বাংলা জোকসঃ ১৫ - সেরা-সংগ্রহ.কম

একের ভিতর অনেক

X

Monday, March 13, 2017

বাংলা জোকসঃ ১৫

BANGLA JOKES

বাংলা জোকস


প্রমাণ হলো যে আমার ব্রেইন আছে

(৩৫১) ডাক্তারঃ অনেক দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে যে আপনার ব্রেইন ক্যান্সার হয়েছে।
মদনাঃ Yes!!
ডাক্তারঃ আমি যা বলেছি আপনি বুঝেছেন তো। আপনার ব্রেইন ক্যান্সার হয়েছে।
মদনাঃ সে জন্যেইতো খুশিতে লাফাচ্ছি। এতদিনে প্রমাণ হলো যে আমার ব্রেইন আছে।


স্কুলে তোমার কেমন চলছে, খোকা?

(৩৫২) বাবা: স্কুলে তোমার কেমন চলছে, খোকা? লেখাপড়া কেমন হচ্ছে?
ছেলে: আচ্ছা বাবা, মাঝে মধ্যেই তুমি এ কথা জিজ্ঞেস করো কেন? আমি কি কখনো জিজ্ঞেস করি, তোমার অফিস কেমন হচ্ছে? প্রমোশন পেতে কত দিন লাগবে?


আমারো... তো একই অবস্থা…

(৩৫৩) ২ জন ঘনিষ্ঠ বন্ধু শামসু আর কাশেম রাস্তা দিয়া হাটতে হাটতে কথা বলছিলো__ হঠাত্ উলটো পাশ থেকে ২টা মেয়ে আসতে লাগলো___
কাশেম বললোঃ “সর্বনাশ_ দোস্ত !! সামনে দেখ__!! আমার বউ আর প্রেমিকা একসাথে এদিকে আসতাছে__”
জবাবে শামসু কইলোঃ “হায় হায় !! কস কি?? "আমারো... তো একই অবস্থা…!!"



ধূমপানের অপকারিতা

(৩৫৪) সেদিন ধূমপানের অপকারিতা সম্বন্ধে বক্তৃতা দিচ্ছে এক ভদ্রলোক।
- একটা সিগারেট মানুষের আয়ু আট দিন কমিয়ে ফেলে।
এক শ্রোতা উঠে দাঁড়িয়ে বলল, আপনার হিসাব ঠিক আছে তো?
- নিশ্চয়ই।
- তাহলে তো আমি আড়াইশ বছর আগেই মারা গেছি।


চার চাকার গাড়ি

(৩৫৫) সর্দারজি ট্রাফিক পুলিশের চাকরি নিয়েছেন। এক চালককে মাঝপথে আটক করলেন তিনি।
সর্দারজি: এই! তোমার হেলমেট কোথায়?
চালক: আরে বেকুব, ভালো করে দেখো।
সর্দারজি: ভালো করে দেখব আবার কী? স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি তুমি হেলমেট পরোনি।
চালক: ওপরে নয়, নিচে দেখো। এটা দুই চাকা নয়, চার চাকার গাড়ি। গর্দভ!


জামাই হওয়ার উপায়

(৩৫৬) Sosur : তো, তুমি আমাদের মেয়েকে বিয়ে করে আমাদের জামাই হতে চাও?
Jamai: আসলে ঠিক তা নয়। তবে বিয়ে না করে অন্য ভাবে জামাই হওয়ার উপায় থাকলে বলতে পারেন।


পুলিশে ভর্তি করিয়ে দেই

(৩৫৭) এক পুলিশ অফিসার মোটেই আর্মি সহ্য করতে পারে না। আর্মির কাউকে দেখলেই সে চান্সে থাকে কিভাবে পচানো যায়। একদিন তার সামনে পড়লো আর্মির একসিপাহী। পুলিশ তখন বলল- কি হে , শুনলাম তোমরা যখন টানা কয়েক বছর বিদেশে থাকো, তারপর দেশে ফিরে দেখ তোমাদের বউ- এর কোলে নবজাতক সন্তান। সত্য নাকি ?
সিপাহী কিছু বলল না।
পুলিশ- তা তোমরা ঐ সব অবৈধ বাচ্চাগুলো নিয়ে কি করো ?
সিপাহীর উত্তর- কি আর করি, বড় হলে নিয়ে গিয়ে পুলিশে ভর্তি করিয়ে দেই।


গাড়ির কোন চাকা পাংচার হয়েছিল ??

(৩৫৮) চার বন্ধু মিলে পরীক্ষা না দেওয়ার প্ল্যান করল। পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে- আগে পরীক্ষার হলে ঢুকে শিক্ষককে বলল, স্যার আমাদের গাড়ির চাকা পাংচার হইছিল। স্যার বললেন, সমস্যা নাই, তোদের পরীক্ষা হবে। ১টা প্রশ্ন দিচ্ছি,সময় ১০ মিনিট, চার জন চার রুমে বসে পরীক্ষা দিবি, উত্তর সঠিক হলে ১০০ পাবি। চারজনই খুব খুশি। চারজন চাররুমে গিয়ে বসল। স্যার এসে প্রশ্ন দিয়ে গেলেন ↓↓↓
গাড়ির কোন চাকা পাংচার হয়েছিল ??? মজা পাইলে ধুমায়া লাইক।


না পড়লে চরম মিসস

(৩৫৯) রোগী; ডাক্তার। সাহেব, চোখে বড় কম দেখতে পাই আজকাল। একটা ঔষুধ দেন তো শিগ্গির।
ডাক্তার: কেমন দেখেন? তা কিরকম?
রোগী: ওই যে মাঠের মধ্যে একটা কালো গরু দাঁড়িয়ে আছে, দেখতে পাচ্ছেন?
ডাক্তার: হে পাচ্ছি, কেনো?
রোগী; কিন্তু আমি দেখতে পাচ্ছি না...:




মফিজ গেছে সর্ট প্যান্ট

(৩৬০) মফিজ গেছে সর্ট প্যান্ট কিনতে
মফিজঃ সর্ট প্যান্ট দেখানতো?
দোকানদারঃ এই লন এটা ৫০ টাকা
মফিজঃ আরেকটু কম দামি নাই?
দোকানদারঃ এই লন এটা ২০ টাকা
মফিজঃ আরেকটু কম দামি দেন? ॥
দোকানদারঃ ভাই আপনার সর্ট প্যান্ট কিনা লাগবো না আপনি টাকা দিয়া একটা রুমান কিনে নিয়া যান ঐটা দিয়া কাম চালাইয়েন
হা হা হা হু হু হু

 [ads-post]
কিরে এত দেরী হল কেন?

(৩৬১) দেরী করে স্কুলে এসে
শিক্ষক : কিরে এত দেরী হল কেন? স্কুল কয়টায় শুরু হয়?
বল্টু: স্যার , আমি তো আগেই বাইর হইছিলাম , আব্বা বলল গরুটারে চেয়ারম্যান বাড়ির ষাঁড়টার কাছে দিয়া আসতে ,তা দেরী হইয়া গেল।
শিক্ষক: তো এই কাজটা তোমার বাবা করতে পারল না?:-@
বল্টু: না স্যার , এইটা ষাঁড়েরই করা লাগে ।


গাজা খাইয়া আমারে জঙ্গলে ৩ ঘন্টা ঘুরাইছিল

(৩৬২) জঙ্গলে এক সিংহ ঘুমের বিড়ি খাচ্ছিল তখন এক বানর এসে বলে : ভাই ,নেশা ছাইড়া দাও,আমার সাথে আসো -দেখো জঙ্গল কত সুন্দর ! সিংহ বানরের সাথে যেতে থাকলো ............ সামনে হাতি ইয়াবা নিচ্ছিল ...বানর হাতিকেও একইকথা বলল .... এরপর হাতিও ওদের সাথে চলতে শুরু করলো .... কিছুদুর এগিয়ে তারা দেখল --বাঘ বাংলা মদ খাচ্ছে ,বানর তখন তাকেও একই কথায় বলল সাথে সাথে বাঘ মদের গ্লাস নামিয়ে রেখে -- বানরকে দিল কইষা এক থাপ্পর হাতি বলল --বেচারাকে মারতছ কেন? বাঘ বলল --এই শালা কালকেও গাজা খাইয়া আমারে জঙ্গলে ৩ ঘন্টা ঘুরাইছিল


এগারো হয়

(৩৬৩) দুই আর তিনে কত হয় রফিক?
রফিক আঙুলে গুনে হিসাব করে বলল- পাঁচ, ম্যাডাম।
ম্যাডাম :- ছি রফিক, ক্লাস ওয়ানে পড় তুমি, তবু এই সহজ হিসাব আঙুলে গুনে করতে হয়?
পরদিন ম্যাডাম জিজ্ঞেস করলেন রফিককে- পাঁচ আর পাঁচে কত হয় রফিক?
পকেটে হাত ঢুকিয়ে রফিক উত্তর দিল- ম্যাডাম, এগারো হয়...!


পাশের বাড়ির লোকটা কত খারাপ,

(৩৬৪) স্ত্রী : দেখেছো, পাশের বাড়ির লোকটা কত খারাপ, সাইকেল এর জন্য বউ টা কে বিক্রি করে দিয়েছে!! তুমি আমার সাথে এরকম করবে না তো?
স্বামী : মাথা খারাপ ?গাড়ী ছাড়া দিমুই না ।


কমিউনিটি সেন্টার

(৩৬৫) একটা কমিউনিটি সেন্টারের অনুষ্ঠানে ১০০ জন লোকের খাওয়ার আয়োজন করা হয়েছে। কিন্তু খাবার দিতে গিয়ে দেখা গেল প্রায় ২০০ জন লোক!! তখন অনুষ্ঠানের আয়োজক গিয়ে জিজ্ঞেস করলঃ আপনাদের মধ্যে বরপ ক্ষ কারা? ৩০-৪০ জন দাঁড়াল। এরপর তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ কন্যাপক্ষ কারা? আরও ৩০-৪০ জন দাঁড়িয়ে গেল। তারপর তিনি হাসিমুখে বললেনঃ ''দয়া করে আপনারা বেরিয়ে যান, কারন এটা আমার ছোট ভাইয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠান।''



হাতের উপর চাকু দিয়ে তারগার্লফ্রেন্ড এর নাম

(৩৬৬) এক ছেলে হাতের উপর চাকু দিয়ে তার গার্ল ফ্রেন্ড এর নাম লিখার পর জোরে জোরে কাঁদতে শুরু করলো। কিন্তু কেনো? ব্যাথা করছে? নাহ নামের বানান ভুল করছে।


আপনার ফেলে যাওয়া বস্তু কোন চিত্রকল্প না

(৩৬৭) এক লোক টয়লেটে গিয়ে দেখলো , সেখানে লেখা , আপনে যত্ত বরো হেডামই হন নাক্যান, এখানে আইসা আপনারে প্যান্ট খুলতেই হবে, সো ভাব কম নেন ঠিকাছে ভা!!!!! লোকটা চরম লজ্জিত হয়ে অন্য টয়লেটে গিয়ে বসলেন । আরামসেকাজ চালাচ্ছেন , এমনসময় দেখলেন , সেখানে লেখা, ..এইযে ভাই , টয়লেট চেন্জ কইরা আসছেন ভাল , কিন্তু মনে রাখবেন , আপনার ফেলে যাওয়া বস্তু কোন চিত্রকল্প না যে মানুষরে দেখানোর জন্য রেখ যাবেন । সো পরিমিত পানি ব্যবহার করুন , কিপ্টামি করবেন না , ঠিকাছে ভাআআআ!!!!!!


শালী আমারে থাপ্পড় মারছে

(৩৬৮) লোলমফিজের বউ মফিজকে বলছেঃ "পাশের ফ্ল্যাটের আবুলকে দেখো; সে তার বউকে সবসময় কিস করে! তুমি করতে পারোনা???"
মফিজ উত্তরে বললঃ "বিশ্বাস করো, আমি চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু শালী আমারে থাপ্পড় মারছে"


তাইলে ঠিক মতই পালাইছি

(৩৬৯) ক্রিং ক্রিং !!! বেজে উঠলো পাগলাগারদের টেলিফোনটা । রিসিপশনিস্ট মেয়েটা ফোন ধরে বললেন,'' হেল্লো ,কিভাবে সাহায্য করতে পারি? ওপাশ থেকে উত্তর দিল ,'' আপা , দেখেন তো রুম নাম্বার ৪৭ এ কেউ আছেনি ? মেয়েটা জবাব দিল ,'' জ্বিনা ,কেউ নাই ,আপনি কাকে চাচ্ছেন ? লোকটা আবার বলল ,'' দেখেন তো ভালো মত ,কেউ আছে কিনা ,সিউর হইয়া বলেন না প্লিজ মেয়েটা রুম নাম্বার ৪৭ এ গেল ,ভালমত দেখে এসে নললো ,''না রে ভাই,কেউ নাই... আপনি কাকে চাচ্ছেন ?অপরপ্রান্ত হতে উত্তর আসলো,'' যাক,তাইলে ঠিক মতই পালাইছি


ভাবীর হাতের রান্না তো অপূর্ব!’

(৩৭০) বাবুর অফিসের কাজে মন বসে না। তার গা ম্যাজম্যাজ করে, বড়দের কৌতুক হয়ে থাকে। বস একদিন ডাকলেন তাকে। ‘শোনো, এভাবেতো চলবে না। তোমাকে চাঙা হতে হবে। আমারও এরকম হতো আগে। তখন কী করতাম জানো? লাঞ্চ আওয়ারে বাড়ি চলে যেতাম। তোমার ভাবীর হাতের মজার রান্না খেয়ে, ঘন্টাখানেক তাকে চুটিয়ে আদর সোহাগ করতাম … হে হে, বুঝতেই পারছো, কী বলতে চাইছি। এরপর থেকে আমি...... একদম চাঙা, কোন সমস্যা হয় না। তুমিও ওরকম একটা কিছু করে দেখো, ফল পাবে।’ হপ্তাখানেক পর বস দেখলেন, অফিসে বাবুর কাজ চলছে দারুণ। টেলিফোন, ফ্যাক্স, কম্পিউটার নিয়ে দক্ষযজ্ঞ কান্ড একেবারে। বস হাসলেন, ‘কী মিয়া, পরামর্শ কাজে লাগলো?’ বাবু উৎফুল্ল গলায় বললো, ‘জ্বি স্যার, একে বারে হাতে হাতে। আর ভাবীর হাতের রান্না তো অপূর্ব!’


বেয়াদব প্রতিবেশী

(৩৭১) থানায় ঢুকেই ভদ্রমহিলা রাগে ফেটে পড়লেন, "ইন্সপেক্টর সাহেব, আমি আমার প্রতিবেশীর বিচার চাই। লোকটা একটা আস্ত বেয়াদব এবং ছোটলোক।"
ইন্সপেক্টর, "কেন? কী করেছে সে?"
ভদ্রমহিলা, "আমি যখনই তার বাড়িতে উঁকি দিই, দেখি সে-ও উঁকি দিয়ে আছে!"




চাচা কোটিপতি

(৩৭২) ১ম বন্ধুঃ দোস্ত আমি যে মেয়েটারে ভালবাসতাম সে পরে আর আমারে বিয়ে করে নাই !!!
২য় বন্ধুঃ আয় হায় কেন ??? তুই বলস নাই যে তোর চাচা কোটিপতি ??? ১ম বন্ধুঃ হ্যা বলসিলাম তো।
২য় বন্ধুঃ তাহলে ???
১ম বন্ধুঃ সে জন্যই ও এখন আমার চাচী
২য় বন্ধুঃ তোর কপাল তো ভাল যে তুই বলোস নাই তোর বাবা কোটিপতি !!!


বিচারের কাঠগড়ায়

(৩৭৩) বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বলল এক কয়েদি, দ‘হুজুর, আমাকে ব্যাংক ডাকাতির মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ আমি একেবারেই নিরপরাধ। আমাকে আপনি বাঁচান।’ সাক্ষী ব্যাংক কর্মকর্তা চিৎকার করে বললেন, ‘না হুজুর! পাঁচ ব্যাংক ডাকাতের মধ্যে এই লোকও ছিল। আমি নিশ্চিত।’ কয়েদি: অসম্ভব! এই লোকটা মিথ্যা বলছে হুজুর আমরা চারজন ছিলাম!


এক মেয়ে কাস্টমার কেয়ারে ফোন দিল,

(৩৭৪) মেয়েঃ হ্যালো, আমি একটা মেসেজ ৫০ জনকে পাঠাতে চাই কিন্তু কিভাবে পাঠাব????
কাস্টমার কেয়ার অফিসারঃ কি মেসেজ পাঠাবেন???
মেয়েঃ হাই জানু, আই লাভ ইউ সো মাচ। আমার মোবাইলে ব্যালেন্স নাই প্লিজ ১০০টা টাকা পাঠাও!!!!!
কাস্টমার কেয়ার অফিসার অজ্ঞান...


একদিন এক মেয়ে জুতা চয়েজ করলো

(৩৭৫) একদিন এক মেয়ে জুতা চয়েজ করলো। জুতা চয়েজ হলো কিন্তু সমস্যাটা হলো টাকা দিতে গিয়ে!! সে দেখলো তার সাথে কোন টাকা নাই! জুতার দোকানদারকে ব্যাপারটা বলায় দোকানদার রাজি হইয়া গেলো বাকিতে জুতাটা দিত আর কাল দিয়ে যেতে বলে। এতে তার পার্শ্বের দোকানদার অবাক হয়ে জিজ্ঞাস করলো, "কিভাবে বিশ্বাস করলেন?? কাল যদি না আসে???"
জুতার দোকানদারঃ কাল আসতেই হইবো!! কারন ২ টা ২ সাইজের জুতা দিয়া দিছি!!


Post Top Ad