি থেকে বাসায় ফিরছেন আর একটু পর পর বাচ্চাকে বকছেন। হঠাৎ একজন কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ তার গাড়ি থামিয়ে প্রশ্ন করছেন.....
ট্রাফিক পুলিশঃ আপনার গাড়ি চালানো দেখে আমার সন্দেহ হচ্ছে, আপনি নিশ্চয় মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছেন।
লোকটিঃ না, আমি মাতাল নই।
ট্রাফিক পুলিশঃ আচ্ছা ঠিক আছে, আপনি হা করুন, আমার কাছে ডিটেক্টর মেশিন আছে আমি চেক করছি আপনি মাতাল কিনা। লোকটি হা করলো এবং মেশিনে “মাতাল” সিগনাল দিল। ট্রাফিক পুলিশঃ মেশিন বলছে, আপনি মাতাল। লোকটিঃ আপনার মেশিন নষ্ট।
ট্রাফিক পুলিশঃ অসম্ভব !!
লোকটিঃ ঠিক আছে, আপনি আমার এই ছোট বাচ্চার মুখে মেশিনটি ধরুন, দেখি কি সিগনাল দেয়? এতটুকু বাচ্চাতো আর মদ পান করে না !!
ট্রাফিক পুলিশঃ ঠিক আছে, বাবু মুখ হা করো তো। বাচ্চাটি মুখ হা করলো, এবং মেশিনে যথারীতি “মাতাল” সিগনালই দিল। সঙ্গে সঙ্গে ট্রাফিক পুলিশটি লজ্জিত হয়ে বলল, আপনার সময় নষ্ট করার জন্য স্যরি। অনেক দিন আগের মেশিন তো তাই মাঝে মধ্যেই ডিস্টার্ব দেয়..!!


দুই বন্ধু

(২১৪) মন্টুঃ ঐ যে সামনের টেবিলে বসে আছে তার সাথে আমার শত্রুতা আছে।
বল্টুঃ কিন্তু টেবিলে তো চারজন লোক বসে আছে।
মন্টুঃ যার মুখে গোঁফ আছে সে।
বল্টুঃ গোঁফ তো সবার মুখেই আছে।
মন্টুঃ আরে যে সাদা শার্ট পড়ে আছে।
বল্টুঃ কিন্তু সাদা শার্ট তো সবাই পড়া।
মন্টুঃ (রেগে গিয়ে পিস্তল বের করে তিনজনকে গুলি মেরে দিয়ে একজনকে দেখিয়ে বলল ) এই শালারে আমি ছাড়মু না...


চাচারবন্ধু চাচা হয়। তাহলে আব্বুর বন্ধু তো আব্বুই

(২১৫) বাসায় মেহমান এসেছে। ছোট্ট রোমিওর মা রোমিওকে ডেকে বললঃ ইনি তোমার আব্বুরবন্ধু।
রোমিওঃ Hi আব্বু, কেমন আছেন??
রোমিওর মাঃ ছিঃ বাবা! উনি তোমার আব্বু না, আংকেল হন।
রোমিওঃ এহ! সেদিন চাচার বন্ধু এল। তুমি বললা চাচারবন্ধু চাচা হয়। তাহলে আব্বুর বন্ধু তো আব্বুই হয়!!!
হেঃ হেঃ হেঃ মজা পাইলে লাইকদিতে ভুলবেন না


ফাইজলামি করতাছে

(২১৬) এক লোক পাবলিক টয়লেটে বসে ছিল। হঠাত করে পাশের টয়লেট থেকে শব্দ আসলো, “মিয়া ভাই কেমন আছেন?”... লোকটি অবাক হয়ে বলল, “হ্যাঁ আমি ভাল আছি”... আবার শব্দ আসলো, “কি করছেন ভাই?”... সে চিন্তিত হয়ে উত্তর দিল, “এইতো ভাই কমোড-এ বসে আছি”..। পাশের টয়লেট থেকে আবার বলল, “আমি কি আসতে পারি?”... লোকটি ঘাবড়ে গেল এবং বলল, “না না না প্লিজ, আমি ব্যস্ত আছি”.. আবার কণ্ঠ শোনা গেল, “আচ্ছা ভাই আমি আপনাকে ৫ মিনিট পর আবার ফোন দিচ্ছি, কোন গাধার-বাচ্চা জানি আবার সব কথার উত্তর দিয়া আমার লগে ফাইজলামি করতাছে..


২ লিটার টমেটো দেন তো

(২১৭) একটা ছোট ছেলে বাজারে গিয়ে তরকারীওয়ালাকে বললঃ ২ লিটার টমেটো দেন তো ৷ পাশে থাকা কাশেম তো হাসতে হাসতে প্রায় খুন হয়ে যায় ৷
তরকারীওয়ালাঃ ভাই, আপনে হাসতাছেন কেন ?
কাশেমঃ কি বলদমার্কা ছেলে দেখছেন ? ২লিটার টমেটো কিনতে আসছে অথছ বোতলই আনে নাই।


স্বামীর উপর মনোযোগ দেন

(২১৮) ম্যাডাম : বলো তো টিপু সুলতান কে ছিলেন্?
বল্টুঃ জানিনা ম্যাডাম্।
ম্যাডাম : তা জানবা কিভাবে? পড়াশুনায় মনোযোগ দেও।
বল্টুঃ বলেন ত ম্যাডাম্, মিলি কে?
ম্যাডাম : জানি না তো, কেনো?
বল্টুঃ তা জানবেন কিভাবে? আপনার স্বামীর উপরমনোযোগ দেন্
ম্যাডাম : Shocksss !!!বল্টু : always rocksss!!!


বলতো বাংলাদেশ কত কেজি

(২১৯) স্যারঃ বলতো বাংলাদেশ কত কেজি?
বল্টুঃ স্যার, ৬৮ কেজি!
স্যারঃ কীভাবে বুঝলে?
বল্টুঃ কেননা বাংলাদেশে ৬৮,০০০ গ্রাম আছে। আর ১০০০ গ্রাম এ ১ কেজি হলে ৬৮,০০০ গ্রাম এ ৬৮ কেজি। SIMPLE!!


ভেঙ্গে ফেলমু !

(২২০) সাহারা খাতুন খুব একটা ভালো ছাত্রী না, ক্লাসে ঘুমায়। একদিন ক্লাসে সাহারা ঘুমিয়ে পড়লে ক্লাসটিচার তাকে জিজ্ঞাসকরলো, “পৃথিবী কে তৈরি করছে? যে মুহুর্তে সাহারা উত্তর দিবে ঠিক তখন পিছন থেকে বজ্জাত আবুল পিন দিয়ে পাছার মধ্যে দিছে এক গুতা। গুতা খেয়ে সাহারা চিৎকার করে বলে ওঠে __“ওহ গড………”।
ক্লাসটিচার সন্তুষ্ট হয়ে বললেন ” ভেরী গুড”
কিছুক্ষন পর আবার ঘুমিয়ে পড়লে ক্লাসটিচার প্রশ্ন করলেন, “কে তোম...াকে জন্ম দিয়েছেন?” সাহারা গুতা খেয়ে, “ও আম্মাগো………”
ক্লাস টিচার আবারও সন্তুষ্ট হলেন।
অনেকক্ষন কেটে যাওয়ার পর সাহারা আবার ঘুমিয়ে পড়ল, তাই ক্লাসটিচার আবার জিজ্ঞাস করলেন,
“ধর তোমরা ২০ ভাই-বোন, ২১ তম সন্তান জন্ম দেয়ার পর তোমার আম্মা তোমার আব্বাকে কি বলবে?”
সাহারা ফ্যাল ফ্যাল করে দাঁড়িয়ে আছে জবাব না দিতে পেরে। এই সময় পিছনের বজ্জাত আবুল আবার পিন দিয়ে গুতা মারে। এইবার সাহারা রাগে চিৎকার করে চেচিয়ে ওঠে, “আবার যদি গুতা দেও তাইলে তোর ঐটা ভেঙ্গে ফেলমু” ক্লাসটিচার খুব খুশী হয়ে সাহারার পিঠ চাপরে দিল।



তোমাকে একটা kiss করি?

(২২১) বল্টু:- তোমাকে একটা kiss করি?
মেয়ে:- না!
বল্টু:- শুধু একটা kiss করবো?
মেয়ে:-বললামতো না!
বল্টু:- pls একটা kiss করবো?
মেয়ে:- এই শালা
আমি কি তোর স্যার??যে অনুমতি নিতে হবে! জোর করে করতে পারিসনা। মাইরালা মাইয়ারে।


হেতি একাই এক শ

(২২২) -ভাই আপনার গার্লফ্রেন্ড কয়টা?
-এক শটা।
-কী কন ভাই, এক শটা?
-হ ভাই। হেতি কইছে, হেতি একাই এক শ!


মেয়েদের মন বুঝতে পারার ক্ষমতা

(২২৩) নববর্ষের আগের দিন। বিল্টু হেঁটে যাচ্ছিল বনের ভেতর দিয়ে। ঘুটঘুটে অন্ধকার। হঠাৎ শোনা গেল অশরীরী আওয়াজ, ‘বিল্টু’।
বিল্টু: কে? কে কথা বলে?
অশরীরী: ভয় পেয়ো না। আমি ইচ্ছাপূরণ দৈত্য। আজ এই শুভদিনে আমি তোমার একটি ইচ্ছা পূরণ করব। বলো, কী চাও তুমি?
সাহস ফিরে পেল বিল্টু। বলল, ‘আমার জন্য পুরো বিশ্ব ভ্রমণ করে আসবে, এমন একটা ট্রেন সার্ভিস চালু করে দাও, যেন আমি ঘুরে ঘুরে সব দেশের নববর্ষের উৎসব উপভোগ করতে পারি।’
দৈত্য: এটা তো খুব কঠিন কাজ। তুমি বরং অন্য কিছু চাও।
বিল্টু: তাহলে আমাকে এমন ক্ষমতা দাও, আমি যেন মেয়েদের মন বুঝতে পারি।
দৈত্য: ট্রেন কি এসি, নাকি নন-এসি লাগবে?


মনে হয় বিয়ে করতে পারবো না

(২২৪) প্রেমিক–প্রেমিকার মধ্যে কথা হচ্ছে।
প্রেমিক: আমি বোধ হয় তোমাকে বিয়ে করতে পারব না।
প্রেমিকা: কেন?
প্রেমিক: আমার বাসায় ব্যাপারটা মেনে নেবে না।
প্রেমিকা: কে কে আছে তোমার বাসায়?
প্রেমিক: আমার স্ত্রী আর দুই সন্তান।


মুরগি কেন জিরাফের মতো লম্বা হয় না

(২২৫) একদিন শিক্ষক জিজ্ঞেস করলেন তার ছাত্রকে, ‘বলো তো দেখি, মুরগি কেন জিরাফের মতো লম্বা হয় না?’
ছাত্র মাথা চুলকে বলল, ‘স্যার, তাহলে তো মুরগি ডিম পাড়ার সাথে সাথে ডিমটা মাটিতে পড়ে ফেটে যেত, আমাদের আর ডিম খাওয়া হতো না