বাংলা জোকস - পর্ব ১০ - সেরা-সংগ্রহ.কম
X

Tuesday, March 7, 2017

বাংলা জোকস - পর্ব ১০

BANGLA JOKES

বাংলা জোকস



মরুভূমি কাকে বলে?

(২২৬) শিক্ষকঃ বলোতো অভি, মরুভূমি কাকে বলে?
অভিঃ যেখানে কোন কিছু জন্মায় না স্যার।
শিক্ষকঃ একটা উদাহরণ দাও।
অভিঃ আপনার মাথা স্যার !!!


ইঁদুর বিড়াল

(২২৭) এক ইঁদুর মদের গ্লাসে পড়ে গেল। সেখান দিয়ে একটা বিড়াল যাচ্ছিল। ইঁদুর বিড়ালকে বলছে, 'তুমি আমাকে এখান থেকে বের করো। তারপর যদি ইচ্ছা হয় তুমি আমাকে খেয়ে ফেলো।' বিড়াল লাথি মেরে মদের গ্লাস ভেঙে ফেলল। আর ইঁদুর বের হয়ে তো দৌড়। তখন বিড়াল রেগে গিয়ে বলল, 'শালা মিথ্যাবাদী, ধোঁকাবাজ, বেইমান। তুই-ই তো বলছিলি, আমাকে এখান থেকে বের করো। তারপর ইচ্ছা হলে খেয়ে ফেলো।' ইঁদুর হাসি দিয়ে বলল, 'রাগ করিস না দোস্ত, তখন তো আমি নেশার মধ্যে ছিলাম।'


বাচ্চা দিতে গিয়ে মারা গেছে

(২২৮) একদিন এক বন্ধু আর এক বন্ধুর কাছ থেকে ৫০টাকা ধার নিয়ে ক'দিন পরে ৬০ টাকা ফেরৎ দেয়।
১ম বন্ধু : ৬০ টাকা কিসের জন্য?
২য় বন্ধু : মণে নেই, সেদিন যে ধার নিলাম।
১ম বন্ধু : আমি তো ৫০ টাকা দিয়েছিলাম।
২য় বন্ধু : হ্যাঁ। তোর ওই ৫০টাকা বাচ্চা দিয়েছিলো। তাই ১০টাকা বেশি দিলাম।
কয়েক দিন পর...
২য় বন্ধু: দোস্ত আমাকে ৫০০ টাকা ধার দে, খুব দরকার। (১ম বন্ধু মণে মণে ভেবে ওর কাছে টাকাও বাচ্চা দেয়)
১ম বন্ধু : আরে শুধু ৫০০ টাকা কেন, তোর জন্য আমার যা আছে সব দিতে পারি। এই নে ৫০০ টাকা।
২য় বন্ধু : ধন্যবাদ দোস্ত, তোর মত লোকই হয়না।
মাস খানেক পর...
১ম বন্ধু : কিরে দোস্ত, প্রায় এক মাস হলো, তুই যে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা ধার নিলি, তা তো ফেরৎ দিলি না?
২য় বন্ধু : দোস্ত কি আর বলবো দুঃখের কথা। ওই ৫০০ টাকা, বা...বা...বা... বাচ্চা দিতে গিয়ে মারা গেছে।


দাম কমে যায়

(২২৯) বাবা: বুঝলি খোকা, এক যায়গায় বারবার গেলে দাম কমে যায় ।
খোকা: সে জন্যই তো আমি প্রতিদিন স্কুলে যাইনা কিন্তু তুমি তো সেটা বুঝই না !


বল্টুর জামাই হওয়া

(২৩০) স্যার এক ছাত্রকে নিমাই বলে ডাকতেন। তাই বল্টু একদিন স্যারকে জিজ্ঞাসা করল : স্যার, আপনি ওই ছেলেটাকে নিমাই ডাকেন কেন?
স্যারঃ ও প্রতিদিন আমাকে নিম পাতা এনে দেয়।তাই নিমাই বলে ডাকি
বল্টুঃ স্যার, আমি আপনাকে জাম পাতা এনে দিব। আপনি আমাকে জামাই ডাকবেন?


বল্টুর নারকেল চুরি

(২৩১) বল্টু গেলো নারকেল চুরি করতে চুপিচুপি সে গাছে ওঠে। গাছে ওঠার পর দেখে যে গাছের মালিক আসছে। এই দেখে বল্টু গাছ থেকে নামার চেষ্টা করে, যখন সে মাঝখানে তখন মালিক তাকে দেখে ফেলে।
মালিকঃ এই বল্টু তুই গাছে কেন?
বল্টুঃ গরুর জন্য ঘাস কাটতে উঠেছি...
মালিকঃ তোর কি মাথা খারাপ। নারকেল গাছে ঘাস পাবি কই?
বল্টুঃ ঘাস পাই নি তাই তো নামছি। পরদিন আবারও বল্টু গেলো চুরি করতে। আবারও মালিক দেখে ফেলল...
মালিকঃ তুই আবার গাছে উঠেছিস কেন?
বল্টুঃ না, কাল ঘাস কাটার কাচিটা ফেলে গেছিলাম। ঐইটা নিতে এসেছি


আপনি তো খুবই সুন্দরী

(২৩২) এক ভদ্রমহিলা ঘরে একা ছিলেন। হঠাৎ দরজায় টোকা পড়লো। তিনি দরজা খুলে অপরিচিত এক লোককে দেখতে পেলেন
লোকটি বললঃ আপনি তো খুবই সুন্দরী।
মহিলা ঘাবড়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলেন।
পরের দিন আবার টোকা পড়লো
মহিলাটি দরজা খুলে আবার সেই লোককে দেখতে পেলেন।
লোকটি বললঃ আপনি সত্যি খুবই সুন্দরী।মহিলা ভয়ে তাড়াতাড়ি দরজা বন্ধ করে দিলেন। পরের তিন চার দিনও যখন একই ঘটনা ঘটতে থাকলো তখন মহিলা বিরক্ত হয়ে পুরো বিষয়টি তার স্বামীকে বললেন। সব শুনে স্বামী বললঃ তুমি কিছু চিন্তা কোরো না, আজ যখন আসবে তখন আমি ঘরে দরজার পিছনে দাঁড়িয়ে থাকবো। তুমি শুধু বলবে, "হ্যাঁ, আমি সুন্দরী, তাতে তোমার কি?" তারপর ব্যাটাকে আমি মজা দেখাচ্ছি।

পরের দিন যখন দরজায় টোকা পড়লো। তখন মহিলার স্বামী দরজার পিছনে লুকিয়ে পড়ল। মহিলাটি দরজা খুলতে লোকটি বললঃ আপনি তো দেখছি অপূর্ব সুন্দরী।
মহিলাঃ হ্যাঁ, আমি সুন্দরী...কিন্তু তাতে আপনার কি?
লোকটি বিনম্র ভাবে হাতজোড় করে বললঃ আপামনি, এই বিশ্বাস আর অনুভুতিটা পারলে আপনার স্বামীর মধ্যে জাগিয়ে তুলুন যাতে, উনি অন্তত আমার স্ত্রীর পিছু টা ছাড়েন...


কাকে বেশি ভালোবাসো?

(২৩৩) বাবা: খোকা, তুমি কাকে বেশি ভালোবাসো? বাবাকে না মাকে?
খোকা: দুজনকেই।
বাবা: উহু। যেকোনো একজনের কথা বলতে হবে।
খোকা: না। আমি দুজনকেই ভালোবাসি।
বাবা: আচ্ছা ধরো, তোমার মা গেল প্যারিসে, আর আমি যুক্তরাষ্ট্রে। তুমি কার সঙ্গে যাবে?
খোকা: মায়ের সঙ্গে।
বাবা: তার মানে তুমি মাকে বেশি ভালোবাসো?
খোকা: না। প্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি সুন্দর।
বাবা: ঠিক আছে। ধরো,আমি গেলাম প্যারিসে আর তোমার মা গেল যুক্তরাষ্ট্রে।
খোকা:তাহলে আমি যুক্তরাষ্ট্রে যাব।
বাবা: এবার প্যারিসে যাবে না কেন?
খোকা: প্যারিস তো একবার মায়ের সঙ্গে ঘুরলাম, আবার তোমার সঙ্গে যাব কেন!
 [ads-post]

২০১৫ সালে ঘুষের বিস্তৃতি

(২৩৪) ১৯৮০ সাল_ এক পুলিশের ছেলে পরীক্ষায় সব বিষয়ে আণ্ডা পেয়েছে।
পুলিশ : নালায়েক পোলা, অল সাবজেক্টে আণ্ডা পেয়েছিস। বল, তোরে কী শাস্তি দিমু?
ছেলে : এবারের মতো কানডলা দিয়ে মাফ কর। আরেকবার সুযোগ দাও।
২০১৫ সাল_ এক পুলিশের ছেলে পরীক্ষায় সব বিষয়ে আণ্ডা পেয়েছে।
পুলিশ : নালায়েক পোলা, অল সাবজেক্টে আণ্ডা পেয়েছিস। বল, তোরে কী শাস্তি দিমু?
ছেলে : এই নাও পঞ্চাশ টাকা। কেইসটা এখনই খতম কইরা দাও।


দাদাদের আমলে গরম

(২৩৫) তিন চাপাবাজ গল্প করছে
প্রথম জন : আমার দাদার আমলে এত গরম পড়ত যে তাঁর সব মুরগি সেদ্ধ ডিম পাড়ত।
দ্বিতীয় জন : আমার দাদার আমলে এতই গরম পড়ত যে তাঁর খামারে গরু দুধ দিলে সেটা গরম থাকত আর জ্বাল দেওয়ার প্রয়োজন পড়ত না।
তৃতীয় জন : আমার দাদার আমলে এত গরম পড়েছিল যে আমার দাদা একটা হোটেল দিয়ে অনেক বড়লোক হয়ে গিয়েছিল।
'কী বেচত তোর দাদা?'
'কেন, তোদের দাদাদের সেদ্ধ ডিম আর গরম দুধ।'


অফিসে যেতে ট্রেন ফেল

(২৩৬) পুত্র : বাবা, আজ একটা ভালো কাজ করেছি।
বাবা : কী কাজ?
পুত্র : পাশের বাড়ির মোটকা ভদ্রলোক আছেন না, রোজ অফিসে যেতে ট্রেন ফেল করেন, তাকে আজ ট্রেন ধরিয়ে দিয়েছি।
বাবা : তাই নাকি! কী করে?
পুত্র : প্রতিদিনের মতো তিনি হেলেদুলে হেঁটে চলছিলেন, লালুকে (বাঘা কুকুর) লেলিয়ে দিলাম তার পেছনে। ব্যস এমন ছোটা ছুটলেন


পল্টুর আসতে দেরি

(২৩৭) শিক্ষক : পল্টু, তোমার এত দেরি হলো কেন?
পল্টু : রাস্তায় একজনের একটি পাঁচশো টাকার নোট হারিয়ে গিয়েছিল স্যার।
শিক্ষক : আচ্ছা, তুমি কি তাকে টাকাটা খুঁজতে সাহায্য করেছিলে?
পল্টু : না স্যার। আমি টাকাটার উপর দাঁড়িয়েছিলাম।


নাইটগার্ডের যোগ্যতা

(২৩৮) বাড়ির মালিক : তোমাকে যে নাইটগার্ডের চাকরি দেব, তোমার যোগ্যতাটা কী, শুনি?
নাইটগার্ড : আমি, স্যার, সামান্য গোলমালেই জেগে উঠি।


আজ কালকের সিনেমা

(২৩৯) স্ত্রী : কাল তুমি পাশের বাসার ভাবির সঙ্গে সিনেমা দেখতে গেলে কেন?
স্বামী : কী করব বলো, আজকাল যে সিনেমাগুলো হয়, সেগুলো কি পরিবার নিয়ে দেখা যায়...?


আমি ডিম আনতে বাইরে গেলাম

(২৪০) এক স্ত্রী তার স্বামীকে পরীক্ষা করে দেখতে চাইলো । স্বামী তাকে কতটুকু পছন্দ করে এবং তাকে ছাড়া বাঁচতে পারে কি না । তাই সে তার স্বামীর প্রতিক্রিয়া জানার জন্য একটা চিঠি লিখল - "দেখো আমি তোমার প্রতি এবং আমাদের লাইফ নিয়ে প্রচন্ড বিরক্ত। আমি আর তোমার সাথে থাকতে চাই না । আমি সারা জীবনের জন্য চলে গেলাম ।" স্ত্রী এই চিঠি টা লিখে টেবিলের উপর রেখে নিজে খাটের নিচে লুকিয়ে রইলো। সন্ধ্য স্বামী বাসায় এসে চিঠি টা হাতে নিয়ে পড়ল। তার পর কলম দিয়ে চিঠিতে কি যেন লিখল। আবার চিঠিটা টেবিলে রেখে দিলো । একটু দুঃখ ভারাক্রান্ত থেকে স্বামী হঠাৎ খুব খুশি হলো । শিস বাজাতে লাগলো । গান ছেড়ে ধামাক নৃত্য শুরু করলো । তারপর টেলিফোন সেটটাকে বিছানার উপর এনে তার তার কোনো এক বান্ধবীকে ফোন দিলো। ফোনে ঐ প্রান্তকে বলছে,"আজ অটোম্যাটিক্যালিআমার লাইফ থেকে আপদ দূর হয়েছে । ডার্লিং তুমি আমার জীবনে আগের মতই থাকবে। আমার স্ত্রী আমাদের মাঝে আর বাঁধা হয়ে থাকবে না । তুমি এনিটাইম আমার বাসায় চলে আসবে । বেবী, তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচব না ।" এমন বলার পর, স্বামী ফোন রেখে বাসার বাইরে চলে গেলো হাসতে হাসতে. হয়তোতার বান্ধবীকে বা অন্য কাউকে আনতে গেছে । এদিকে তার স্ত্রী তো খাটের নিচে থেকে কাঁদতে কাঁদতে বের হলো। এমন কুলাঙ্গার স্বামীর সাথে সংসার করেছে এতোদিন এই ভেবে কপাল চাপড়াচ্ছিল। হঠাত তার মনে হলো দেখিতো স্বামী চিঠিতে কি লিখছে । তাই টেবিলের কাছে এসে চিঠিটা হাতে নিলো । চিঠির ভাঁজ খুলে স্বামীর লেখাটা বের করলো । স্বামী যা লিখেছে, তা হলো - "আমার জীবন থেকে চলে গেছো ভালো কথা, কিন্তু খাটের নিচে থেকে কেন তোমার পা দেখা যাচ্ছে । আমি ডিম আনতে বাইরে গেলাম।


লাভ ম্যারেজ

(২৪১) চান্দু মুচকি হেসে তার বাবাকে বলছে: আব্বা, তোমাদের লাভ ম্যারেজ হয়েছিল, তাই না?
বাবা (অবাক হয়ে) : হ্যাঁ !! কিন্তু তুই কিভাবে জানলি? কে বলেছে?
চান্দু : আরে ধুর,কে বলতে যাবে! একটু মাথা খাটালেই তো বোঝা যায়! তোমাদের ম্যারেজ ডে-র ৫ মাস পরই আমার বার্থ ডে !!!
চান্দুর বাবা পুরাই শকড...


খালি ট্যাক্সি

(২৪২) কর্তা : যা তো ক্যাবলা, একটি খালি ট্যাক্সি নিয়ে আয়! কিছুক্ষণ পর ক্যাবলা এসে বলল, স্যার, সারা বাজার ঘুরে একটিও খালি ট্যাক্সি পেলাম না, ড্রাইভারের সিটে কেউ না কেউ বসে আছে!


বল্টুর প্রাইভেট ক্লাস

(২৪৩) শিক্ষক : বলতো আম উপরের দিকে না পরে নিচের দিকে পরে কেন?
বল্টু : স্যার, উপরে খাওয়ার মানুষ নেই তাই।
শিক্ষক (একটু রেগে) : এই শিখছিস ? আচ্ছা বল, লোহার তৈরি জাহাজ পানিতে ভাসে, কিন্তু লোহার টুকরা পানিতে ডুবে যায় কেন?
বল্টু : লোহার তৈরি জাহাজ ভেসে থাকে কারন এর চালক আছে, কিন্তু লোহার টুকরার চালক নেই তাই এটা ডুবে যায়।
শিক্ষক : তোর মাথায় ডাস্টার মারব হারামি।
আচ্ছা এবার বাংলা ২য় পত্র বের করে ক্রিকেট রচনাটা লেখ। সময়:-৩০মিনিট।
কিছক্ষন পর বল্টু খাতা জমা দিল..... স্যার তো অবাক এত তাড়াতাড়ি বল্টুর রচনা লেখা হয়ে গেল।
শিক্ষক কৌতূহল সহকারে পড়ল।
বল্টু লিখেছে...... "খেলা শুরু এবং আকাশে মেঘলা মেঘলা ভাব। বৃষ্টির কারনে ম্যাচ পরিত্যক্ত।
শিক্ষক বেহুস


মৃত্যু শয্যায়ে এক কিপটা লোক

(২৪৪) মৃত্যু শয্যায়ে এক কিপটা লোক
কিপটা লোকঃ আমার স্ত্রী কই ?
স্ত্রীঃ ওগো, আমি তোমার পাশেই আছি ।
কিপটা লোকঃ আমার ছেলে মেয়েরা কই ??
ছেলেমেয়েরাঃ এই যে বাবা, আমরা তোমরা পাশেই আছি ।
কিপটা লোকঃ সবাই ত এইহানে । তাইলে পাশের রুমের ফ্যানডা ঘুরতাছে কেরে?


বালিশ দিসনাই কে!

(২৪৫) এক লোকের প্রচুর শখ হয়েছে একদিন তার বউকে ইচ্ছামত পিটাইবে। কিন্তু বিনা কারণে তো আর মারা যায়না। তাই তিনি দোষ খুঁজতে লাগলেন। কিন্তু বউয়ের কোন দোষ খুজে পাওয়া গেল না। একদিন তিনি বাইরে থেকে বাড়ি ফিরে আসলে দেখতে পেলেন বাড়ির বারান্দায় একটা কুকুর শুয়ে আছে। তাই দেখে তিনি লাঠি নিয়ে বউকে ইচ্ছামত পিটালেন। ইচ্ছামত পেটানোর পর বউ এসে কাঁদতে কাঁদতে জিজ্ঞেস করল :-- তুমি আমাকে মারলা কেন? আমি কি দোষ করেছি??
স্বামী বলল : আরে হারামজাদী কুত্তাটা এতক্ষণ বারান্দায় শুইয়া আছে, হেতেরে বালিশ দিসনাই কে!!!


পকেট গরম

(২৪৬) কোর্টে উকিল আসামিকে জেরা করছে
উকিল : আপনি পুলিশের পকেটে জ্বলন্ত সিগারেট রাখছেন কেন..?
আসামি : আমি একটা জিডি করতে পুলিশের কাছে গেছিলাম। কাজ করার আগেই পুলিশ তার পকেট গরম করতে বলেছে। তাই সিগারেটটা তার পকেটে চালান করে দিলাম।


নাড়াচাড়া ও করতে দেয় নাই!!!

(২৪৭) এক শিক্ষক পরীক্ষার হলে নকল করতে দিয়ে ছাত্রদের বলছে
শিক্ষকঃ তোরা বাইরে যেয়ে আবার বলিস না যে আমি নকল করতে দিসি!!!
পাপ্পুঃ আরে না স্যার কি যে বলেন , বাইরে যাইয়া কমু, শালা স্যার বহুত হারামি আছিল, শালার পুত পরীক্ষার হল এ নাড়াচাড়া ও করতে দেয় নাই!!!


বড় কর্তার সেক্রেটারি

(২৪৮) বড় কর্তার সেক্রেটারির সঙ্গে বড় কর্তার স্ত্রীর কথা হচ্ছে-
সেক্রেটারি : ম্যাডাম, কয়েক দিন ধরে আপনাকে বেশ উদাস দেখা যাচ্ছে। কোনো সমস্যা হয়েছে নাকি!
বড় কর্তার স্ত্রী : আর বোলো না। শুনেছি তোমার বস অফিসের এক নতুন কর্মচারীর প্রেমে পড়েছে।
সেক্রেটারি: বলেন কী ম্যাডাম! এটা কিছুতেই হতে পারে না। স্যার কিছুতেই আমাকে ধোঁকা দিতে পারেন না।


কথায় কথায় নাচে!

(২৪৯) - মা, তুমি কি আগে ব্যান্ড বাজাতে?
- না সোনা, কিন্তু এ প্রশ্ন কেন?
- পাড়া-পড়শীরা বলে, বাবা নাকি তোমার কথায় কথায় নাচে!


কাল আর পাত্রভেবে, সব সময় ই রোমান্টিক

(২৫০) """"যখন ২য় শ্রেনীর ছাত্র""""
ছেলেঃ i love u,,,
মেয়েঃ যাও, আমার চকলেটের ভাগদেব না।
""""যখন ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র...
ছেলেঃ i love u,,,,,,
মেয়েঃ ছিঃ কিবলছো এসব।লজ্জা শরম নাই?
""""যখন ৯ম শ্রেনীর ছাত্র""""
ছেলেঃ i love u......মেয়েঃ আস্তে বলো কেউ শুনেফেলবে।
"""" যখন কলেজের ছাত্রঃ
ছেলেঃ i love u......
মেয়েঃ চলো কফি হাউজে যাই।
যখন ভার্সিটির ছাত্র
ছেলেঃ I love u.....
মেয়েঃ বিয়ে করবে কবে?
বিয়েরপরে....
স্বামীঃ i love u,,,,,,
স্ত্রীঃ হয়েছে হয়েছে, এতো ঢংদেখাতে হবে না।
স্বামী যখন এক সন্তানের বাবা,,,,,,,
স্বামীঃ i love u....... স্ত্রীঃ কি বলছোএসব,বাবু শুনেফেলবে তো।
স্বামী যখন দাদু......
স্বামীঃ i love u......
স্ত্রীঃ দিন দিন ছোট হচ্ছো নাকি?

ভালোবাসা, সত্যিই ভালোবাসা,যার কোন তুলনা হয় না, হয় না ব্যাখ্যা। স্থান, কাল আর পাত্র ভেদে, সব সময় ই রোমান্টিক।