সেরা ২৫ টি কৌতুকঃ ১৪ - সেরা-সংগ্রহ.কম

একের ভিতর অনেক

X

Monday, March 13, 2017

সেরা ২৫ টি কৌতুকঃ ১৪

BANGLA TOP 25 JOKES

সেরা ২৫ টি কৌতুক


গাড়ির চাকা এমনভাবে পাংচার হলো কী করে?

(৩২৬) গাড়ির চাকা এমনভাবে পাংচার হলো কী করে?
- একটা কাচের বোতল চাকার নিচে পড়ে ভেঙে গিয়েছিল স্যার।
- গাড়ি চালানোর সময় তোমার চোখ থাকে কোথায়, শুনি? একটা আস্ত বোতল চাকার নিচে এলো আর তুমি কিছুই টের পেলে না!
- স্যার, চাকার নিচে একটা লোক এসে পড়েছিল। আর বোতলটা ছিল ওই লোকের পকেটেই। তাই বোতলটি দেখতে পাইনি, স্যার।


ব্যবসার প্রথম শিক্ষা

(৩২৭) পিতা ব্যবসার দায়িত্ব দিচ্ছেন পুত্রকে। তাকে নিয়ে ছাদে গেলেন। তারপর বললেন, ছাদের একদম ধারে গিয়ে দাঁড়ারে এবং আমি যখন বলব লাফ দাও তখন লাফ দেবে।
- সে কী বাবা, তিনতলা থেকে লাফ দেব? আমি মারা যাব যে!
- শোন, ব্যবসায় উন্নতি করতে চাও তো, আমার ওপর বিশ্বাস আছে?
- হ্যাঁ।
- তাহলে লাফ দাও।
ছেলে লাফ দিল এবং যথারীতি মাটিতে আছড়ে পড়ে দুই পা ও এক হাত ভেঙে মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে রইল। বাবা দ্রুত সিঁড়ি ভেঙে ছেলের কাছে ছুটে গেলেন এবং বললেন, ব্যবসায় এটাই তোমার প্রথম শিক্ষা কাউকে বিশ্বাস করবে না।


সপ্তাহে কত টাকা মাইনে পাও তুমি

(৩২৮) অফিসের নতুন বড়কর্তা কাজের ব্যাপারে খুব কড়া। কাউকে একবিন্দু ছাড় দেন না। চাকরির প্রথম সপ্তাহেই একদিন খেপে গেলেন তিনি। রেগেমেগে রুম থেকে বেরিয়েই এক লোককে পাকড়াও করলেন। অফিসের সবার সামনে চিৎকার করে বললেন, সপ্তাহে কত টাকা মাইনে পাও তুমি, শুনি? লোকটা ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বলল, ৩০০০ টাকা। বড়কর্তা তাঁর মুখের ওপর ৩০০০ টাকা ছুড়ে দিয়ে বললেন, এই নাও তোমার এ সপ্তাহের মাইনে, আর বেরিয়ে যাও।
লোকটা বেরিয়ে যাওয়ার পর বললেন বড়কর্তা, প্রয়োজন হলে এভাবেই অফিসের প্রত্যেককে বের করে দেব আমি। যাই হোক, ওই লোকটা আমাদের অফিসে কী কাজ করে? কর্মচারীদের একজন বলল, স্যার, ও আমাদের এখানে পিৎজা ডেলিভারি দেয়!


যে দামে কিনছিলাম, সে দামেই বেইচ্যা দিছি!

(৩২৯) এক চোর মুরগি চুরি করে সেগুলো হাটে বিক্রি করতে যাচ্ছে। পথে হাত ফসকে ছাড়া পেয়ে মুরগিগুলো উড়ে পালিয়ে গেল। গোমরা মুখে বাড়ি ফিরল সে। চোরের স্ত্রী প্রশ্ন করল, মুরগিগুলা বেইচ্যা কেমুন লাভ করলা?
চোরের উত্তর, না রে বউ, আইজ লাভ করতে পারি নাই। যে দামে কিনছিলাম, সে দামেই বেইচ্যা দিছি!




কর্মচারী

(৩৩০) এক অফিসের কর্মচারীরা সবাই পৌঁছে যান একদম ঠিক সময়ে। বসকে বললেন তাঁর এক বন্ধু, তোমার কর্মচারীদের কী এমন জাদু করেছ যে তাঁরা এত সময়ানুবর্তী হয়ে গেল? বস হাসতে হাসতে বললেন, জাদু না হে, আমার অফিসে একটা চেয়ার কম। সবাই সময়মতো পৌঁছাতে চেষ্টা করে, যেন দাঁড়িয়ে থাকতে না হয়!


দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে

(৩৩১) ১ম বন্ধু : জানিস, আমি সাঁতার কেটে পুরো নদী পার হতে পারি।
২য় বন্ধু : আমি তো সাঁতার না কেটেই পার হতে পারি।
১ম বন্ধু : কীভাবে?
২য় বন্ধু : কেন, নৌকাতে চড়ে!


কিরে দোস্ত, মন খারাপ কেন

(৩৩২) রাশেদ: কিরে দোস্ত, মন খারাপ কেন তোর?
শাহেদ: আর বলিস না, একটা বই কেনার জন্য বাবার কাছে টাকা চেয়েছিলাম।
রাশেদ: টাকা দেয়নি?
শাহেদ: না, বইটা নিজেই কিনে এনেছে।


মানুষ ক্রমাগত বদলায়

(৩৩৩) শিক্ষক: আচ্ছা, তুমি যে লিখলে মানুষ ক্রমাগত বদলায় এর কোনো বাস্তব উদাহরণ দেখাতে পারবে?
ছাত্র: হ্যাঁ...পারব। আমাদের পাড়ার সুমন ভাই যখন আমাদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলতেন, তখন আমি তাঁকে সুমন ভাই ডাকতাম। তারপর যখন তিনি আমাদের বাসায় টিউশনি নিলেন, তখন আমি স্যার ডাকতাম। আর তিনি আমার আপুকে নিয়ে ভেগে যাওয়ার পর থেকে আমি তাঁকে দুলাভাই ডাকি।


বিখ্যাত বাবুর্চি

(৩৩৪) একজন বিখ্যাত বাবুর্চির বাসায় দাওয়াতে এসেছেন তাঁর বেশ কিছু বন্ধুবান্ধব, যাঁদের মধ্যে একজন আলোকচিত্রীও আছেন। অতিথি আপ্যায়নের ফাঁকে বাবুর্চির দেখা হয়ে গেল তাঁর আলোকচিত্রী বন্ধুর সঙ্গে, আরে, বন্ধু! কত দিন পর দেখা হলো তোমার সঙ্গে! তোমার তোলা ছবি আমি দেখেছি। সব কটি ছবিই চমর‌্যাকার। তোমার ক্যামেরাটা নিশ্চয়ই খুবই ভালো আর দামি? উত্তরে কিছুই বললেন না আলোকচিত্রী।বিদায়ের সময় আলোকচিত্রী বলছেন বাবুর্চিকে, বাহ্! দারুণ খাওয়া দাওয়া হলো, বন্ধু! রান্না বেশ ভালো ছিল! তোমার চুলাটা নিশ্চয়ই খুবই ভালো আর দামি!?

 [ads-post]
বাংলাদেশে টাকার দাম যে হারে কমতেছে

(৩৩৫) বাংলাদেশে টাকার দাম যে হারে কমতেছে ২১০০ সালের বাজেটের পরে.........
-এই রিকশা মতিঝিল যাইবা ?
- যামু
- কত ?
- চাইর লাখ ।
- না মামু । তিন লাখ পঁচাত্তর দিমুনে... চলো


বিষ রান্না করেছি বিষ

(৩৩৬) ঝগড়ার দিন দুপুরে ফোনে কথোপকথন ?
স্বামীঃ কি গো , দুপুরে কি রান্না করলে ।।
স্ত্রীঃ বিষ রান্না করেছি বিষ ।। ( রেগে আগুন )
স্বামীঃ তাহলে , তুমি খেয়ে নাও আমি আজ বাইরে খেয়ে নেব ।


“তুই একটা পাগল”...

(৩৩৭) একদিন ছোট্ট বল্টুকে তার স্কুলের স্যার বাসা থেকে ৩টা ফলের নাম লিখে আনতে বললেন!! বল্টু বাসায় গিয়ে তার চাচাকে জিজ্ঞেস করল “চাচা ৩টা ফলের নাম বল?” চাচা বলল “তোর বকবক শুনার জন্য আমার হাতে সময় নাই”
বল্টু লিখে নিল।
এরপর সে গিয়ে বড় ভাইকে জিজ্ঞেস করল “ভাইয়া ২টা ফলের নাম বল” ভাইয়া উত্তর দিল “গার্লফ্রেন্ডের ­­ ফোন আসবে এখন,জলদি এখান থেকে ভাগ”
বল্টু এটা খাতায় লিখে নেয়
এরপর সে গিয়ে বুড়ো দাদুকে জি করল “দাদু একটা ফলের নাম বল” দাদু হেসে বলে“তুই একটা পাগল”
বল্টু এটাও খাতায় লিখে নেয়।
পরের দিন স্কুলে স্যার বল্টুকে জিজ্ঞেস করল “৩টা ফলের নাম লিখে আনছ??”
বল্টুঃ “জি স্যার”
স্যারঃ “বল”
বল্টুঃ “তোর বকবক শুনার জন্য আমার হাতে সময় নাই”
স্যারঃ “কি??
চল প্রিন্সিপ্যালের ­­ কাছে” বল্টুঃ“গার্লফ্রেন্ডের ­­ ফোন আসবে এখন, জলদি এখান থেকে ভাগ”
স্যারঃ “কি!!! জানিস আমি কে??”
.. . . বল্টুঃ “তুই একটা পাগল”...


১১টা মুরগিই ধরে ফেলেছি

(৩৩৮) মাথায় খাঁচা ভর্তি মুরগি নিয়ে বাজারে যাচ্ছিল চাষি পুত্র। এমন সময় খাঁচাটা মাথা থেকে পড়ে ভেঙে গেল, মুরগিগুলোও ছাড়া পেয়ে সব এদিক-ওদিক ছোটাছুটি শুরু করল। বহু কষ্টে সবগুলো মুরগি ধরে খাঁচার ভেতরে ঢুকাল চাষি পুত্র। ভয়ে ভয়ে বাড়ি ফিরল।
চাষি বললেন, কী রে, ফিরে এলি কেন?
চাষি পুত্র: ইয়ে মানে, আব্বা, যাওয়ার পথে খাঁচাটা ভেঙে মুরগি গুলো বেরিয়ে গিয়েছিল। অবশ্য আমি ১১টা মুরগিই ধরে ফেলেছি, কোনোটাই পালাতে পারেনি।
চাষি: শাবাশ ব্যাটা! তুই সাতটা মুরগি নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলি!


তোমার চোখে চোখ রেখে আমি গোটা দুনিয়াই দেখতে পাই

(৩৩৯) এক ধোপার গাধা হারিযে গেছে । খুজতে খুজতে সারা দিন পার হয়ে গেছে। বিকেলে ধোপা এক গাছের উপর উঠে চারি দিকে তাকিয়ে খোজার চেষ্টা করছে ।এমন সময় দুজন প্রেমিক প্রেমিকা এসে গাছের নিচে বসলো। প্রেমিক প্রেমিকাকে বলছে, ডার্লিং তোমার চোখে চোখ রেখে আমি গোটা দুনিয়াই দেখতে পাই । একথা শুনে ধোপা গাছ থেকে ধপাস করে লাফ দিয় নেমে হাত জোর করে বললো ঐ চোখের দিকে তাকিয়ে আমার হারিয়ে যাওয়া গাধাটা কোথায় আছে বেলে দিন না প্লিজ ।


আজ আমাকে বিমান অবতরণ করা শেখানোর কথা!

(৩৪০) আগ্নেয়গিরির ছবি তুলবেন বলে একটা বিমান ভাড়া করলেন একজন আলোকচিত্রী। বিমান আকাশে ওড়ার সময় আলোকচিত্রী বলছেন পাইলটকে, ডানে যান... বাঁয়ে যান... হু, এবার আগ্নেয়গিরিটার খুব সামনে থেকে ঘুরে আসুন।
পাইলট: কেন?
আলোকচিত্রী: কারণ আমি একজন আলোকচিত্রী, আমি আগ্নেয়গিরির ছবি তুলব।
পাইলট: তার মানে আপনি আমার সেই প্রশিক্ষক নন, যাঁর আজ আমাকে বিমান অবতরণ করা শেখানোর কথা!



চাপাবাজি - মিথ্যা বলতাম না

(৩৪১) রাস্তায় কিছু ছেলে ঝগড়া করছিল। একজনের হাতে একটা মুরগি। এক বয়স্ক লোক ওদিকেই আসছিলেন। তিনি ওদের সামনে এসে বললেন, 'কী ব্যাপার? এত জটলা কিসের?'
'আঙ্কেল, আমরা একটা প্রতিযোগিতা করছি। যে সবচেয়ে মজার মিথ্যা কথা বলতে পারবে তাকে এই মুরগি গিফট করা হবে।'
'ছিঃ ছিঃ!' একেবারে খেঁকিয়ে উঠলেন সেই বয়স্ক ভদ্রলোক। 'আমাদের সময় মিথ্যা কী জিনিস আমরা জানতাম না। প্রতিযোগিতা হতো ভালো ভালো জিনিস নিয়ে। এই যেমন সাঁতার কাঁটা, দৌড়ঝাঁপ- এই সব নিয়ে। যত বড় শাস্তিই হোক না কেন, আমরা তবু মিথ্যা বলতাম না।'
'এই পল্টু। আঙ্কেলকে মুরগিটা দিয়ে দে রে।'


বীরত্বের গল্প

(৩৪২) তিন ইঁদুর নিজেদের বীরত্বের গল্প করছে।
প্রথম ইঁদুর: জানিস, সেদিন আমি এক বোতল ইঁদুর মারার বিষ খেয়ে ফেলেছি, অথচ আমার কিছুই হয়নি।
দ্বিতীয় ইঁদুর: কিছুদিন আগে আমি একটা ফাঁদে আটকা পড়ে গেছিলাম। ফাঁদটা ভেঙে বেরিয়ে এসেছি।
তৃতীয় ইঁদুর: তোরা গল্প কর, আমি আজ উঠি। বাড়ি ফিরে আবার পোষা বিড়ালটাকে খাবার দিতে হবে।


বেচবার দরকার

(৩৪৩) বুঝলি, আমি লক্ষপতি, তোর মতো লোককে এক হাটে কিনে অন্য হাটে বেচতে পারি। আমি ? কোটিপতি, তোর মতো মানুষকে কিনি, কিন্তু বেচবার দরকার হয় না।



কতো রবীন্দ্র সংগীত লিখলাম

(৩৪৪) এক লোক অনেক চাপাবাজি করে। তো সে সঙ্গীত নিয়েও চাপাবাজি করছে। সে এই সঙ্গীত লিখেছে সেই সঙ্গীতের সুর দিয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। তো তার বন্ধু তাকে জিজ্ঞেস করলো, তুমি রবীন্দ্রসঙ্গীতের বিষয়ে কি জানো? জবাবে সে বললো, কতো রবীন্দ্র সংগীত লিখলাম আর তুমি বলো কি জানি!?


সোনার হাতি

(৩৪৫) ১ম বন্ধু : জানিস আমার দাদার বিশাল একটা স্বর্ণের পালঙ্ক ছিল।
২য় বন্ধু : তুই জানিস আমার দাদা একদিন একটা স্বর্ণের হাতি পেয়েছে, যা প্রতিদিন দুইটা করে স্বর্ণের পালঙ্ক দেয়।
১ম বন্ধু : তোর দাদা এই হাতি কোথায় পেয়েছে?
২য় বন্ধু : ক্যান, তোর দাদার পালঙ্কের নিচে।


অভিনয় জীবনের স্মৃতিচারণ

(৩৪৬) দুই অভিনেতা তাঁদের অভিনয় জীবনের স্মৃতিচারণ করছেন ভক্তদের কাছে।
একজন : একবার এক দুঃখের দৃশ্যে এমন অভিনয় করেছিলাম যে দর্শকরা কেদে কেটে বুক ভাসিয়ে দিয়েছিল।
অন্যজন : একবার এক দুঃখের দৃশ্যে এমন অভিনয়ের পর দর্শকরা আমি মরে গেছি ভেবে খাটিয়া নিয়া হাজির হয়েছিল। শুধু কি তাই? ইনস্যুরেন্স কোম্পানি পর্যন্ত আমার বউকে পলিসি বাবদ সমস্ত পাওনা মিটিয়ে দিয়েছিল।


সারা দিনের জন্য ছুটি

(৩৪৭) এক বৃদ্ধ রেস্টুরেন্টের ভেতর ঢুকে ম্যানেজারকে বলল, আজ বিশ্বকাপের ফাইনাল, আমার নাতিটা ফুটবল খেলা খুব ভালোবাসে। ওকে যদি আজ বিকেলটা ছুটি দিতেন, তাহলে খুব ভালো হতো। আমরা দুজন একসঙ্গে বসে খেলা দেখতে পারতাম।
ম্যানেজার বলল, দুঃখিত, সেটা কোনো ভাবেই সম্ভব নয়। ও তো আপনাকে কবর দিতে সারা দিনের জন্য ছুটি নিয়ে গেছে।


রঞ্জু মিয়া বড়ই কৃপণ

(৩৪৮) রঞ্জু মিয়া বড়ই কৃপণ। একবার তিনি গেছেন কলা কিনতে।
রঞ্জু মিয়া: কি ভাই, এই ছোট্ট কলাটার দাম কত?
বিক্রেতা: তিন টাকা।
রঞ্জু মিয়া: দুই টাকায় দেবে কি না বলো?
বিক্রেতা: বলেন কি! কলার ছোকলার দামই তো দুই টাকা।
রঞ্জু মিয়া: এই নাও এক টাকা। ছোকলা রেখে আমাকে কলা দাও!


একদম আমার নানীর মত

(৩৪৯) রাস্তায় এক যুবতী হেটে যাচ্ছে। এক যুবক তার দিকে তাকিয়ে আছে। যুবতীটি যুবককে রললো
যুবতীঃ কি দেখছেন এইভাবে??
যুবকঃ আপনাকে।
যুবতীঃ শয়তান ছেলে!! এইভাবে তাকিয়ে আছেন কেন? জীবনে কি কখনো মেয়ে নাই?? আপনার ঘরে কি মা বোন নাই??
যুবকঃ জ্বী মা বোন তো আছে কিন্তু নানী নাই। আপনি দেখতে একদম আমার নানীর মত


হাত মিলাও , আমি তোমার বোনের স্বামী....

(৩৫০) বউ তার মাতাল স্বামীকে শোধরানোর জন্য কালো কাপড় পরে বাসার বাইরে দাড়িয়ে পরল.. . .
স্বামী : "তুমি কে.. ?? . .
বউ: "পেতনী.. . . . . . .
স্বামী : "হাত মিলাও , আমি তোমার বোনের স্বামী.... :


Post Top Ad