সেরা বাংলা কৌতুকঃ পর্ব ১১ - সেরা-সংগ্রহ.কম
X

Saturday, March 11, 2017

সেরা বাংলা কৌতুকঃ পর্ব ১১

BEST BANGLA JOKES

সেরা বাংলা কৌতুক




জুতোর বাড়ি

(২৫১) ১ম বন্ধু : জানিস, বাড়ি থেকে পালিয়ে যেদিন নিশিকে বিয়ে করলাম, ঠিক সেদিনই জুতোর বাড়ি খেতে হলো!
২য় বন্ধু : আমার ধারণা, এর পেছনে নিশ্চয়ই নিশির বাবার হাত ছিল!
১ম বন্ধু : না না, হাত নয়! ওটার মধ্যে নিশির বাবার ‘পা’ ছিল!


গাধা না কি নির্বোধ?

(২৫২) শিক্ষক : যারা একেবারে গাধা বা নির্বোধ তারা ছাড়া সবাই বসে পড়ো। (সব ছাত্র বসলেও একজন দাড়িয়ে আছে)
শিক্ষক : কী রে, তুই গাধা না কি নির্বোধ?
ছাত্র : না স্যার, আপনি একা দাঁড়িয়ে আছেন এটা ভাল দেখাচ্ছেনা, তাই...!


পাগল হয়ে গেলে তো মানুষ কত কিছুই করে!

(২৫৩) স্ত্রী : আমি যদি হঠাৎ মারা যাই। তাহলে তুমি কী করবে?
স্বামী : তুমি মরে গেলে আমি পাগলই হয়ে যাব।
স্ত্রী : আরেকটা বিয়ে করবেনা তো?
স্বামী : পাগল হয়ে গেলে তো মানুষ কত কিছুই করে!


বিয়ে করতে কত টাকা-পয়সা খরচ হয়?

(২৫৪) ছোট্ট ছেলে : আচ্ছা বাবা, বিয়ে করতে কত টাকা-পয়সা খরচ হয়?
বাবা (দীর্ঘশ্বাস ফেলে) : জানি না রে বাবা... আমি তো এখনো খরচ করেই যাচ্ছি!


একেবারে স্বপ্নের মতো

(২৫৫) আচ্ছা, আমার রান্না কেমন লাগল?
-একেবারে স্বপ্নের মতো।
তার মানে আপনি বোঝাতে চাচ্ছেন, অসাধারণ?
-ঠিক তা নয়, স্বপ্নে আসলে কোনো খাবারের স্বাদ পাওয়া যায় না!


লাইফ জ্যাকেট

(২৫৬) সমুদ্রে জাহাজ চলছে। হঠাৎ প্রচণ্ড ঝড় ওঠল। ক্যাপ্টেন সব যাত্রীকে উদ্দেশ করে বললেন, আপনাদের মধ্যে কে সবচেয়ে ভালো প্রার্থনা করতে পারেন? -যাত্রীদের একজন সগর্বে হাত তুলল।
ক্যাপ্টেন : আপনি এখানে এসে প্রার্থনা শুরু করুন...আর বাকিরা লাইফ জ্যাকেট পরে নিন।
আমাদের একটা লাইফ জ্যাকেট কম আছে!


গরম চা

(২৫৭) ১ম চাপাবাজ : আমি এত গরম চা খাই যে, কেতলি থেকে সোজা মুখে ঢেলে দেই!
২য় চাপাবাজ : কী বলিস! আমি তো চা- পাতা, পানি, দুধ, চিনি মুখে দিয়ে চুলোয় বসে পড়ি!


স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে

(২৫৮) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে-
স্ত্রী : শোনো, তোমার বন্ধু যে মেয়েটিকে বিয়ে করতে যাচ্ছে ওই মেয়ে কিন্তু অতোটা ভালো নয়।
স্বামী : তাতে আমার সমস্যাটা কী?
স্ত্রী : আরে, জেনেশুনে তোমার বন্ধু খারাপ মেয়েকে বিয়ে করবে! তুমি তাকে নিষেধ করছো না কেন?
স্বামী: আমি কেন তাকে নিষেধ করবো! আমি যখন বিয়ে করি তখন তো সে আমাকে নিষেধ করেনি!


আপনার "WIFE" কে ব্যবহার করেছি

(২৫৯) এক লোকের ফোনে ম্যাসেজ এলো.....
"সরি স্যার, আমি আপনার "WIFE" কে ব্যবহার করেছি। দিন রাত যখনই সময় পেয়েছি, তখনই ব্যবহার করেছি। বিশেষ করে আপনি যখন বাড়ি থাকেন না। যতটা ব্যবহার আমি করেছি ততটা বোধহয় আপনিও করতে পারেন নি। কিন্তু, আমি এখন আমার ভুলের জন্যে খুবই লজ্জিত। পারলে আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।"
ম্যাসেজটা পড়ে লোকটি খুব রেগে গেল..., সে রিভালবার বার করে তার বৌ কে গুলি করে মেরে দিল। কিছুক্ষন পর লোকটির আবার ম্যাসেজ এলো.....
"সরি স্যার, ভুল হয়ে গেছে, "WI FI" লিখতে গিয়ে "WIFE" লিখে ফেলেছি ।


বাল

(২৬০) বল্টুর একটা মুদ্রাদোষ আছে। বল্টু যে কোন কথা বলার শেষে বলে বাল।
যেমনঃ ওর মা বলতেছে...
মাঃ কিরে বল্টু ভাত খাবি না?
বল্টুঃ ভাত খাবো না বাল। সেই বল্টু SSC পরীক্ষা দিবে। স্কুলের স্যার'রা বার বার বলে দিলো পরীক্ষার খাতাই যেন লেখার শেষে বাল না লিখে। বল্টুর আজ বাংলা পরীক্ষা। তো পরীক্ষা শেষ হতে আর মাত্র দূই মিনিট সময় আছে। বল্টু খাতা রিভিশন দিতে গিয়ে দেখে প্রত্যেক লাইনের শেষে বাল লেখা। বল্টুতো অবাক এখন কি করে, বাল লেখাটা যে কেটে দিবে তার সময়ও নেই। তবুও কিছু বাল লেখা কেটে দিলো। হঠাৎ করে বল্টুর মাথায় একটা বুদ্ধি আসল। খাতার শেষের পাতায় বড় করে লিখে দিলো। স্যার মহোদয়, সময়ের অভাবে সব বাল কাটতে পারলাম না। বাকী কয়টা আপনি কেটে নিবেন।


বল্টু ও আবুল গেছে ইন্টারভিউ দিতে

(২৬১) বল্টু ও আবুল গেছে ইন্টারভিউ দিতে। যথা সময় ইন্টারভিউ কক্ষে বল্টুর ডাক পরলো...
বসঃ বলুন তো বাংলাদেশ স্বাধীন হইছে কবে?
বল্টুঃ স্যার সেই ১৯৫২ সাল থেকে এর প্রক্রিয়া শুরু আর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এর সমাপ্তি ঘটে।
বসঃ ৭১ সালের কয়েক জন শহীদের নাম বলুন?
বল্টুঃ লক্ষ লক্ষ লোকের মধ্যে ৫/৬ জনার নাম বলে বাকি সবাইকে ছোট করতে চাই না স্যার।
বসঃ গুড, আচ্ছা বলুন তো মহাশূন্যে যে প্রানের সন্ধান পাওয়া গেছে তার শেষ অবস্থা কি?
বল্টুঃ এ সম্পর্কে এখনো গবেষনা চলছে রেজাল্ট বের হলে আপনি আমি সবাই জানবো স্যার।
বসঃ ঠিক আছে আপনি যান।
(এতক্ষন দরোজায় কান পেতে আরেক ইন্টারভিউ প্রার্থী আবুল ভিতরের কথপোকথন শুনছিল, কিন্তু সে শুধু বল্টুর কথাই শুনতে পেলো, আর বসের প্রশ্ন সে শুনতে পাই নাই)
তাকে যখন ডেকে নিয়ে বস প্রশ্ন করলো...
বসঃ আপনার জন্ম কবে?
আবুলঃ সেই ১৯৫২ সাল থেকে এর প্রকিয়া শুরু আর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরে এর সমাপ্তি ঘটে। বস ভাবলো আবুল মনে হয় প্রশ্ন শুনতে ভুল করেছে তাই আরেকটা প্রশ্ন করলো...
বসঃ আচ্ছা আপনার বাবার নাম কি?
আবুলঃ লক্ষ লক্ষ লোকের মধ্যে ৫/৬ জনার নাম বলে বাকি সবাইকে ছোট করতে চাই না স্যার।
বসঃ আপনি পাগল নাকি?
আবুলঃ এ সম্পর্কে এখনো গবেষনা চলছে, রেজাল্ট বের হয় নি ।
(আবুলের কথা শুনে বস বেহুশ)


কেরোসিন মেরে নিভাচ্ছিল

(২৬২) চার পাগল একটি পুকুর ঘাটে বসে কথা বলছে ।
১ম পাগল:-শুনেছিস গতরাতে এই পুকুরে আগুন লেগেছে ।
২য় পাগল:-তাই নাকি । তাহলে মাছেরা কোথায় উড়ে পালিয়ে ছিল ।
৩য় পাগল:- যা মাছের কি ঘোড়ার মত পাখা আছেনাকি উড়ে ছলে যাবে ।
৪র্থ পাগল:- তোরা সবাই পাগল হয়ে গেছিস । ঐ সময় মাছেরা আগুনকে কেরোসিন মেরে নিভাচ্ছিল ।


বিপদে পড়লে পুলিশের help নিতে

(২৬৩) ছেলে : uncle আপনি কি পুলিশ ?
পুলিশ : হ্যা কেন কি হইছে ?
ছেলে : বাবা বলেছে বিপদে পড়লে পুলিশের help নিতে।
পুলিশ : কি সমস্যা তোমার ?
ছেলে : জুতার ফিতা খুলে গেছে....
পুলিশ : কি !


বসে বসে খাস

(২৬৪) মাঃ কি রে, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাত খাচ্ছিস কেন?
বল্টুঃ এখন থেকে এভাবেই খাবো।
মাঃ কেন রে ?
বল্টুঃ আর কত অপমান সহ্য করব?
বাবা রোজই বলে এত বড় ছেলে, এখনো বসে বসে খাস।


বাসের ভেতরের সতর্কবার্তা

(২৬৫) বাসের এক সিটে দুই জন যাত্রী বসে আছেন। একজন এমনি বসে আছেন এবং আরেকজন সিগারেট টানছেন।
অপর যাত্রী সিগারেটখোর - কে বাসের ভেতরের একটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন,"ভাই দেখেন না, লেখা আছে, ধূমপান নিষেধ?"
সেটা শুনে সিগারেটখোর আরেকটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন,"আপনার কোনো অভিযোগ থাকলে চালককে বলুন।" সেটা দেখে অপর যাত্রী চালকের কাছে গিয়ে বলছে, "চালক ভাই, আমার পাশের সিটের ঐ ভদ্রলোক ধূমপান করছেন ...এবং আমার সমস্যা হচ্ছে, আপনি একটু বিষয়টা দেখবেন।" তাই শুনে চালক বাসের ভেতরের আরেকটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন,"চলন্ত গাড়ীতে চালকের সাথে কথা বলবেননা।"

 [ads-post]
টিচাররা কিছুই জানে না

(২৬৬) ছেলেঃ আমি আর স্কুলে যাব না বাবা।
বাবাঃ কেনরে খোকা, লেখাপড়া করতে ভালো লাগে না?
ছেলেঃ তা নয়, স্কুলের টিচাররা কিছুই জানে না। সবসময় শুধূ ছাত্রদেরই পড়া জিজ্ঞেস করে।


ওয়ান সাইড ফুটা

(২৬৭) ইংরেজ ভদ্রলোক : ( পিঠা বিক্রেতাকে) হোয়াট ইজ দিজ ?
পিঠা বিক্রেতা : ইট ইজ চিতল পিঠা।
ইংরেজ ভদ্রলোক : হোয়াট ইজ চিতল পিঠা ?
পিঠা বিক্রেতা : ওয়ান সাইড ফুটা ফুটা আন্ডার সাইড mota এন্ড is কল্ড চিতল পিঠা । ......মাইরালা।।


B A পর্যন্ত

(২৬৮) একদিন এক পাগল ডাক্তার কে জিজ্ঞেস করল........
পাগল : ডাক্তার সাব আপনি কতদুর পড়েছেন?
ডাক্তার : B A পর্যন্ত ।
পাগল: সালা এতদিনে ২ টা অক্ষর শিকছস, তাও আবার উল্টা।
ডাক্তার : বেহুশ!!!!!!!!!!!!!!


সেমি ফাইনালেই বাদ হয়েছি

(২৬৯) ১ মেয়ের বিয়ে হচ্ছে, সেখানে তার প্রেমিকও এসেছে। ১ লোক এসে জিজ্ঞেস করল, আপনি কি বর ??
প্রেমিক: নাহ আমি তো সেমি ফাইনালেই বাদ হয়েছি, ফাইনাল দেখতে আসছি!


তোর মাথায় শুধু গোবর আর গোবর!!

(২৭০) শিক্ষকঃ “বলতো মুন্না, ছেলেটি গাছ থেকেপড়ে গিয়ে পা ভেঙেছে, এখানে গাছ কোন পদ??”
মুন্নাঃ “বিপদ, স্যার!!”
শিক্ষকঃ “দুর বোকা!! তোর মাথায় শুধু গোবর আর গোবর!!
আচ্ছা, এইবার চান্দু, তুই বলতো পদ্মফুল কোথায় জন্মে??”
চান্দু খানিক ভেবে উত্তর দিলঃ .
“মুন্নার মাথায় স্যার!


ভালবাসা দিবসে প্রেমিক-প্রেমিকা একাকী একটা ঘরে

(২৭১) ভালবাসা দিবসে প্রেমিক-প্রেমিকা একাকী একটা ঘরে।
প্রেমিকা হঠাত্ত তার শাড়ি-ব্লাউজ খুলে ফেলে প্রেমিককে উদ্দেশ্যে বললো—-আমার সব কিছু তোমার!
প্রেমিকঃ আরে!আমি এইসব শাড়ি-ব্লাউজ নিয়ে কি করবো,আমি পুরুষ মানুষ না!


আবুল হাসপাতালের এক সুন্দরী নার্সের প্রেমে পড়ে গেল।

(২৭২) আবুল হাসপাতালের এক সুন্দরী নার্সের প্রেমে পড়ে গেল। সে নার্সকে প্রেমের প্রস্তাব জানিয়ে একটা প্রেমপত্র লিখল। ঐ প্রেমপত্রে কি লেখা ছিল জানেন??
I LOVE U SISTER . . . !!!
হাঃ হাঃ হাঃ কাহিনী বুঝছেন ??


ডায়মন্ডের রিং ও বল্টু

(২৭৩) গার্লফ্রেন্ডঃ জান, আমি কি তোমার কাছে কোনদিন কোনকিছু চেয়েছি ??
বল্টুঃ না তো।
গার্লফ্রেন্ডঃ এখন চাই?
বল্টুঃ চাও।
গার্লফ্রেন্ডঃ ডার্লিং, তোমার এই ডায়মন্ডের রিংটা আমায় দিয়ে দাও না?
বল্টুঃ কেন সোনা?
গার্লফ্রেন্ডঃ আমি প্রতিদিন এই রিংটার দিকে তাকিয়ে তোমার কথা মনেকরব।
বল্টুঃ তুমি তো আমার কথা অন্যভাবেও মনে করতে পার।
গার্লফ্রেন্ডঃ কীভাবে???
বল্টুঃ তুমি ভাববা, আমি ডায়মন্ডের রিংটা চাইছিলাম, কিন্তু শয়তান পোলাটা দেয় নাই !!!
হাঃ হাঃ হাঃ গার্লফ্রেন্ড শকড, বল্টু Always rockzzz . . .


৩ জন আবহাওয়াবিদ বিমানে চড়ে ঘুরতে বেরিয়েছে।

(২৭৪) ৩ জন আবহাওয়াবিদ বিমানে চড়ে ঘুরতে বেরিয়েছে।
১ম জনঃ আমি বিমানের জানালা দিয়ে হাত বের করেই বুঝলাম এটা সুইজারল্যান্ড। কারণ, সুইজারল্যান্ডেরঠান্ডা বাতাস আমি ভালোভাবেই চিনি।
একটু পরে ২য় জন বললঃ আমি বিমানের জানালা দিয়ে হাত বের করেই বুঝলাম এটা সৌদি আরব। কারণ, এখানকার গরম বাতাস আমি ভালোভাবেই চিনি।
আরো কিছুক্ষণ পর ৩য় জন বললঃ আমি জানালা হাত বের করেই বুঝলাম এটা বাংলাদেশের ঢাকার গূল্লিস্থান !!
বাকি ২ জনঃ কিভাবে বুঝলেন?
৩য় জনঃ কারণ, জানালা দিয়ে হাত বের করতেই আমার হাত-ঘড়িটা কেউ মেরে দিছে !!!
হিঃ হিঃ হিঃ মাইরালা, আমারে মাইরালা .


এক মেয়ের কাছে একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে কল

(২৭৫) এক মেয়ের কাছে একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসল।
মেয়ে : হ্যালো.
ছেলে : তোমার কি কোন বয়ফ্রেন্ড আছে??
মেয়ে : হ্যাঁ আছে কিন্তু আপনি কে??
ছেলে : আমি তোর ভাই, দাঁড়া আজকে বাড়িতে আসি তোর খবর আছে!!!
কিছুক্ষণ পর মেয়েটির নিকট আবার অপরিচিত নাম্বার থেকে আরেকটি কল আসল-
মেয়ে : হ্যালো!
ছেলে : তোমার কি কোন বয়ফ্রেন্ড আছে??
মেয়ে : না।
ছেলে : তাহলে আমি কে??
মেয়ে: স্যরি স্যরি জান! আমি মনে করেছি এটা আমার ভাই।

ছেলে : আমি তোর ভাই-ই, আজ তোর একদিন কি আমার একদিন!!!

Post Top Ad


Download

click to begin

6.0MB .pdf