বাংলা সেরা কৌতুকঃ পর্ব ১৬ - সেরা-সংগ্রহ.কম
X

Monday, March 20, 2017

বাংলা সেরা কৌতুকঃ পর্ব ১৬

বাংলা সেরা কৌতুক

পর্ব ১৬



ছেলে ও বাবার কথোকপন

(৩৭৬) ছেলে :বাবা ,আমার ওজন কত হবে?
বাবা :তা পচিঁশ-তিশ সের হবে হয়তো ।
ছেলে :তাহলে তো আমার পড়ালেখা বুঝি গেল ।
বাবা :পড়ালেখার সাথে ওজনের কি সর্ম্পক ?
ছেলে :অংকের স্যার বলেছেন,এক মন না হলে পড়ালেখা হয় না ।


বস এবং পিয়নের মধ্যে কথোপকথন. . .


(৩৭৭) বস : "ধরো একটা প্রচন্ড হিংস্র ভালুক, ওজন দুই টন, তোমার সামনে এসে উপস্থিত হয়েছে. তখন কি বলবে তুমি ?"
পিয়ন> তখন আমি বলবো, "স্যার!! অপনি কষ্ট করে এতো বড় শরীরটা নিয়ে এখানে এসেছেন কেনো?? আমাকে ডাক দিলেইতো পারতেন


তার চোখে বিশ্বসুন্দরী

(৩৭৮) ছোট বোন : আচ্ছা আপু আমি কি খুব সুন্দরী?
বড় বোন : কেন?
ছোট বোন : সাজলে নাকি আমাকে খুব সুইট লাগে।
বড় বোন : এই মিথ্যা কথা তোকে কে বলেছে?
ছোট বোন : দুলাভাই তো বলল আমি নাকি তার চোখে বিশ্বসুন্দরী।


পাছায় অনেক পিটিয়েছে?

(৩৭৯) ক্লস থ্রিতে পড়ে এক পিচ্চি। সে কোনদিন কোন মানুষের পাছা দেখেনি এবং নিজের পাছাও দেখেনি। একদিন স্কুলে পড়া না পাড়ার স্যার তার পাছায় অনেক পিটিয়েছে। সে বাড়িতে এসে আয়নায় নিজের পাছা দেখে বলল আল্লাগো, জাওরা স্যার আমারে মাইরা দুই ভাগ করে দিছে


আলাদিনের প্রদীপ

(৩৮০) আলাদিনের প্রদীপ পেয়েছে রুস্তম। ঘষা দিতেই বেরিয়ে এল দৈত্য! ‘হু হো হা হা হা! আমি তোমার তিনটি ইচ্ছা পূরণ করব। কিন্তু একটা শর্ত আছে।’
রুস্তম: কী শর্ত?
দৈত্য: প্রতিটা ইচ্ছার সঙ্গে তুমি যা পাবে, তোমার শত্রুরা তার দ্বিগুণ পাবে।
রুস্তম: রাজি। প্রথমত, আমাকে একটা দামি গাড়ি দাও।
দৈত্য: এই নাও গাড়ি। তবে জেনে রেখো, তোমার শত্রুরা ইতিমধ্যে দুটো গাড়ি পেয়ে গেছে।
রুস্তম: আমি এক কোটি টাকা চাই।
দৈত্য: এই নাও, তোমাকে কোটিপতি করে দিলাম। জেনে রেখো, তোমার শত্রুরা এখন দুই কোটি টাকার মালিক।
রুস্তম: আমার অনেক দিনের শখ, একটা কিডনি দান করব!


এইখানে বইসা কানে হেডফোন লাগাইয়া গান শুনবা!!!"

(৩৮১) বিমান চলছে, এক পেসেঞ্জার হঠাৎ করে হুরমুর করে প্লেনের চালকের ঘরে ঢুকে পড়লো। চালকতো অবাক, চালককে আরোও অবাক করে দিয়ে লোকটা চালকের হেডফোনটাকে ছিনিয়ে নিল। তারপর লোকটা বলল, "হারামজাদা! আমরা টাকা দেব আর তুমি এইখানে বইসা কানে হেডফোন লাগাইয়া গান শুনবা!!!"


রাস্তা থেকে সরে গিয়ে মর!

(৩৮২) বনের রাস্তার ঠিক মাঝখানটায় এক সিংহ শুয়ে আছে। তা দেখে খুবই ভয়ে ভয়ে একটা শেয়াল তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, "মহারাজ, আপনি এই অবেলায়, রোদের মধ্যে, মাঝরাস্তায় শুয়ে আছেন যে?" সিংহ কাতর ভাবে বললো, "আরে সাধে কি শুয়ে আছি? গুলি লেগেছে উঠতে পারছি না।" এটা শুনেই শেয়াল জোর গলায় বললো, "তাই বলে তোর বাবার রাস্তা মনে করে শুয়ে থাকবি নাকি? রাস্তা থেকে সরে গিয়ে মর!"


পরীক্ষায় নকল

(৩৮৩) পরীক্ষায় নকল করে অনেক লোক সফল হয়েছেন। কিন্তু এর উলটোটার উদাহরণও প্রচুর।
পরীক্ষায় প্রশ্ন এলো - শাহজাহান সম্বন্ধে দু-লাইনে লেখো।
ক্লাসের ফার্স্টবয় লিখলো, "যুদ্ধে হারিয়া শাহজাহান ভাঙ্গিয়া পড়িতেন না।"
তার ঠিক পেছনে বসে পচাদা লিখলো, "যুদ্ধে হারিয়া শাহজাহান জাঙ্গিয়া পড়িতেন না।"


প্রতিবেশীর কুকুর

(৩৮৪) প্রতিবেশীর কুকুরটার চিৎকারে বিরক্ত এক দম্পতি। এক মাঝরাতে বিছানা থেকে উঠেই গেলেন বাড়ির কর্তা। যেতে যেতে বললেন, "অনেক হয়েছে। আজ এর একটা বিহিত করতেই হবে।" এই বলেই হনহন করে বেরিয়ে গেলেন তিনি। কিছুক্ষণ পর ফিরলেন। স্ত্রী জিজ্ঞেস করলেন, "কি বিহিত করে এলে, শুনি?" কর্তা বললেন, "কুকুরটাকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে এসেছি। এবার বুঝুক, প্রতিবেশীর কুকুরের চিৎকার কেমন লাগে!"


রাইতে শিডিউল

(৩৮৫) একবার গ্রামের দুই জন অশিক্ষিত লোক মহাকাশ ভ্রমন নিয়া কথা বলছে।
১ম জন: আম্রিকানরা চান্দে গেছে।
২য় জন: তো কী হইসে? আমরা সুর্যে যামু ।
১ম জন: সম্ভব না । সুর্যের ১৩ মিলিয়ন মাইলের মধ্যে আইলে রকেট গইলা যাইবো।
২য় জন (মাথা চুলকায়া): ঠিক আছে । রাইতে শিডিউল ফেললে রকেটের কিছু হইবো না।

 [ads-post]
বোঝার উপায়ই নেই

(৩৮৬) কার স্ত্রী কতটা ভালো তা নিয়ে কথা বলছে তিন বন্ধু।
প্রথম বন্ধুঃ আমার তানিয়ার কোনো তুলনা নেই। চা খেতে গিয়ে আমার হাত থেকে কাপ পড়ে টুকরো টুকরো হয়ে গেল। তানিয়া সেটা নিয়ে এমনভাবে আঠা লাগিয়ে দিল যে বোঝারই উপায় নেই ওটা ভেঙেছিল।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ একবার আমার প্যান্ট ছিঁড়ে গেল। আমার স্‌ভেতা এমনভাবে তা সেলাই করে দিল, দেখে বুঝতেই পারবে না ওটা কোনোকালে ছিঁড়ে গিয়েছিল।
তৃতীয় বন্ধুঃ আমার ল্যুবা আমার শার্টটা ধুয়ে দিয়েছে, তাকিয়ে দেখ, বোঝার উপায়ই নেই যে ওটা ধোয়া হয়েছে।


বল্ তো চাঁদে প্রথম পা রেখেছিল কে?

(৩৮৭) শিক্ষকঃ বল্টু বল্ তো চাঁদে প্রথম পা রেখেছিল কে?
বল্টুঃ স্যার, নীল আর্মস্ট্রং।
শিক্ষকঃ জানতাম এটা পারবি,সবাই জানে এটা , আচ্ছা এবার বলতো দ্বিতীয় পা রেখেছিল কে?
বল্টুঃ স্যার , আর্মস্ট্রং তো আর ল্যাংরা আছিল না, হেতেই রাখছে....


কঠিন বেইজ্জতি

(৩৮৮) এক ডাক্তার নতুন ক্লিনিক খুলছে !!! ... তো ক্লিনিকে সে বসে আছে !!! হঠাত এক লোককে ডাক্তারের রুমে আসতে দেখে ডাক্তার কানে টেলিফোন নিয়ে বলছে==>
ডাক্তারঃ হ্যালো ! জী আমি ডাক্তার কুদ্দুস বলছি !!! আচ্ছা আপনি আমার চেম্বারে চলে আসুন !!! তারপর আমি আপনার প্রবলেম দেখবো !!! এর ফাঁকে ঐ লোকটি ডাক্তারের রুমে এসে বসলো !!! ডাক্তার ফোন কানে নিয়ে ব্যস্ততার ভঙ্গিতে বলল==>
ডাক্তারঃ আপনাকে কিভাবে সাহায্য করতে পারি ???
লোকঃ আসলে আমি টেলিফোন অফিসের কর্মী !!! আপনার কানের টেলিফোনটির লাইন দেওয়া হয় নাই !!! তাই এখন লাইনটা লাগানোর জন্য আসছি !!!


আপনার ওজন দু-কিলো কমে গেছে কেন?

(৩৮৯) ডাক্তারঃ আপনার ওজন দু-কিলো কমে গেছে কেন ?
মহিলাঃ ও..আজ মেক আপ করিনি তো তাই !


এই হইল আমাদের একবিংশ শতাব্দী

(৩৯০) মেয়েঃ এই রিকসা যাইবা...
রিকসাওলাঃ কই যাইবেন আফা?
মেয়েঃ বিশ্ববিদ্যালয়।
রিকসাওলাঃ না আফা ঐ দিখে যামু না।
মেয়েঃ কেন যাবা না..?
আচ্ছা ইউনিভার্সিটিতে যাইবা...??
রিকসাওলাঃ হ যামু....
তা বাংলাটা আগে কইবেন তো...


গান গেয়ে ভালোবাসা প্রকাশ

(৩৯১) গান গেয়ে মলির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করল জলিল। তারপর গদগদ স্বরে বলল, প্রিয়তমা, কেমন গাইলাম বলো তো?
মলি: তোমার তো টেলিভিশনে গান গাওয়া উচিত।
জলিল: সত্যি?!
মলি: হ্যাঁ। সে ক্ষেত্রে আমি অন্তত টিভিটা বন্ধ করে দিতে পারব।


এক ইয়া মোটা মহিলা বাসায় এক চোর ধরল

(৩৯২) এক ইয়া মোটা মহিলা বাসায় একচোর ধরল।। আর তার উপর বসল যাতে চোরটা পালাতে না পারে।। তারপর চাকরকে বলল পুলিশে খবর দিতে!!
চাকরঃ “আমার জুতা কোথায় গেল?? খুঁজে পাচ্ছি নাহ তো!!”
চোরঃ “আরে জুতা না পেলে আমারটা পড়ে যা বাপ!! তাও তাড়াতাড়ি যা!!”


এক কবুতর

(৩৯৩) এক কবুতর একটু নিচু হয়ে উড়ছিল...হঠাৎ এক গাড়ির সাথে ধাক্কা খেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলো এক লোক তাকে নিয়ে গিয়ে খাঁচায় রাখল। যখন কবুতরের জ্ঞান ফিরল,তখন সে খাঁচার ভিতর নিজেকে দেখে বলল, "হায় আল্লাহ! আমি জেলে...!! গাড়িওয়ালা কি মারা গেছে নাকি....??


এতক্ষণ কী করতাছিলাম?

(৩৯৪) ফুটপাতে এক বেকারকে শুয়ে থাকতে দেখে এক লোক বলল,"ঐ ব্যাটা আরামে ঘুমায় আছস, কাম করতে পারছ না? বেকার: কাম কইরা কী করমু?
লোক: কাম করলে টাকা কামাইতেপারবি|
বেকার: টাকা কামাইয়া কী করমু?
লোক: টাকা কামাইলে বাড়ি-গাড়ি হইব|
বেকার: বাড়ি- গাড়ি দিয়া কী করমু?
লোক: আরামে ঘুমাইতে পারবি|
বেকার: তো আমি এতক্ষণ কী করতাছিলাম?


তিন পাগল

(৩৯৫) তিন পাগল, পাগলা গারদ থেকে পালানোর প্ল্যান করছে।
১ম পাগলঃ পালামু পশ্চিম দিক দিয়া। ঐদিকের দেয়াল যদি বেশী উচু হয় তাইলে একটা মই যোগাড় করতে হইবো। তারপরে মই দিয়া দেয়াল ডিঙ্গায়া পালামু।
২য় পাগলঃ আর দেয়াল যদি বেশী পুরু হয় তাইলে শাবল দিয়া গর্তকইরা পালামু।
৩য় পাগলঃ তাইলে মনে হয় আমরা আর পালাইতে পারুম না রে....
১ম ও ২য় পাগলঃ কেন ? (!)
৩য় পাগলঃ "পশ্চিম দিকে তো কোন দেয়ালই নাই, সব খোলা।"


ছেলে আর মেয়ে এক রেস্টুরেন্টে ডেটিং-এ আছে

(৩৯৬) ছেলে : তোমাকে কিছু বলার ছিল.
মেয়ে : কি বলবা তাড়াতাড়ি বল????
ছেলে : আমার না আরেকটা গার্লফ্রেন্ড আছে!!!!
মেয়ে : ওহ এই কথা!!!! আমি তো ভয় পেয়ে গেছিলাম. আমি মনে করেছিলামতোমা পকেটে টাকা নেই!!!!!!


শালারা একটুও Privacy রাখে না...

(৩৯৭) বাঘ বাঘিনিকে kiss করতে চাচ্ছিলো... বাঘিনি অতি সন্তর্পনে এদ ওদিক তাকাচ্ছিলো... বাঘ জিজ্ঞেস করলো,"কি খুঁজছ?"
বাঘিনিঃ "দেখছি, Discovery Channel আছে কিনা... শালারা একটুও Privacy রাখে না...


মন্টু মিয়া জ্যোতিষীর কাছে হাত দেখাতে গেছে

(৩৯৮) জ্যোতিষী মন্টু মিয়ার হাত দেখে বললঃ আপনার জীবনে ১২ জন নারীর আগমন ঘটবে। মন্টু মিয়ার তো আনন্দে মাথা নষ্ট! সে বললঃ কি শোনাইলেন বাবা! এক আনন্দ রাখমু কই! জ্যোতিষীঃ এত খুশি হওয়ার কিছু নাই। ১২ জনের একজন হবে আপনার স্ত্রী, বাকিরা হবে কন্যা !!!


টুথ পেস্ট

(৩৯৯) মেয়েঃ আমার এক এক নি:শ্বাস-এর জন্য এক একটা ছেলে মরতে পারে ছেলেঃ তাহলে ভালো টুথ পেস্ট দিয়া দাঁত মাজলেই পার :


গাধা & কুকুর

(৪০০) গাধাঃ আমার মালিক আমাকে খুব মারে।
কুকুরঃ তাহলে তুই এখান থেকে পালিয়ে যা।
গাধাঃ না।
কুকুরঃ কেন???

গাধাঃ আমার মালিকের সুন্দরী মেয়েটা যখন লেখাপড়া করতে চায় না, তখন মালিক তার মেয়েকে বলে, “তোকে এই গাধাটার সাথে বিয়ে দেব” মেয়েটাকেও আমার খুব পছন্দ হয়েছে, তাই এত মার খেয়েও এখানে পড়ে আছি!!