বাংলা সেরা কৌতুকঃ পর্ব ১৭ - সেরা-সংগ্রহ.কম
X

Monday, March 20, 2017

বাংলা সেরা কৌতুকঃ পর্ব ১৭

বাংলা সেরা কৌতুক

পর্ব ১৭



৯০ বছরের বৃদ্ধ ডাক্তারের কাছে গিয়েছে

(৪০১) ৯০ বছরের বৃদ্ধ ডাক্তারের কাছে গিয়েছে চেক আপ করাতে তার সব টেস্টের ফল স্বাভাবিক আসলো। ডাক্তার তাকে জিজ্ঞেস করলেন “আপনার সব টেস্টের ফল তো বেশ ভালো এসেছে। তো আপনার মানসিক অবস্থা কেমন?”
বৃদ্ধ হেসে জবাব দিলেন “আসলে কয়েকদিন ধরে আমি বেশ মানসিক শান্তিতে আছি। কারণ বিধাতা আমার প্রতি অনেক সদয় হয়েছেন। তিনি জানেন যে আমার দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হয়ে গেছে। বিধাতার দয়ায় আমি মধ্যরাতে যখন বাথরুমে যাই তখন ধুম!! লাইট অন হয়ে যায়। আবার যখন আমার বাথরুমে কাজ শেষ হয়ে যায়... ধুম!! লাইট অফ হয়ে যায়। এজন্য আমি বিধাতার প্রতি আমি অনেক কৃতজ্ঞ।“ “বাহ!! এটা বেশ দারুণ!!” ডাক্তার অবাক হয়ে বললেন। যাই হোক দিনের শেষের দিকে ডাক্তার বৃদ্ধের স্ত্রীকে ফোন দিলেন “আপনার স্বামী তো বেশ সুস্থ আছেন। এর কারণ তিনি বেশ মানসিক শান্তিতে আছেন। তিনি নাকি যখন বাথরুমে যান,তখন লাইট অন হয়ে যায় আবার যখন বের হন লাইট অফ হয়ে যায়” বৃদ্ধা হতাশ গলায় বললেন “হায়রে খোদা! সে আবারও ফ্রিজে বাথরুম করছে?”


অফিসের তিনজন

(৪০২) এক অফিসের তিনজন কর্মকর্তা দুপুরে খাবার টেবিলে বসে তাদের জীবনে ঘটে যাওয়া কি কাকতালীয় ঘটনা নিয়ে আলোচনা
১ম ব্যক্তিঃ আমার বউ একবার"দুই শহর" বইটি পডতেছিল এবং তারপর সে আমাদের জমজ বাচ্চা উপহার দেয়।
২য় ব্যক্তিঃ আমার বউ একবার "তিন পাগলের মেলা..." বইটি পডতেছিল এবং তারপর সে আমাদের একসাথে তিনটা বাচ্চা দেয়।
৩য় ব্যক্তিঃ ইয়া আল্লাহ ! আমাকে এক্ষুনি বাসায় যেতে হবে!!!!
"কেন?"- অন্য দুইজন এক সাথে জিঙ্গাসা করল! ৩য় ব্যক্তি বলল.. "আমি যখন বাসা থেকে বের হচ্ছিলাম তখন বউ "আলি বাবা ও চল্লিশ চোর" বইটা পড়ছিল!


এক লোক তার স্ত্রীকে এস এম এস করলো

(৪০৩) এক লোক তার স্ত্রীকে এস এম এস করলো "আমার আসতে দেরী হবে, আমার ময়লা কাপড়গুলো ধুয়ে রেখো আর আমার পছন্দের খাবার রান্না করে রেখো।"
স্ত্রী কোনও উত্তর করলো না এস এম এস এর। কিছুক্ষণ পর আবার একটা এস এম এস করল "আমার বেতন বেড়েছে, দিগুণ হয়েছে, তোমাকে এই মাসের শেষে একটা নতুন গাড়ি কিনে দেব।"
এবার স্ত্রী উত্তর করলো খুশিতে গদগদ হয়ে "ও মা! সত্যি?!"
লোকটি উত্তর করলো. . . . "না, আমি শুধু নিশ্চিত হতে চেয়েছিলাম যে তুমি আমার প্রথম এস এম এস টা পেয়েছ কিনা".


ব্ল্যাকবেরি" নাহলে "অ্যপল

(৪০৪) আমি বাবাকে আজ সরাসরি বলে দিলাম, বাবা আমার "ব্ল্যাকবেরি" নাহলে "অ্যপল" লাগব!!বাবা কিনা বলে, এখন আপেলের সিজন না বাপ "কমলা" খা!!


চরম অলস দুই বন্ধু গাছের নিচে শুয়ে আছে

(৪০৫) প্রথম বন্ধুঃ দোস, আমার কপালে একটা মাছি বইসা আছে। একটু তাড়ায়া দিবি?
দ্বিতীয় বন্ধুঃ পারমুনা! একটু আগে আমার মুখটা কুত্তায় চাইট্যা গেল, তবুও নড়লামনা !!! আর তুই কস তোর কপালের মাছি খেদায়া দিতে ???


বড় বোন এবং ছোট বোন

(৪০৬) বড় বোন : আচ্ছা, আমি যখন গান করি তখন তুই বারান্দায় গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকিস কেন?
ছোট বোন : আমি যে গান গাচ্ছি না সেটা অন্যদের বোঝানোর জন্য।


শার্ট-প্যান্ট কোনোটারই পকেট নেই

(৪০৭) দরজির কাছে শার্ট-প্যান্ট বানাতে দিয়েছেন ব্যাংক কর্মকর্তা শফিক। যথা সময়ে তিনি তাঁর পোশাক বুঝে পেলেন। সব ঠিকঠাক আছে, শুধু শার্ট-প্যান্ট কোনো টারই পকেট নেই। দরজিকে পাকড়াও করলেন শফিক, ‘কী হে, জামার পকেট কোথায়?’ দরজি উত্তর দিল, ‘ব্যাংক কর্মকর্তারা কখনো নিজের পকেটে হাত দেয় নাকি!


আবুলের ইন্টারর্ভিউ

(৪০৮) আবুল এক জায়গায় ইন্টারর্ভিউ দিতে গিয়েছে তাকে জিজ্ঞেস করা হলঃ “যদি আপনাকে ২ মিনিটের জন্য প্রধানমন্ত্রী করা হয়... তাহলে কি করবে?
আবুলঃ “ম্যাগি নুডলস রান্না করবো”
ইন্টারভিউয়ারঃ “কেন!!!?”
আবুলঃ “২ মিনিটে তো শুধু ম্যাগি নুডলসই বানান যায়”
ইন্টারভিউয়ারঃ “ আচ্ছা আচ্ছা। আর যদি ৫ বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী করা হয়....তখন??”
আবুলঃ “আমি হব না ৫ বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী”
ইন্টারভিউয়ারঃ “কেন!!!?”
আবুলঃ “এত ম্যাগি নুডলস কে খাবে!!?!”।


শিক্ষক & ছাত্র

(৪০৯) 1. শিক্ষক :গতকাল স্কুলে আসোনি কেন ?
ছাত্র :আমার পা মচকে গিয়েছিল.
শিক্ষক : এটা একটা খোঁড়া অজুহাত.
2. শিক্ষক :’বাচ্চা’র বহুবচন কি ?
ছাত্র : যমজ.
3. শিক্ষক : 1936 সালে জন্মগ্রহণ করা একজন মানুষের বয়স এখন কত হবে?
ছাত্র : পুরুষ না মহিলা ?
শিক্ষক : এর সাথে পুরুষ-মহিলার সম্পর্ক কি ?
ছাত্র : মহিলা হলে দশ বছর বিয়োগ করতে হবে


একটা ভিক্ষুক ভিক্ষা করে

(৪১০) একটা ভিক্ষুক ভিক্ষা করে ৫০ টাকা আয়করেই চলেগেল 5 star হোটেলে। খাওয়া দাওয়ার পর বিল হল ৪৫১০ টাকা। ফকিরের কাছে অত টাকা না থাকায় ম্যানেজার তাকে পুলিশে দিল। ফকির পুলিশকে ৫০ টাকা ঘুষ দিয়ে বেরহয়ে আসল।


ডায়মন্ডের রিং আর একটা আইফোন গিফট

(৪১১) ছেলেঃ আমি তোমাকে ভালোবাসি।
মেয়েঃ মুড়ি খাও...!
ছেলেঃ আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচবোনা...!
মেয়েঃ দূরে যাইয়া মরো...!
ছেলেঃ আমি তোমাকে একটা ডায়মন্ডের রিং আর একটা আইফোন গিফট দিবো...!
মেয়েঃ সত্যি!!!!! এটা আগে বলবা না !
ছেলেঃ দূরে যাইয়া মুড়ি খাইয়া মর।


২ জন ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট পরীক্ষার হলে

(৪১২) ২ জন ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট পরীক্ষার হলে কথা বলতেছে-
স্টুডেন্ট ১ : আজ কি পরীক্ষা রে???
স্টুডেন্ট ২ : ম্যাথ পরীক্ষা.
স্টুডেন্ট ১ : সালা, এর মানে কি??? তুই পড়ে আসছস???
স্টুডেন্ট 2 :আরে না yaar, দেখতেছস না ঐ মেয়েটি আজ ক্যালকুলেটর নিয়ে এসেছে!!!!!!!


আলোকচিত্র সাংবাদিক হরিপদ

(৪১৩) আলোকচিত্র সাংবাদিক হরিপদ মহাসড়ক ধরে ছুটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ দেখলেন, পথিমধ্যে এক জায়গায় ভয়ানক দুর্ঘটনা ঘটেছে। জানা গেল, হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। করিৎকর্মা হরিপদ ভাবলেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে চটজলদি কিছু ছবি না তুললেই নয়। ক্যামেরা হাতে এগিয়ে গেলেন তিনি। এদিকে লোকজন ভিড় করে দাঁড়িয়ে আছে। হরিপদ ছবি তুলবেন কি, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি যাওয়াই দায়। ফন্দি আঁটলেন হরিপদ। উঁচু গলায় বলতে শুরু করলেন, ‘দেখি ভাই, আমাকে একটু সামনে যেতে দেন। যিনি মারা গেছেন, তিনি আমার অত্যন্ত আপনজন…একটু সামনে যেতে দিন।’হরিপদকে জায়গা করে দিল লোকজন। হরিপদ সামনে গিয়ে দেখলেন, দুটো ছাগল মরে পড়ে আছে!


চীনা ভাষা

(৪১৪) চীনা ভাষা জানে, এমন একজনকে খুঁজে বের করলেন নাজমুদ্দিন সাহেব। বললেন, আমাকে সাহায্য করুন। অনেক কষ্টে আপনাকে খুঁজে পেয়েছি। লোকটা বললেন, আমাকে কেন খুঁজছিলেন, বলুন তো?
নাজমুদ্দিন: আমার এক চীনা বন্ধু ছিল, নাম তার চিং হোয়াই। ওর আর আমার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব হলেও আমি চীনা ভাষা জানি না। চিং হোয়াইও চীনা ভাষা ছাড়া আর কোনো ভাষা জানে না। কয়েক মাস আগে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল চিং। ওর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে দেখি, বেচারার করুণ হাল। নাকে-মুখে অক্সিজেনের নল লাগানো। আমাকে কাছে পেয়েই ও কাতর হয়ে উঠল, বলল, ‘লি কায় ওয়াং কি গুয়ান’, বলতে বলতেই বেচারা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করল। এদিকে আমি তো চীনা ভাষা জানি না। বন্ধুর শেষ কথার অর্থ উদ্ধার করতে আমি দিনের পর দিন ঘুরে বেড়িয়েছি। এখন আপনিই আমাকে এই মনঃকষ্ট থেকে উদ্ধার করতে পারেন। বলুন, এর অর্থ কী? কিছুক্ষণ ভেবে নিয়ে বললেন চীনা ভাষা অনুবাদকারী, এর অর্থ হলো, ‘অক্সিজেনের নলটার ওপর থেকে সরে দাঁড়াও!’


পাগলা গারদের এক ডাক্তার তিন পাগলের পরীক্ষা

(৪১৫) পাগলা গারদের এক ডাক্তার তিন পাগলের পরীক্ষা নিচ্ছেন। পরীক্ষায় পাস করলে তিনজনকে পাগলা গারদ থেকে মুক্তি দেওয়া হবে, কিন্তু ফেল করলেই পাঁচ বছরের জন্য তাদের আটকে দেওয়া হবে। ডাক্তার তিন পাগলকে একটা ফাঁকা, জলবিহীন সুইমিং পুলের সামনে নিয়ে গিয়ে ঝাঁপাতে বললেন। প্রথম পাগলটি তৎক্ষণাৎ তাতে ঝাঁপ দিয়ে পা ভেঙে ফেলল। দ্বিতীয় পাগলটিও ডাক্তারের নির্দেশমতো পুলে ঝাঁপ দিল এবং হাত ভেঙে ফেলল। তৃতীয় পাগলটি কিন্তু কোনো মতেই ঝাঁপ দিতে রাজি হলো না। ডাক্তারটি উচ্ছ্বসিত হয়ে বললেন, ‘আরে, তুমি তো কামাল করে দিয়েছ! যাও, তুমি মুক্ত। তবে একটা কথা বলো, তুমি পুলে ঝাঁপ দিলে না কেন?’নির্দ্বিধায় পাগলটি জবাব দিল, ‘দেখুন ডাক্তার বাবু, আমি সাঁতারটা একে বারে জানি না!’


মোবাইল চার্জ

(৪১৬) সবাই রাতে দেয়, কেও সময় পেলে দিনেও দেয়, টানা ১ ঘন্টা আবার ২ ঘন্টা ও দেয়, কেও কেও সারা রাত দেয়, কেও আবার সকালেও দেয়! দেওয়ার সময় পুরা গরম হইয়া যায় । ..এভাবেই সবাই মোবাইল চার্জ দেয়! হে হে হে ।


স্বামী আর স্ত্রী?

(৪১৭) একটি আন্তর্মহাদেশীয় ট্রেনে এক ব্যক্তি আর এক মহিলা একই কম্পার্টমেন্টে শোওয়ার জায়গা পেয়েছেন। প্রথমে কিছুক্ষণ উসখুস করলেও দুজনেই খুব ক্লান্ত থাকায় অল্পক্ষণের মধ্যেই তারা ঘুমিয়ে পড়লেন। ভদ্রলোক উপরের বার্থে আর ভদ্রমহিলা নীচের বার্থে। মাঝরাতে হঠাৎ ভদ্রলোকের ঘুম ভাংল। তিনি একটু ইতস্তত করে ভদ্রমহিলাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বললেন " দেখুন কিছু মনে করবেন না , আমার এত ঠান্ডা লাগছে, আপনি কি দয়া করে আমার সুটকেস থেকে একটা কম্বল বার করে আমায় দেবেন ?" ভদ্রমহিলা উত্তরে বললেন " আমার আরো একটা ভালো আইডিয়া আছে। আজকের রাতের জন্য মনে করি না আমরা স্বামী আর স্ত্রী?" ভদ্রলোক খুব অবাক আর মনে মনে খুব খুশি হয়ে বললেন " ওয়াও!!! দারুণ আইডিয়া!! তাহলে এখন আমার কি করা উচিত?" "উঠুন আর নিজের কম্বল নিজে নিয়ে নিন। "


তুমি পেদনা পেদনা...

(৪১৮) এক লোক বিয়ে. করবে বলে মেয়ে দেখতে গেছে.... লোকটার একটা সমস্যা ছিল,. সে 'ক' কে 'প' বলত !!
মেয়ের অভিভাবক. ছেলেকে জিজ্ঞাসা করল :তোমার নাম কি?
:আমার নাম পাদের । (মানে কাদের)
এই কথা শুনে মেয়ে কেদে উঠল। তখন মেয়েটিকে কাদতে দেখে ছেলেটি তাকে সান্তনা দিতে গিয়ে বলল. . :তুমি পেদনা পেদনা... তুমি পাদলে আমিও কিন্তু পেদে দেব ।

 [ads-post]
বাঁচাও ডাক্তার! অসহ্য ব্যথা করছে

(৪১৯) বান্টা সিং ডাক্তারের কাছে গিয়ে বললো, "বাঁচাও ডাক্তার! অসহ্য ব্যথা করছে। যেখানেই ধরি না কেনো, সেটাই মনে হচ্ছে ভেঙ্গে টুকরো হয়ে যাচ্ছে!"
ডাক্তার একটু অবাক হয়ে বললেন, "কি বলছো হে!"
সান্টা বললো, "এই দেখুন, আমি কাঁধে ছোঁয়ার সঙ্গে সঙ্গে অসহ্য ব্যথা করছে। এই দেখুন হাঁটুতে ধরলাম - আউচ!! তারপর দেখুন কপালে হাত দিলাম, ওফ কি ব্যথা!"
ডাক্তার একটা দীর্ঘঃশ্বাস ফেলে বললেন, "সান্টা সিং, অসুখটা আমি ধরতে পেরেছি। তোমার আঙ্গুলটা ভেঙ্গে গেছে!"


চারটে বেজে গেছে?

(৪২০) স্বামী আর স্ত্রীর মধ্যে প্রচন্ড ঝগড়া। মুখ দেখা, কথা বন্ধ। রাতে শুতে যাওয়ার সময় স্বামীর মনে পড়ল পরের দিন ভোরবেলা ফ্লাইট । এদিকে স্বামী বেচারা সকালে উঠতে পারে না। সাত-পাঁচ ভেবে সে একটি কাগজে লিখল " কাল সকাল চারটার সময় ডেকে দিও।" কাগজটা স্ত্রীর বালিশের কোণায় চাপা দিয়ে স্বামী নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়ল। পরের দিন সকালে সাড়ে আটটার সময় স্বামীর ঘুম ভাংল। সময় দেখে তার তো চক্ষু চড়কগাছ। রেগেমেগে চিৎকার করে স্ত্রীকে ডাকতে গিয়ে তার নজরে পড়ল বালিশের পাশে একটা চিরকুট। খুলে দেখল লেখা আছে " চারটে বেজে গেছে, উঠে পড়ো।"


মেয়ের বন্ধু চা খাবে

(৪২১) এক মেয়ের বন্ধু চা খাবে,মেয়েটির কাছে চা ছিল কিন্তু দুধ ছিল না তখন মেয়েটি তার কাপড় খোলে. আর অন্য কাপড় পড়ে দুধ নিতেদোকানে যায়.... আপনাদের চিন্তাভাবনা পাল্টান,চরিত্র মানুষের মানবীয় গুণ...


জান তুমি সাঁতার কাটতে পারো

(৪২২) Gf: জান তুমি সাঁতার কাটতে পারো ?
Bf: না, পারি না ।
Gf: ছি ছি ছি, একটা কুত্তা ও তো সাঁতার পারে !
Bf: জান তুমি সাঁতার পারো ?
Gf: হ্যাঁ পারি=>
Bf : তাইলে.=>=>তোমার আর কুত্তার মধ্যে তো কোনো পার্থক্যই নাই।


কপাল আর লুঙ্গীর মধ্যে মিল কোথায়?

(৪২৩) কপাল আর লুঙ্গীর মধ্যে মিল কোথায়? দুটোই যেকোনো সময় খুলে যেতে পারে !কপাল খুললে পৌষ মাস,আর লুঙ্গী খুললে সর্বনাশ।


শিক্ষকঃ HSC এর পূর্নরূপ বলতো?

(৪২৪) শিক্ষকঃ বলতো HSC এর পূর্ন রূপ কি?
ছাত্রঃ স্বার এইডাতো খুব সোজা।স্বার বলব?
শিক্ষকঃ বল দেখি?
ছাত্রঃ মানে হ্যাডমাস্টার জুতা চোর।
শিক্ষকঃ হারামজাদা সেন্ডেল চোর।


আমার শখ বৃষ্টিতেভেজা!

(৪২৫) স্কুলের নতুন শিক্ষিকা ক্লাস এইটেরছাত্রদের সাথে পরিচিত হচ্ছেনপ্রথম ক্লাসে,
ম্যাডামঃ আমি তোমাদের নতুন ম্যাডাম।এসো তোমাদের সাথে পরিচিত হই।প্রথমে ছেলেরা একে-একে দাঁড়িয়ে নিজের নাম এবং একটা প্রিয় শখের কথাআমাকে বলো।
প্রথম জনঃ আমার নাম শাকিল, আমার শখবৃষ্টি ভেজা পদ্ম দেখা।
দ্বিতীয় জনঃ আমার নাম লিটন, আমারও শখবৃষ্টি ভেজা পদ্ম দেখা।এভাবে সব ছাত্র তাদের নাম বলল এবংপ্রিয় শখের কথা বলল, বৃষ্টিভেজা পদ্মদেখা।
শিক্ষিকা তো ছাত্রদের আচরণে অবাক,এরপর তিনি মেয়েদের দাঁড়করালেন এবং নিজের নাম ও শখেরকথাবলতে বললেন। প্রথম ছাত্রীটি অত্যন্ত লজ্জিত মুখে উঠেদাঁড়ালো এবং আস্তে আস্তে বললঃ"আমার নাম পদ্ম এবং আমার শখ বৃষ্টিতেভেজা!


Post Top Ad


Download

click to begin

6.0MB .pdf